দুপুরের খাওয়া শেষ করে ঝিমুচ্ছিলাম
হঠাৎ শোরগোল, হাঁক-ডাক-হুংকার!
বিচলিত হয়ে চলে গেল ঘুমেরা অন্য চোখে
স্যান্ডেলটা ঠিক করে উঁকি দিলাম জানালায়
এখন ঘুমেদের মত বিচলিত হয়ে আমারো ইচ্ছে করছে
চলে যাই, হারিয়ে যাই মধ্যদিনের এই পরিচিত অন্ধকার থেকে।
প্রশ্ন জাগে, প্রশ্ন করি, কিন্তু জবাব খুঁজে পাই না-
এখানে মানুষের রক্ত কেন এত সস্তায় পাওয়া যায়?
ওরা তো দেখলাম বন্ধুই ছিল,
চলতো ফিরতো একসাথে পথে জনপদে
দু'বন্ধর মধ্যে ধার করাটা হতেই পারে
তারপর ছোট্ট একটি চেইন কেন হয়ে গেল কারণ?
ধার দাতা চাইলো তার প্রাপ্য আর
গ্রহিতা চায় না দিতে, হায় বন্ধুত্ব!
এখানেই শেষ আর এখানেই শুরু আরেক সম্পর্ক
শত্রুতা!!!
জন জন থেকে আজ রূপ নিলো গণে গণণে
আমি কি যাবো? ভাবছি যাবো, ঠেকাবো ওদের
পাথর ঠেকে কেন দু'টি পা, অাঁকড়ে ধরে প্রিয়জন
জামার পিছন দিক- 'তুমি যাবে না;
এইতো সেদিন ঝগড়া মেটাতে গিয়ে প্রাণ দিল
. . . . , কি পাবে সে, কি মহৎ কাজে গেল তার প্রাণ
বলো???
পক্ষ নেবে? কার পক্ষ নিয়ে লড়বে? বলো'?
সমাজ শরীরের এ পচনে আমি সত্যিই বিচলিত
বোধ করছি অসুস্থ, আমি সিদ্ধান্তহীন নাকি বিভ্রান্ত!
আমি কি যাবো কোন এক পক্ষে, নাকি যাবো মধ্যস্থতায়
পারিনি দু'টি পা'কে সচল করতে, অথচ
হলো রক্তপাত, হলো খুন, গেল প্রাণ!
এই ঠাঁয় দাঁড়িয়ে দেখাও যে কত বড় শাস্তি
কি করে সে কথা বুঝাই তোমাদের. . .!
23.07.2006
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



