somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চকলেট শপিং

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোটবেলায় চলকেট খেয়ে 5ম শ্রেনীতে উঠার আগেই কয়েকটি দাত শহীদ হয়েছে। মামার চকলেট কারখানা থাকায় চকলেটের জন্য আমাদের কষ্ট করতে হয়নি। কিন্তু দাতের সে কি ব্যথা।তখন গ্রামে কিসব মহিলা আসতো দাঁতের পোকা বের করার জন্য। অনেকের মতো আমার মা ও ওদের দিয়ে পোকা বের করে যখন কোন কাজ হতো না তখন আবার মামার কাছে(মামা ডাক্তার)। স্কুলেই থাকতে ফ্যামেলির সবাই পরবাসী।আমি ও মাঝে মাঝে বায়না ধরে এখান থেকে অনেক চকলেট পেতাম। এখানে আসার পর চকলেট খাওয়া অনেক কমিয়ে দিয়েছি। একদিন ভাইয়া বলে "কিরে দেশে থাকতে শুধু চকলেটের জন্য চিল্লাফাল্লা করতি এখন তো চকলেটের কাছে ও দেখি না" ।মা বলে "ওর পকেটে সব সময় চকলেট থাকে"। সমস্ত মার্কেট খুজে আমি দেশের মিমি চকলেটের মতো একটা চকলেট খুজে পেয়েছি। সাইজ এতো পিচ্চি যে একসাথে অনেকগুলো পকেটে রাখা যায়। আর অনেক রকমের ফ্লেবার।(ক্লোজআপহাসি)। দেশে যাকেই এই চকলেট গিফট করি সবাই খুব পছন্দ করে। নিজে ও দেশে যাওয়ার সময় বস্তা ভরে বিভিন্ন করমের চকলেট নিয়ে যাই।কাউকে গিফট করলে ও চকলেট।দেশে অনেকগুলো পিচ্চি বোন আছে। কোন সময় চকলেট পাঠালে বলে -ভাইয়া তুমি এতো চকলেট পাঠাও। খেতে তো 2মাস লাগে। এক ফ্রেন্ড হঠাৎ করে দেশে যাবে। কোন কিছুই কেনাকাটা করতে পারে নাই। আমি একটু ফ্রি তাই টিকেট থেকে শুরু করে শপিং ও আমাকে করতে হচ্ছে। আমি চকলেট কেনার দায়িত্ব নিয়েছি। গত বছর যখন ও দেশে যায় তখন নাকি ওর চকলেট কম হয়েছে। আল্লার নাম নিয়ে শপিং সেন্টারে ঢুকে ট্রলিতে চকলেট নিতে নিতে দেখি এখন আর জায়গা নাই। তিনটি বড় ব্যাগে ও জায়গা হচ্ছে না। হাতে নিয়ে বুঝলাম আজকে খবর আছে। মিনিমাম 30 কিলো হবে। কোনমতে বাসায় এসে ওজন করে আমার মাথায় হাত।27 কিলো চকলেট।বন্ধু অফিস থেকে ফোন দিয়ে বলেছে আমার ইচ্ছে মতো,প্রান খুলে চকলেট কিনতে (ব্যাটা বুঝে নাই এখন ঢেলা বুঝবে)। টিকেটে ওজন লিখা আছে 35 কিলো। আমার চকলেট কেনার অবসহা উনি জানে না। এখন ও কসমেটিক কেনা হয়নি।কসমেটিকসের ওজন তো আরও বেশি হবে। কসমেটিক কিনতে যাওয়ার আগে উনাকে একটু পাম দিতে হবে যাতে কম কিনে।ঝাড়ি খাওয়ার বিরাট সম্ভাবনা। তারপর ও তো নিজের নামের প্রতি অবিচার করা যায় না
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৩৬
২২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জলে স্থলে শূন্যে আমি যত দূরে চাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩



আমি ভেবেছিলাম, তুমি আমাকে ভুলেই গেছো!
লম্বা সময় ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। আমিও নানান ব্যস্ততায় যোগাযোগ করতে পারিনি। তুমিও যোগাযোগ করনি! অবশ্য তুমি যোগাযোগ অব্যহত না রাখাতে আমি বেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মানবাধিকার' (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

'মানবাধিকার' একটা এনজিও। তারা বিদেশী সহায়তা নিয়ে মানুষ, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে। আজ তারা একটা বড় সমাবেশ করছে প্রেসক্লাবে। সমাবেশে সাংবাদিকসহ নানান পেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। টিভি সাংবাদিকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নদী তীরের ইমাম থেকে গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সার: একটি অনুপ্রেরণার গল্প

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০৬




নদী তীরের ইমাম থেকে গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সার: একটি অনুপ্রেরণার গল্প

একটি বিশাল নদীর কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা শান্ত এক জনপদ, আর ঠিক নদীর ঘাট ঘেঁষেই ছিল একটি সুন্দর মসজিদ। সেই মসজিদের ইমাম সাহেব... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×