somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডারউইন ও আদম হাওয়া

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হে কথা কয় যে পাখী তার নামধারী ! বল। মানুষ মানুষই, বানর বানরই, গরিলা গরিলাই, সিম্পাঞ্জী সিম্পাঞ্জীই, ওরাংওটাং ওরাংওটাংই। এই প্রেক্ষিতে স্মরণ কর - সম্প্রতি জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ববিদ ফন শাইক ও ফন রোয়রের বরাত দিয়ে ডয়েচেভেলে অন লাইনে প্রকাশিত সংবাদের কথা। গবেষক দ্বয় গবেষনায় দেখতে পাই যে- সিম্পাঞ্জী আর মানুষের ডিএনএ'র মধ্যে অন্তত নিরানব্বই শতাংশ মিল রয়েছে। পার্থক্য কেবল 'জাংক' নামক ডিএনএ'র মধ্যে সীমাবদ্ধ। বল। ইহা আল্লার একটি মহান কুদরতি মহিমা এবং মানুষের প্রতি অসীম করুণা। শুধুমাত্র 'জাংক' ডিএনএ'র কুদরতি পার্থক্যের বরকতে মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞান সভ্যতা সামাজিকতায় বহুদুরে পৌঁছে গেছে।
হে কলমওয়ালা ! স্মরণ কর ডারউইনের ধাপবাইধাপ উৎকর্ষতাবাদ থিমের আন্দাজ অনুমানধর্র্মী গবেষণা পত্রের ঘটনা। সেখানে মানব জাতির আদি পুরুষ-নারী কে অস্বীকার করে বলা হয়েছে- মানুষ এপ্ নামক বানরের বংশধর। বল। সৃষ্টিকর্তা অনুসন্ধিৎসু মানসিকতাকে যার পর নাই পছন্দ করেন। ফলশ্রুতিতে তাহার সমুদ্রজাহাজে ভ্রমন করে প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কে তিনি সাধুবাদ জানাচ্ছেন। বল। যখন আধুনিক মানুষগণের নিকট বিশ্ব সৃষ্টি রহস্য আর পৃথিবীর আদিম ইতিহাসের রসদ বর্তমান নাই বললেই চলে, তখন আদমের মৌলিকত্ব নিয়ে স্থির সিদ্ধান্তে আসার পূর্বেই বেফাঁস মন্তব্য না করাই ভালো। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- অনেক কালের পুরাতন ধারনা ছিল যে,পৃথিবী স্থির। এই অমুলক ধারনাকে যখন গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা সার্বক্ষণিক প্রবল বেগে ঘূর্ণয়মান দেখতে পেল বা গতকালই যখন মানুষ বুঝলো যে, সূর্য তার নিজস্ব কক্ষ পথে অনবরত পাক খাচ্ছে। সেখানে মানুষ বানরের বংশধর ধারণাটির উপর স্থির বিশ্বাস না করে বা প্রত্যাখান না করে তার সূত্র ধরে যখন ভবিষ্যতে আরও গবেষণা হবে তখন দেখবে যে, তোমরা মূল সত্যে উপনীত হয়ে গেছ। যেমন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পেরেছ যে, সূর্য ও নিজ কক্ষ পথে পাক খাচেছ!

বল। মানুষ আদম হাওয়ার মাধ্যমে বংশবিস্তারের পর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। আদমের শিক্ষা মানুষ গুলিয়ে ফেলে বনবাসী মানুষ হয়ে পড়েছিল। সাথে সাথে টেকনিকের উৎকর্ষতার অভাবে অন্য সব জীব জন্তুর মত খাদ্য পানীয় জোগাড়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। বল। ইহা আল্লার- ই ইচ্ছা। আল্লা মানুষ কে দিয়েছে সৃষ্টিশীল মগজ যা অন্য কোন প্রাণী পায়নি। তারা শুধু পেয়েছে খাওয়া-হা-গা-ঘুমানো আর যৌনতা কিভাবে পূরণ করতে হয় তা। মূল বিষয় হচ্ছে আল্লার ইচ্ছা ছিল পর্যায়ক্রমে সমস্যা আর অবস্থার মোকাবেলার মাধ্যমে মানুষের মগজ সৃষ্টিশীলতায় মেতে উঠুক। একসাম্ হিসেবে বল- মানুষের প্রস্তর লৌহ তাম্র যুগ করতে করতে এই যে সুপারসনিক সুপারকম্পিউটার যুগে আরোহণ!
বল। মগজের পাশাপাশি মানুষকে বিবেক বা আত্মা দান করা হয়েছে। যেন ভালো মন্দ বোধ আর আদব কায়দা শিক্ষা অর্জণের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃত মানুষে পরিণত হতে পারে। কেননা মানুষকেও জৈবিক অনুভূতি দেয়া আছে। বল। আল্লা মেহেরবান মানুষকে প্রজ্ঞা-ধী শক্তি,ভালো মন্দের পার্থক্য বোধ, জ্ঞান-প্রতিভা, বুদ্ধি বিবেচনা মননশীলতা, সৃজনশীলতা দান করেছেন যা আল্লার- ই বৈশিষ্ট যাতে করে মানুষ আরদে কল্যাণের প্রতিনিধি হতে পারে। এসকল গুণাবলী অন্য জীব থেকে মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত করেছে। তবে আল্লা একটা শর্ত রেখে দিলেন- শর্তটি হলো- মানষ যাতে প্রবনতা সত্বেও আল্লার সিফাত আপনা আপনি না পেয়ে যায় বরং সাধনা আর সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করতে পারে। বল। আল্লা মহান ধৈর্য্যশীল।

হে শিশুদের সালামকারী। তবে পশু পাখীর সৃজনশীলতা মননশীলতা এই যে- মানুষ যদি ভালোবাসা দেয় আর কৌশল ধৈর্য্য সহকারে শিক্ষা প্রদান করে তবে তারা খুব জোর সার্কাসে ক্রীড়া শৈলী দেখাতে পারে। অথচ মানুষ শিক্ষা পেলে সেই শিক্ষা থেকে সৃজনশীল গুনাবলী দ্বারা আরও উন্নত শিক্ষা এবং কৌশল আবিষ্কার করে। বিশ্বকে আরও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। উল্লেখ কর, মানুষকে বিবেকের পাশাপাশি পশুর গুণাবলী ও দেয়া হয়েছে। যাতে করে বিবেকের মর্ম উপলদ্ধি করতে পারে। বল। আত্মশুদ্ধি প্রজ্ঞা লাভ মনুষ্যত্বে সিদ্ধি লাভ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার সোভিয়েত শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১





বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?

রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।

তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।

আমার সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ভালোবাসার কাব্য=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১১


মন পিঞ্জরে করবো বন্দি, পালাবি আর পাখি?
জানিস কী তুই তোকে নিত্য, নজরবন্দি রাখি!

স্বাধীন ডানায় উড়িস ঘুরিস, আমায় দূরে ফেলে,
আমারও তো ইচ্ছে লাগে, উড়ি ডানা মেলে!

মনের ভিতর ঘূর্ণি তুফান, বেসুরো সুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×