জন্মের অন্ধকার থেকে বেরুতে না বেরুতেই
তোমাদের সুসভ্য (?) অন্ধকার অক্টপাশ-থাবা
ঘিরে ধরলো মস্তক থেকে মেরুদণ্ড হয়ে গোড়ালী
আচিত্ত সবটুকু আমাকে, নিশ্চিদ্র নিরুপায়ে।
আমাকে চেতনা দেয়নি সমাজ, সংসার, স্বভাব
সম্পর্ক এঁকেছিলাম রক্তের ক্যানভাসে
জড়িত আনন্দের মলিন রূপে চমকাতে দেখিনি
লোভের কুয়াসা মাখা হিমেল-কালো রাত্রিকে।
চৈতন্য এসে রূপায়িত হয় গ্রন্থের মলাটে
কি ব্যাথা মাটির গভীরে, অনুভবে, গোপনে
জলের পৃষ্ঠে ঢেউয়ের মতই ম্রিয়মান, মিশেল
আলোক-বিন্দু নড়ে উঠে অক্ষরের বুননে, শব্দে।
সহসা ভোরের আগমনী বায়ু বয় দক্ষিনের জানালায়
'ইতিহাসের ক্ষুদ্র কণা'র গড়িত সকাল
দিগন্ত আলোয় ভেসে উঠে শ্রেষ্ঠত্বের কুরসী
প্রণত আকাশ, সৃজনের সংখ্যাতত্ত্ব ইচ্ছের ভাগফল।
মধ্যাহ্ন চিতায় পথচলে আলোকিত; অন্ধআগুনে,
যুগেদের বাঁকে বাঁকে স্থাপনে আলোকের ল্যাম্পপোষ্ট
দিগন্তের ওপাশে প্রিয়জন হাসে ভালবাসার কারুকাজে
আলোর মিছিলে আমিও ছিলাম পৃথিবী তা রেখো মনে।
25.06.2006
মদীনা, সৌদী আরব।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




