somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুশীল, সেক্যুলার, বাম ও নাস্তিকদের মিডিয়া দখলের মাধ্যমে ভারতের ক্ষমতায়ন

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০৮ এর নির্বাচনে জয়ের পর আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে বাংলাদেশে যত ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটানো হয়েছে তাঁর সবকিছুর বেনিফিশারী বামপন্থীরা,
***বাংলাদেশে বর্তমানে ৩২টি ইলেকট্রনিক মিডিয়া আবির্ভাবের সবচেয়ে বড় বেনিফিশারী বামপন্থীরা।এসব চ্যানেলগুলোর বেশিরভাগ মালিকানা আওয়ামী রাজনীতিবিদ্‌ এবং ব্যবসায়ীদের হাতে হলেও চ্যানেলগুলোর নিয়ন্ত্রন বামপন্থীদের হাতে। বলতে গেলে, এসব চ্যানেলগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন পদ ‘বার্তা সম্পাদক’ এর পদগুলো সবই বামপন্থী সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে । এছাড়া এসব চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিকদের ৯০%ই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পাস করা ছাত্রইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্রমৈত্রী ও জাসদ ছাত্রলীগের কর্মী এবং সংখ্যালঘু হিন্দু। আর প্রথম আলো, যুগান্তর, কালের কন্ঠ, সমকালসহ শীর্ষস্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়াগুলো অনেক আগে থেকেই পুরোপুরি হিন্দু এবং বামপন্থীদের দখলে,
***যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে আওয়ামী লীগকে দিয়ে জামায়াত নেতাদের ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে বামপন্থীদের শক্তিশালী করেছে ভারত। গভীরভাবে বিশ্লেষন করলে, যুদ্ধাপরাধ বিচারে আওয়ামী লীগের কার্যত কোন বেনিফিট নেই আর এটা একদিন আওয়ামী লীগ হাড়ে হাড়ে টের পাবে। এই বিচারের পুরো বেনিফিট যাবে বামপন্থীদের ঘরে। এছাড়া বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ, আইনপ্রনয়ন এবং বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোকে দুর্বল করার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে লাভবান করা হয়েছে বামপন্থী সেক্যুলারদের,
***প্রশাসন, পুলিশ ও বিচারবিভাগের শীর্ষ পদগুলোতে গত ৬বছর ধরে দলীয়করন এবং কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বামপন্থী এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের। একটা গোপন রিপোর্টে দেখা গেছে , এদের আনুগত্য যতটা না আওয়ামীলীগের প্রতি, তার চেয়ে বেশি বামদের প্রতি। এজন্য বর্তমানে বাংলাদেশে কোন বামপন্থী বা হিন্দুর উপর সামান্য আঘাত আসলেই পুরো প্রশাসন, মিডিয়া , পুলিশ ও বিচারবিভাগে তোলপাড় হয়ে যায়,
***বিএনপি, আওয়ামী লীগ এই দুইটি প্রধান দলের সিনিয়র নেতৃত্ব এখন এককালে বাম রাজনীতি করা রাজনীতিবিদ্‌দের হাতে। এসব দলের বামরা সবাই একই স্বার্থে, একই লক্ষ্যে কাজ করছে,
***দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, চাদাবাজি, খুন, ধর্ষন, গুম সহ বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে জনগনের কাছে ভিলেন হয়েছেন বিএনপি এবং আওয়ামী নেতারা। আর তাদেরকে মিডিয়ার মাধ্যমে কালার করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মুল ধারার রাজনীতিবিদ্‌দের ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। আর এর মাধ্যমে বামপন্থীদের ইমেজ বৃদ্ধি করা হয়েছে।আরেকটা জিনিস খেয়াল করলে দেখা যাবে, এসব দলের নিয়ন্ত্রনে থাকা বামপন্থী কাউকে কিন্তু ভিলেন বানানো হয়নি। বরং তাদের ‘ক্লিন ইমেজ’ এর লোক বলে সব মহলে পরিচিত করানো হচ্ছে,
***বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্য এবং আমেরিকা ব্লক থেকে বের করে ভারত,চায়না এবং রাশিয়ার ব্লকে নিয়ে গিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে বামপন্থীরা। বাংলাদেশে বর্তমানে যেভাবে সরাসরি ওয়াল্ড ব্যাংক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাচ্ছিল্য করা হয়, তা আগে কখনো ঘটেনি।
একটু গভীরভাবে বিশ্লেষন করলে যাবে, গত ৬/৮বছর ধরে বাংলাদেশে যা কিছু করা হয়েছে তা পরোক্ষভাবে বামপন্থী এবং বাম রাজনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য। কেন......? এদেশের প্রধান দুটি দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করানো হয়েছে ইসলাম আর ইসলামী দলগুলোকে। কিন্তু কেন......?এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করুন। তাহলে আগামী দিনের রাজনীতির সমীকরনটা আপনার কাছে অনেকখানি পরিস্কার হয়ে যাবে।
শেষ করব, একটা কথা বলে। নাস্তিক, সুশীল, সেক্যুলার, বামপন্থীদের কাজই হলো মিথ্যা ছড়ানো, বিভাজন সৃষ্টি করা, একজনকে কৌশলে আরেকজনের পিছনে লাগিয়ে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা । এদেশে বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত এই তিনশক্তির মধ্যে পারস্পরিক চিরস্থায়ী শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক তৈরী করার পথটা অনেকটাই তৈরী করে ফেলছে বামরা। আর তাই, অদুর ভবিষ্যতে হয়ত এই দৃশ্য দেখা অসম্ভব নয় যে এদেশের মুল রাজনৈতিক শক্তিগুলোর একটাকে আরেকটার পিছনে লাগিয়ে জাতীয় সরকার বা অন্য কোন নামে ক্ষমতার সুধা পান করছে সুশীল, সেক্যুলার,বাম ও নাস্তিকরা।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬




বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য


​আজকের বৃষ্টিটার কোনো ছন্দ নেই। কোনো ব্যাকরণ নেই। স্রেফ আকাশ ভাঙা জল, যা এই শহরের বুকে সশব্দে আছড়ে পড়ছে। মানুষজন তাড়াহুড়ো করে ছাতা মেলছে, আশ্রয়ের খোঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×