somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু প্রিয় গান

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোর ভাবনারে কী হাওয়ায়
মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো,
দোলে মন দোলে অকারণ হরষে।
হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে
রসের ধারা বরষে॥
তাহারে দেখি না যে দেখি না,
শুধু মনে মনে ক্ষণে ক্ষণে ওই শোনা যায়
বাজে অলখিত তারি চরণে
রুনুরুনু রুনুরুনু নূপুরধ্বনি॥
গোপন স্বপনে ছাইল
অপরশ আঁচলের নব নীলিমা।
উড়ে যায় বাদলের এই বাতাসে
তার ছায়াময় এলো কেশ আকাশে।
সে যে মন মোর দিল আকুলি
জল-ভেজা কেতকীর দূর সুবাসে॥

তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না
ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
ক্ষ্যাপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
আমরা আর পাব না, আর পাব না -
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব , ছেড়ে দেব না !
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব , ছেড়ে দেব না !

ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
আর পাব না -
ক্ষ্যাপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
আমরা আর পাব না
না না আর পাব না
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না

ভুবণ মোহন গোরা , কোন মণিজনার মনহরা
ভুবন মোহন গোরা , কোন মণিজনার মনহরা
মণিজনার মনহরা
ওরে - রাঁধার প্রেমে মাতোয়ারা
চাঁদ গৌর আমার - রাঁধার প্রেমে মাতোয়ারা
ধুলায় যায় ভাই গড়াগড়ি !
যেতে চাইলে যেতে দেব না
না না না
যেতে চাইলে যেতে দেব না না না
যেতে দেব না !
তোমায় হৃদয় মাঝে
তোমায় হৃদয় মাঝে রাখিব , ছেড়ে দেব না !
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব , ছেড়ে দেব না !

যাব ব্রজের কুলে কুলে -
যাব ব্রজের কুলে কুলে -
আমরা মাখব পায়ে রাঙ্গা ধুলি
মাখব পায়ে রাঙ্গা ধুলি
ওরে পাগল মন -
যাব ব্রজের কুলে কুলে -
মাখব পায়ে রাঙ্গা ধুলি
ওরে নয়নেতে নয়ন দিয়ে রাখিব তারে
ওরে নয়নেতে নয়ন দিয়ে রাখিব তারে
চলে গেলে চলে গেলে যেতে দেব না না না
যেতে দেব না !
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব, ছেড়ে দেব না !
তোমায় বক্ষ মাঝে রাখিব , ছেড়ে দেব না !

যে ডাকে চাঁদ গৌর বলে
ওগো ভয়কি গো তার ব্রজের কুলে
যে ডাকে চাঁদ গৌর বলে
ভয়কি গো তার ব্রজের কুলে
ভয়কি তার ব্রজের কুলে
ওরে - দ্বিজ ভূষণ চাঁদে বলে
ওরে - দ্বিজ ভূষণ চাঁদে বলে
চরণ ছেড়ে দেব না
না না ছেড়ে দেব না
তোমায় বক্ষ মাঝে
তোমায় বক্ষ মাঝে রাখিব , ছেড়ে দেব না !
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব , ছেড়ে দেব না !

ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর, আর পাব না
খেপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর, আর পাব না
না না আর পাব না
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না
তোমায় বক্ষ মাঝে রাখিব ছেড়ে দেব না
তোমায় হৃদ মাঝারে

ভালোবেসে সখী
ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে
আমার নামটি লিখো-তোমার
মনের মন্দিরে।
আমার পরানে যে গান বাজিছে
তাহার তালটি শিখো-তোমার
চরণমঞ্জীরে।।
ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে
আমার মুখর পাখি – তোমার
প্রাসাদপ্রাঙ্গণে।
মনে ক’রে সখী, বাঁধিয়া রাখিয়ো
আমার হাতের রাখী – তোমার
কনককঙ্কণে।।
আমার লতার একটি মুকুল
ভুলিয়া তুলিয়া রেখো – তোমার
অলকবন্ধনে।
আমার স্মরণ-শুভ-সিন্দুরে
একটি বিন্দু এঁকো-তোমার
ললাটচন্দনে।
আমার মনের মোহের মাধুরী
মাখিয়া রাখিয়া দিয়ো-তোমার
অঙ্গসৌরভে।
আমার আকুল জীবনমরণ
টুটিয়া লুটিয়া নিয়ো-তোমার
অতুল গৌরবে।।

এতটা ভালোবাসি

যখন নিঝুম রাতে সবকিছু চুপ
নিস্প্রান নগরীতে ঝিঝিরাও ঘুম
আমি চাদের আলো হয়ে তোমার কালো ঘরে
জেগে রই সারা নিশি
এতটা ভালোবাসি . .

একি অপরুপ সুন্দর তার স্বপ্নের বর্ষার রাতে, আমি ভিজে ভিজে আমি মরি, মিছে নগ্ন প্রভাতে দেখি ভীষন অন্ধকার মাঝে আলো ছায়া, তার নুপুর বাজে , আমি যে
ভেবে ভেবে শিহরিত..

আমি সুর্যের আলো হয়ে তোমার চলার পথে ছায়া হয়ে তোমায় দেখি
এতটা ভালোবাসি . .

ভালোবাসি ভালোবাসি
ভালোবাসি ভালোবাসি
এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায়
বাজায় বাঁশি
ভালোবাসি ভালোবাসি

আকাশে কার বুকের মাঝে ব্যথা বাজে
দিগন্তে কার কালো আঁখি
আঁখির জলে যায় ভাসি
ভালোবাসি
ভালোবাসি ভালোবাসি

সেই সূরে সাগর কূলে বাঁধন খুলে
অতল রোদন উঠে দুলে
সেই সূরে সাগর কূলে বাঁধন খুলে
অতল রোদন উঠে দুলে

সেই সুরে বাজে মনে অকারনে
ভুলে যাওয়া গানের বাণী
ভোলা দিনের কাঁদন
কাঁদন হাসি
ভালোবাসি ভালোবাসি
ভালোবাসি ভালোবাসি!!

এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায়
বাজায় বাঁশি
ভালোবাসি ভালোবাসি

আকাশ এতো মেঘলা
আকাশ এতো মেঘলা
যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে
নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার

গল্প করার এইতো দিন
মেঘ কালো হোক মন রঙিন
সময় দিয়ে হৃদয়টাকে
বাঁধবো নাকো আর

আকাশ এতো মেঘলা
যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে
নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার

আঁধারো ছায়াতে
চেয়েছি হারাতে
দু’বাহু বাড়াতে
তোমারি কাছে

যাক না এমন এইতো বেশ
হয় যদি হোক গল্প শেষ
পূর্ন হৃদয় ভুলবে সেদিন
সময় শূন্যতার

আকাশ এতো মেঘলা
যেও নাকো একলা
এখনি নামবে অন্ধকার
ঝড়ের জল-তরঙ্গে
নাচবে নটি রঙ্গে
ভয় আছে পথ হারাবার

মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী
মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী,
দেব খোঁপায় তারার ফুল ।
কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির,
চৈতী চাঁদের দুল ।
কন্ঠে তোমার পরাবো বালিকা,
হংস-সারির দুলানো মালিকা ।
বিজলী জরীণ ফিতায় বাঁধিব,
মেঘ রং এলো চুল ।
জ্যোছনার সাথে চন্দন দিয়ে
মাখাব তোমার গায়,
রামধনু হতে লাল রং ছানি,
আলতা পরাব পায় ।
আমার গানের সাত-সুর দিয়া,
তোমার বাসর রচিব প্রিয়া ।
তোমারে ঘেরিয়া গাহিবে আমার,
কবিতার বুলবুল ।।

.............................................
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৩৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবীপ্রসাদ যাত্রা

লিখেছেন জ্যোতির্ময় ধর, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২১


আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। চট্টগ্রামের মোমিন রোডের রুচিশীল বই বিপণি কথাকলির বুকশেলফে চোখ বুলাচ্ছিলাম । হঠাৎ একখানি বইয়ের ওপর এসে থমকে গেল আমার চোখ । "ক্ষুদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×