আকাশের নীচে ভোর,
ভোরের দুয়ারে যেন প্রার্থনারত দু'টি চোখ
প্রতিটি দিনই এখানে সুতো পঁ্যাচানো জীবন
রাত্রিসমূহ গিট বুনে বুনে ছড়িয়ে দেয় মায়াজাল।
সোবহে-সাদিক!
জীবন-ভগ্নাংশের ফলাফল ভুলে উল্টায় পাতা
নতুন সূর্য হাসে আমাদের আঙিনায়
সকাল ন'টায় ফোটে সময় গোণা ফুলেরা।
বৃষ্টি নামে না এখানে আগের নিয়ম মেনে
চাতকের আবেদনী চোখে তাকিয়ে আর
শুভ্র-সাদা মেঘ-পরীরা নামে না বনে বনে
দিগন্তের সবটুকু নীল মেখে ধূসর-কালো
নীলাম্বরী পরে, বিজলীর অাঁচলে রঙধনু এঁকে।
পানি চোরদের সিঁদেলের ফাঁক গলে গলে
আধুনিক সভ্যতার পিশাপিশিতে তৃষ্ণার্ত ভূমি
গিলে খায় ফসলের প্রাণ-নির্যাসের সবটুকু
উন্মত্তা পদ্মার বুক থেকে শোনা যায় ইঞ্জিনের গোঁঙানী;
শোনা যায় রাতের প্রহরে পাটকাঠির বেড়ার ফাঁকে
দেখা যায় পাঁজর গোণা সাদা-কালো চাহনিতে
একটা অতি গভীর, যেন প্রাকৃতিক প্রকাশ- হাহাকার!
সন্ধ্যাগুলো জমিয়ে বসে সুতো আর বেণী বাঁধা কাঁটায়
মননে স্বপ্ন বুননে কারুকাজ মন সুর তোলে বাতাসে
দু'চোখে তখন ভর করে জীবনের নেশা এবং দীর্ঘশ্বাস
অন্ধকারের অতলে হারায় আমাদের সব ভালবাসা।
21.06.2006,
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদী আরব।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




