দুই দিন ছুটি বেশ ভালই কেটেছে। এই শীতে ও বেশ সামার সামার ভাব। মনে হয় এই বছর বরফের দেখা মিলবে না। আমি বেশ খুশি। সামারটাই আমার কাছে বেশ লাগে। বেশি কাপড় পড়ার ঝামেলা নেই। চারিদিকে কি সুন্দর সুন্দর ফুল ফুটে।অফিস আওয়ার পরে ও অনেক সময় পাওয়া যায়। নদীর পাড়ে বসে আড্ডা।
আজকের সকালটা বেশ সুন্দর ছিল। বাসা থেকে বের হতেই দেখি গাড়িগুলো সাদা হয়ে গেছে। সবাই পরিষ্কারে ব্যস্ত। স্কিনে থাকিয়ে দেখি তাপমাত্রা শুন্য ডিগী্র। সূর্যটা ও বেশ আলো দিয়ে যাচ্ছে। ট্রেন টালেন থেকে বের হতেই চারিদিক অন্ধকার। এতো কুয়াশা।
অফিসে বস নেই। অবশ্য এখন আমিই নিজে বস। ইচ্ছে হলে আসি,ইচ্ছে হলে চলে যাই।যদি ও কয়েকশ পৃষ্টা ডকুমেন্ট পড়া এখন ও বাকী।11:30 টায় লাঞ্চ। ক্যান্টিনে শুধু মাংস দিয়ে আইটেম। খাওয়া যাবে না। হালাল না। তাই ভেজিটেবলই সই। অফিসে বসতে ভাল লাগছে না। দোস্তকে ইউ,কে ফোন দিলাম। শালা শুধূ একটা কথাই "কবে আসবি","তোর টিকেট আমি পে করবো"। অনেক্ষন বগার বগার করে ইচ্ছে করেই লাইন কাট। পাশের সিটতে বন্ধুকে ফোন । দিনটা সামারের মতো মনে হচ্ছে,চলে আয়।একসাথে আড্ডা হবে।নদীর পাড়ে ঘুরতে যাব।খাওয়ার বিলটা আমার।শালা আজকে আসতে কোন ভাবেই রাজি হচ্ছে না। শুক্রবারে নাকি আসবে।
ব্লগে পেইজ অপেন করে সবার লেখাগুলো মন্তব্যসহ পড়ি।হঠাত করে চোখ চলে যায় মিথিলার পোষ্টে।মনটা হাহাকার করে উঠে।
না,এখন আমি একাই ঘুরতে বের হবো। বাসে,ট্রামে,আন্ডারগ্রাইন্ডে,ট্রেনে বসে থাকবো। যতোদুর যাওয়া যায়। টিকেটের কোন সমস্যা নেই।পুরো Hessen টিকেট আমার পকেটে।
অনেক দিন থেকেই মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি।আমার প্রিয় জিলাপি ও এখন আর খাওয়া হয় না। আজকে একটা ট্রাই দিতে হবে।
ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা হয়ে এলে বাসায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







