সবার পুরনো প্যাচাল পড়ে পড়ে আমার মন টা ও অস্থির হয়ে আছে।সেই 2004জুলাই।প্রায় দুই বছর।।
আমি ভিসা পেয়ে গিয়েছিলাম অনেক সহজে। গিয়েছি 7 তারিখ,টুকটাক কথা বলেছি,বলল এমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাং থেকে গিয়ে 8তারিখে পাসপোর্ট নিয়ে আসতে। আমার ফ্যামিলী থাকে নারসিংদী, আমি ঢাকায়। তাই ফোন করে বললাম।সবাই খুশি।বাবা , মামা,মায়ের কান্না। তিন দিনের বেশি চারদিন আমাকে না দেখে থাকে নি তারা। আমাকে হল এ থাকতে দিয়েছিল, শুধু নিজের দায়িত্ব যাতে নিজে নিতে পারি তা শিখানোর জন্য।কারন আমি যতদিন নিজের বাসায় ছিলাম কোন কাজ ই করতে দেয়নি।আমি অবশ্য অনেক সফল ভাবে ই সব করেছি। তবু কান্না।
তখন বাংলাদেশে বন্যা। নরসিংদী শহর প্রায় পুরুটা ই ডুবে গিয়েছে।আমাদের বাসার উঠানে কোমর পানি।এর মাঝে ঢাকা নরসিংদী দৌড়া দৌড়ি,এই দিকে আমার আসার তাড়া। আমাকে জুন এ আসতে হবে।কারন এই খানে এসে জীবনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাসায় বলার ও সাহস পাচ্ছি না। শেষ পর্যন্ত জুলায়ে আসতে হল। দুট রাত ঠিক মত বাবা মায়ের সাথে কাটাতে পারিনি। বন্যার জন্য কোথাও আত্মিয় সজন যারা আমাকে ভালবাসায় বেধে রেখেছিল, দেখা করতে পারি নি। এমন কি আমার খালা(মায়ের মত আমাদের বড় করেছে), তার দুই মেয়ে (আমারএ কনিষ্ঠ ভক্ত)কারো সাথে ই দেখা হয় নি। খুব কস্ট হয়েছে, কারন আমি জানি আমার খুব তারা তারি যাওয়া হবে না দেশে।
আমার মোবাইল ডিসকানেক্ট করে ল্যান্ড ফোন নিতে নিতে বেশ কিছু দিন লেগে গেল।তাই বাসার সাথে যোগাযোগ ছিল না। ফোন পেয়ে ই বাসায় ফোন দিলাম। বাসায় কান্না কাটি অবস্থা।এ র মাঝে আমার বাবা, দুই রাত আমার ডাক শুনে বাইরে বের হয়ে গিয়েিিছল। কিছু দিন কথা না হলে ই, তার এমন হয়। সে আমার ডাক শুনতে পায়, কথা শুনতে পায়।
মনটা খুব খারাপ হয়ে আছে। জানিনা কবে যাব।শালার পড়াশুনা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



