somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পারফেক্ট বখেনএন্ড !!

১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফাজিল টাইপের একটা ডেভোলপমেন্টে কাজ করতে হচ্ছে।আই.বি.এম কোন আমলে পি.এল.এম নামে একটা প্রোগ্রামিং বানাইছে সেটা ওয়েব ঘেটে বাহির করতে হয়।কোম্পানি ১৭ বছর আগে প্রটেকশন ডিভাইস ডেভেলপ করেছিল পি.এল.এম দিয়ে।এখনও আছে। এরা ইন্টারফেস চ্যান্জ করতে রাজি না। কারন, প্রটেকশন ডিভাইগুলো খুব সিকিউর এবং সাকসেসফুল্লি সবাস্টেসন অটোমেশনে রান করতেছে। আমাকে ভি.এন.সি দিয়ে আরেক সিটিতে সার্ভারে অবস্হিত মেইন ডাটাবেজে সিঙ্গিল পয়েন্ট/ডাবল পয়েন্টগুলো আপডেট করতে হচ্ছে।একটা পয়েন্ট এন্টার করতে সময় লাগে প্রায় ১.৩০ মিনিট। এই সময়ে অন্য কোন কিছুতে কনসেনট্রেট করা যায় না।পুরো এক সপ্তাহ ধরে এই ফাজিল টাইপের কাজ করতে হচ্ছে।বস পেছন ফিরে দেখে মুচকি হাসে।সেও এক সময় এই ফাজিল টাইপের কাজ করেছিল।পরে সে ভালো একটা বুদ্ধি দেয়। এয়ারফোন কানে লাগিয়ে গান শুনতে শুনতে কাজ করতে বলে।

সপ্তহান্তে টিটু ভাইয়ের আগমন।ফ্রাঙ্কফুটে কোথায় কোথায় ঘুরা যায় সেটা আমি নিজেও জানি কম।পড়াশোনার শেষ ভাগে এসে ভাইয়ার বকা খেয়ে কয়েকটি জায়গা ঘুরা হয়েছিল। আমি আবার বন্ধু-বান্ধব না থাকলে ঘুরে মজা পাই না। বরং বাসায় বসে বসে ছোট বোনের সাথে কম্পিটিশনে কার্টুন দেখি। টিটু ভাইয়ের আসার কথা শুনে পালমেন গার্টেনর কথা মনে পড়লো। কিন্তু বেশ আগে গিয়েছিলাম রাস্তাও ঠিকমতো মনে নেই। ছোট বোনকে জিঞ্জেস করলাম যাবি নাকি। উনি নাক উচু করে বল্লেন-আমি ওখানে প্রায় ১৫/২০ বার স্কুল থেকে গিয়েছি। আইসক্রিমের লোভ দেখিয়েও লাভ হলো না। ফ্রিজে নাকি অনেক রকমের আইস আছে। রাস্তার লোকেশন জিঙ্গেস করলে বলে ভুলে গেছি ।

নিজের আন্দাজেই রওয়ানা হলাম এবং প্রথম চান্সেই পেয়ে গেলাম।বেশ মজার জায়গা। গ্রিন হাউজ বানিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রানিও উদ্ভিদগুলোকে রাখা হয়েছে।অথচ এরাই গ্রিন হাউস বলে চিল্লায়। এক এক ব্লকে এক এক দেশের উদ্ভিদ ও প্রানি। রাস্তার ধারে ফুটে আছে অসংখ্য রকমের ফুল।বিভিন্ন রঙ,বিভিন্ন সাইজের ফুল। ছোট লেকের মতো করে তৈরী পুকুরগুলোতে বিভিন্ন রকমের পাখিৎহাস।বাচ্চাদের খেলার জন্য বেশ বড় জায়গা।মা-বাবা বাচ্চাদের নিয়ে এসে বেশ মজায় আছে। পিচ্চগুলো খেলায় ব্যস্ত। একটা বড় পুকুরে শতশত মাছ। হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। একটু খাবার দিলেই ছুটে আসে। পিচ্চিগুলোর মতো আমিও হাত দিয়ে ধরার চেষ্টা করলাম। নৌকা দিয়ে ঘুরার ব্যবস্হা আছে। ছোট একটি ট্রেনও আছে। ঘুরে ঘুরে বেশ দুরে একটা জায়গায় কাচ ঘেরা ঘরে বাংলাদেশের গাছ,মাছ দেখতে পেলাম। ভিতরের তাপমাত্রা প্রচন্ড বেশি। সেই সাথে হিউমেডিটিও। লাউ গাছে ফুল ফুটেছে, কচু গাছ, কচুরিপানা,সাপলা,ছোট ছোট বিভিন্ন রকমের পরিচিত সব দেশি মাছ। সেই গ্রামের মতোই পরিবেশ। অনেক দিন পর দেখে বেশ ভালো লাগলো। ৫/৭ মিনিটেই সবার ঘাম ছুটে গেছে। সবাই ক্লান্ত। যাবার রাস্তা খুজতে হচ্ছে এবার। যদিও অনেক কিছুই তখন দেখাতে বাকি আছে। এইসব জায়গায় যেতে হলে কিছু খাবার পানি সাথে নিয়ে নেওয়াই উত্তম। অনেক বড় জায়গা।হাটতে হাটতে পা ব্যথা হয়ে যায়।

বেড়ানো শেষ হতেই শুরু হলো দাওয়াত খাওয়ার পালা। তিন বাসায় দুপুরের দাওয়াত। একজনের বাসায় খাই আর অন্য বাসার দাওয়াতের কথা গোপন রাখি। বিকেলটা মাইন নদীতে স্টিমার ভ্রমন। স্টিমারে বিকেলের সমচা, ড্রিক্সস,আইসক্রিম।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন মসজিদের কাজ শুরু করলাম

লিখেছেন প্রামানিক, ২৫ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

আলহামদুলিল্লাহ্, নতুন মসজিদের কাজ আজ থেকে শুরু হলো। আজ সকাল দশটায় গ্রামের কয়েকজন ধর্মপ্রাণ উদ‍্যোগী মানুষ নিজ উদ‍্যোগেই মাটি কেটে দিয়েছে।

আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০



প্রিয় কন্যা আমার-
ফাজ্জা তোমার স্কুল বন্ধ। তুমি তোমার নানা বাড়ি গেছো। এবার অনেকদিন থাকবে নানা বাড়ি। নার্সারি থেকে কেজি ওয়ানে উঠলে। বেতন বেড়েছে। খরচ বেড়েছে। আমি নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসাহাসি থেকে সাফল্যের ইতিহাস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২



এক সময় অনেক সমালোচনার মুখে ছিল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (সাবেক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)। তখন অনেকেই বলেছিল, এত টাকা খরচ করে এসব করে কোনো লাভ হবে না। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোসাইপুর ১৯৭১

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৫০



জুন মাসের পড়ন্ত বিকেল, ভ্যাপসা গরমে আগন্তুক ঘেমে একাকার। গায়ে ময়লা হাফ শার্ট আর নীল ফুলপেন্ট। শার্টের রঙ কোনো এক সময় হয়তো সাদা ছিলো, ময়লা হতে হতে এখন প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×