আমার দু'চোখ এখনো অনেক ভাল আছে
দু'কানেও স্পষ্ট শুনি সবকিছু
মৃদু শীতল বাতাসে কাঁপি আর সিক্ত মধ্যাহ্নেব্জ
এখনো চিন্তার দুয়ার খুলে বেরিয়ে আসে
দু'একটি কবিতা।
কেন তবে বারে বারে হাত ডুবিয়ে দেখি?
ঝড় নয়; হাল্কা বাতাসের দাপটে বৃষ্টি ছিল প্রচুর
বাঁশের মাচার ওপাশের ক্ষীণ গর্তটিতে ক্রমেই
জমে উঠে পানি
ঘোলাটে পানি
খড়কুটো নিয়ে।
পাঁচিলের এপাশ হতে মনে হলো
বুক পকেট থেকে ছিট্কে পড়া সোনার আংটিটি
ওখানেই লুকোলো, আমার আটাশ নবান্নের সঞ্চয়।
অনেক সন্তর্পণে গুটি গুটি পায়ে এগুই
সযতনে হাত ডুবিয়ে দেখি, হয়ত এবার পাব
শিমুল গাছে বৃষ্টিভেজা পাখির ডাকে হাত গুটিয়ে নেই
এই বুঝি কেউ দেখে ফেলল, যদি না খুঁজে পাই তবে?
গায়ের চাদরটা গুছিয়ে আবারো
দুরু দুরু হৃদয়ে
ফিরে ফিরে তাকাই
ফিরে ফিরে যাই তার পানে।
যাকে পরাবো বলে তিলে তিলে সঞ্চিলাম
ঝড়ের ক্ষীণ দাপটেই হারিয়ে যাবে ভাবিনি কখনো,
আশা-নিরাশার হাত ডুবিয়ে দেখি ঘোলা পানিতে
যদি পাই খুঁজে আমার আটাশ নবান্নের সঞ্চয়!
20.02.2006
মদীনা, সৌদী আরব
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




