
আবার নতুন বছর। আবার নতুন সূচনা।
নতুন বছরে সামুতে ঢুকতেই ব্যানের খবর পেলাম। যাই হোক, সবাই মিলেমিশে থাকতে পারলেই ভালো হতো। কিন্তু কিছু মানুষ মিলেমিশে থাকতেই পারে না। চুপ করে থাকলেও পায়ে পা বাধিয়ে ধরাশায়ী করে ফেলে।
ঝগড়াঝাঁটি করতে করতে আমাদের স্বভাবটা কেমন জানি ঝগড়াটে হয়ে গেছে। শান্তিপূর্ণ আবহাওয়া ভালো লাগে না বেশিদিন। মনে হয় কেউ কেন ঝগড়া করতে আসছে না! সুখে থাকতে ভূতে কিলানো আর কী!
সামুতে আগে যাদের ব্লগার হিসেবে পেয়েছি তাদের একটা বড় অংশই এখন আর নেই। তারা হয়ত এখানে আর আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। সত্যি বলতে কী আমিও পাই না। রাজনীতি বিষয়টা নিয়ে সবসময় এত শোরগোল চলছে চারপাশে যে, গৃহবন্দি লেখালেখিই বেশি টানছে। আর তাছাড়া সবাইকেই মত জানাতে হবে কেন? কেউ কেউ নির্বাক থাকুক, অসুবিধা কী?
লিখছি। ব্যস্ততাকে জয় করে একটা বই আগমনের সুখবর দিতে পারলে ভালো লাগে। দিচ্ছি সেরকম একটা খবর।
এবারের বইমেলায় (সম্ভবত নির্বাচনের পরে, রোজার মধ্যে হবে) একটা মোটাসোটা গল্পগ্রন্থ নিয়ে আসছি ইনশাআল্লাহ। প্রকাশিত হবে 'চলন্তিকা' প্রকাশনী থেকে। মোট ৯টি গল্প নিয়ে লেখা এই বইটির প্রচ্ছদ করেছে সুলতান আজম সজল (সজল চৌধুরী)। নয়টি গল্পের জন্য চমৎকার কিছু ইলাস্ট্রেশন করেছেন শিল্পী হাসনাত সোহাগ। বইটির নাম, 'সুচেতনা... কত দূরে তুমি?'
জীবনানন্দের সুচেতনার কথাই বলছি। সেই যে জীবনানন্দ বলেছিলেন, 'সুচেতনা... তুমি এক দূরতর দ্বীপ... বিকেলের নক্ষত্রের কাছে...' ফ্ল্যাপে যা বলেছি,
''সুচেতনার বাস বহুদূরের এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপে। এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে তাকে খুব কাছে খুঁজে পাওয়ার আশা করা বাতুলতা মাত্র।
সমাজ সংসারের অজস্র ক্ষত নিয়ে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পৃথিবীতে এক অস্থির সময় পার করছি আমরা। সুচেতনা আমাদের বিশ্বাস আশা আর ভালোবাসার আলোকবর্তিকার মতো। আমরা আজ গভীর আবেগভরা মন নিয়ে তার ফিরে আসার প্রত্যাশায় দিন গুনছি। হয়ত কোনোদিন এই সবুজ পৃথিবীতে আবারো ফিরে আসবে সুচেতনা।
কিন্তু ততদিনে এই পৃথিবীতে মানুষের পদচারণা থেমে যাবে না তো?''

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

