ঢিলেঢালা জামা পরলে গরম কম অনুভূত হয় আর আঁটসাঁট জামা পরলে বেশি গরম লাগে তার অনেকগুলো কারণ আছে। একটি কারণ হল আপনার জামা আর শরীরের মাঝে বাতাসের জন্য খালি জায়গা কম থাকা। আমরা জানি,বাতাস একটি তাপ-কুপরিবাহী পদার্থ। এই বাতাস যদি আপনার আর জামার মাঝে বেশি থাকে তাহলে সূর্যের তাপে আপনার জামা যতটা গরম হবে ততটা গরম আপনার শরীরে আসবে না,মধ্যবর্তী বাতাস ঐ তাপ আটকে দেবে ফলে শরীর অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা থাকবে। আঁটসাঁট জামা পরলে বেশি গরম লাগার আরেকটা কারণ হল,আঁটসাঁট জামা পরলে আমাদের শরীরের ত্বকে ভালভাবে রক্ত সঞ্চালন হতে পারেনা আর আমরা জানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন শরীরের তাপ কমাতে সাহায্য করে। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল আমাদের স্বল্প পোশাক পরিধান,স্বল্প পোশাক পরিধান করলে আমাদের শরীরের বেশিরভাগ জায়গা সরাসরি সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি দ্বারা আক্রান্ত হয় ফলে আমাদের গরম বেশি অনুভূত হয়,ত্বকের কোমলতা নষ্ট হয় আর ত্বকের মেলানিন বেড়ে গিয়ে ত্বক কাল হয়ে যায়। তাই আমরা দেখি যে সাধারণত যেসব বোনেরা পর্দা করেন তাদের ত্বক, যারা পর্দা করেন না তাদের থেকে অনেক সুন্দর ও কোমল থাকে আর যেসব ভাইরা ইসলামি পোশাক পড়েন তারাও অনেক সুন্দর থাকেন যারা পড়েন না তাদের তুলনায়।
আমাদের দেশের জলবায়ুর কারণে আমাদের ঘাম খুব বেশী হয়, যারা আঁটসাঁট জামা পড়েন তাদের ঘাম তুলনামুলক ভাবে বেশী হয়। ফলে তাদের কয়েকটা ক্ষতি হয়। প্রথমত, বেশী ঘাম হওয়ার কারণে শরীরের সঞ্চিত পানি তাড়াতাড়ি শরীর থেকে বের হয়ে যায় ফলে হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। দ্বিতীয়ত, আঁটসাঁট জামার কারণে ঘাম শরীরে সহজে শুকায় না, এবং এতে শরীর স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়ে চুলকানির তৈরি করে। ঢিলেঢালা জামা পরলে শরীরের ঘাম অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি শুকায় ও কম স্যাঁতস্যাঁতে হয়।
মেলানিনঃ ত্বকের রঙ নিয়ন্ত্রণ করে,যার ত্বকে এটা বেশি থাকে সে কালো আর যার কম সে ফর্সা, নিগ্রোদের মেলানিন সবচে বেশি আর শ্বেতাঙ্গদের সবচে কম থাকে, সূর্যের আলো আপনার গায়ে বেশি পরলে আপনার ত্বকে এই মেলানিন বেশি তৈরি হবে ফলে কালো হয়ে যাবেন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



