আজ নারী দিবসে অনেক নারীর সাথে পুরুষরা ও নারীদের স্বাধীনতার কথা বলবে, আর ঘরে গিয়ে টিকই বউকে পেটাবে।
ব্ললগে ডুকতেই অনেকগুলো লেখা, যেখানে ইসলামকে বেশ হেয় করে লিখা হয়েছে একেবারে কোরআনের আয়াত এবং হাদিস দিয়ে। ভাল যে লোকগুলো মিনিমান কোরআন হাদিস পড়ে।কিন্তু অল্পবিদ্যা যে ভয়ংকর সেইটা ও তাদের মনে রাখা উচিত।
ইউরোপে যারা বসবাস করেন তারা ভাল করেই জানেন নারী স্বাধীনতা কি।
এই বিষয় নিয়ে বসের সাথে বেশ একটা তর্ক হলো। আমার প্রশ্ন ছিল নারী স্বাধীনতার নামে যে তোমরা মেয়েদের কাপড় খোলে পণ্য হিসাবে ব্যবহার করতেছ, এইটা কি ঠিক?? অথন তুমি কখন ও কোন পুরুষকে কোন বিঙ্গাপনে এইরকম খারাপ অবসহা য় দেখবে না।
যারা বাস্তববাদী তারা বলবে, ইসলামে কেন একের উপরে অন্যকে অধিকার দেওয়া হলো? খুবই কঠিন একটা প্রশ্ন?? আর যদি সবাই সমান হতো, তাহলে কি হতো?? পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যেত!! এজন্যই একের উপরে অন্যকে অধিকার দেওয়া হয়েছে, কমিউনিসমে যেরকম সবাইকে সমান করার আপ্রাণ চেষ্টা করে ও সফল হতে পারে নাই।
ইউরোপের নারীদের এতো অধিকার অথচ অফিস, আদালত, ভার্সিটি কোথাও তাদের 2% এর বেশি দেখা যায় না। বেশি থেকে বেশি সেক্রেটারি অথবা সেলস গার্লস
আমি নারীদেরকে ছোট করে দেখতেছি না। তুমি যদি পুরুষের সমান হতে চাও, আসো তোমাকে তো কেউ বাধা দিতেছে না।নিজে চেলেনজ নিবে না আবার বলবে পুরুষ আমাকে কোন অধিকার দেয় না।
আর যারা কোরআনের আয়াত দিয়ে বোঝানোর চেষটা করতেছ বহু বিবাহ সম্পর্কে তাদের উদ্দেশ্যে, ইসলাম বহু বিবাহে র অনুমতি দিয়ে কোন খারাপ কাজ করেনি বরং নারীদেরকে সম্মান করেছে। তাদেরকে বেশ্যা না করে একজনের বউ হিসাবে সমাজে সহান দিয়েছে। বহুবিবাহ করার ক্ষেত্রে ও ইসলামে অনেক বাধ্যবাদকতা আছে।
(সরি উপরের লিখা কিরকম হলো জানি না। আমি কোন কিছু লিখে আবার চেক করার ধযর্্য থাকে না। এখন আবার অফিস ফাকি দিয়ে লিখতেছি)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



