ভুলে যাওয়ার অপূর্ণতা দিয়ে যেখানে
আমার চিন্তার কোষাগার গঠন, সেখানে
কি করে বলবো যে, তুমি আমার নও
তোমাতে-আমাতে হয়নি আলাপ কোনদিন।
অবাস্তব আমার প্রথম বাস্তবতা খুঁজে পেলেন জননী
নিয়মের এই শৃংখলে আমায় বন্দী করলো কে
জানো কি তুমি? রক্তের ভেতর রক্ত, মাংসের ভেতর মাংস
অস্থির এ ভঙ্গুর কারাগারে কয়েদী বানালো কে?
প্রথম দু'চোখ মেলে দেখলাম এক অদ্ভুত আলো
অনুভব করলাম ক্ষুদ-পিয়াস, ভাষা জানিনি তখনো
যন্ত্রণার দহতা পেলাম কোথায়, কেন আমি কাঁদলাম?
এখনো আমি কাঁদি, আমার যন্ত্রণা কেন মায়ের বুক ছোঁয়?
নিমগ্ন আতশী কাঁচে ভর করে আমার চেতনা-জ্ঞান
আমি দেখতে পাই না তোমায়, তবে কি ভুল?
গবেষণা কেন পায় না অন্তরের স্বীকৃতি; মেরুবাসী
অন্তর বলে সত্য চিরন্তন তুমি, অাঁখি বলে কেউ নেই।
এখানে রাত্রি-দিন চলে, জন্ম-মৃতু্যর ধারা নিয়মে
বাতাসের কারুকাজ ছবি অাঁকে মরুর ক্যানভাসে
মেঘেদের দল এসে পানি ঢেলে যায় আমাদের বনাঞ্চলে
জীবনে জীবন খায় বেঁচে থাকার বিচিত্র প্রহসনে।
দেখে না তোমায় দৃষ্টি আমার অন্তদর্ৃষ্টি অনুভবে
ফুল, ফল, পাখি, নদী, ছায়া, বন, সাগর, চেতনা-দহে
বিচিত্র ভূমে মহীয়ান তুমি অতি উচ্চে সমাসীন
সৃজনে কুজনে তব সুন্দর মম অলিন্দে খেলা করে।
03.07.2006
মদীনা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য কৃতজ্ঞ যেখানে ঃ
http://www.designedexpression.com
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




