somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“মাগো, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফেরে .....” [ ছবি ও লেখা ব্লগ ]

২২ শে জুন, ২০১৫ বিকাল ৩:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


“মাগো, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফেরে .....” [ ছবি ও লেখা ব্লগ ]
[তৃতীয় এবং শেষ পর্ব ]

বিজন আকাশ পারে
কে যেন ডাকিছে মোরে
রঙের পেখম মেলি......


ছবি : ট্যারানটুলা নেবুলা , টেলিস্কোপের চোখে ।

হ্যা, আট হাত-পাওয়ালা ভয়ঙ্কর মাকড়সা ট্যারানটুলার মতোই দেখতে আকাশে এই রঙের খেলাটি । তাই নাম – ট্যারানটুলা নেবুলা । ১ লক্ষ ৭০ হাযার আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা এই আলোকদৃশ্য আপনার চোখে ধরা দেবে দক্ষিন আকাশে ।
বিশাল ম্যাজেলানিক মেঘমালার (Large Magellanic Cloud) মিয়্যুজিয়ামে ঝোলানো আছে ছবিটি । এতো দূরে থেকেও এর উজ্বলতা এতোটাই যে, যদি ওরিয়ন নেবুলার দুরত্বে এটি আপনার কাছেই থাকতো তবে তার আলোতে সূর্য্যের মতোই আপনার ছায়া পড়তো পৃথিবীর গায়ে । তখন ---- যার ছায়া পড়েছে মনের আয়নাতে.... গানটির মতো আপনার আকাশের আধেকটাই জুড়ে থাকতো তার ছবি । এ পর্য্যন্ত আপনার জানা সবচেয়ে উষ্ণ , সবচেয়ে উজ্বল আর সবচেয়ে বড় দানবাকৃতি নক্ষত্রের রঙ মিশিয়েই আঁকা হয়েছে এই ধুম্র মেঘমালা, ১১০০ আলোকবর্ষ আয়তনের মহাকাশের ক্যানভাসে। নাসার শক্তিশালী তিন তিনটি অবজারভেটরী – হাবল, চন্দ্রা আর স্পিৎজারের টেলিস্কোপিক তুলি দিয়ে আঁকা হয়েছে ছবিটি ।




ছবি : ট্যারানটুলা নেবুলার ব্যবচ্ছেদ .....

ট্যারানটুলা নেবুলার ছবিটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যে বিশাল দৈত্যাকারের তারাগুলো, তাদের রঙের আলোতেই উদ্ভাসিত এই ধুলোর মেঘমালাটি । এই তারাদের মোট ভর চার লক্ষ পঞ্চাশ হাযার সূর্য্যের ভরের সমান । তাই এতোগুলো সূর্য্যের দীপ্তি নিয়ে সে তো সুদূরের আকাশ রাঙিয়ে তুলবেই ! রাঙিয়ে তুলবে আপনার মনটাকে ও ।

মন মোর উড়িবারে চায়
অসীম আকাশের গায়,
নেচে নেচে, গানে গানে -
জানি - জানি তুমি রহিবে চেয়ে
আমারই পানে .....


ছবি : প্রজাপতি, প্রজাপতি পাখনা মেলো.... বাটারফ্লাই নেবুলা ।

সূর্য্যের চেয়ে পাঁচগুন বেশী ভর নিয়ে একটি মৃতপ্রায় নক্ষত্রের শুককীট থেকে জন্ম নিচ্ছে একটি অপরূপ প্রজাপতি । শান্ত একটি প্রজাপতির মতো মনে হলেও আসলে সে তা নয় । পাখনাগুলোকে ছুঁইয়ে দেখার সাধ আপনি ভুলেও করবেন না যেন কোনদিন । কারন প্রজাপতির মেলে দেয়া পাখনায় আগুন যেন তার পরশমনি ছুঁইয়ে গেছে । বিশ হাযার (২০,০০০) ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ে উত্তাল কুন্ডলীকৃত গ্যাস, কেন্দ্রে থাকা মৃতপ্রায় নক্ষত্রটির বুক ফেটে ছড়িয়ে যাচ্ছে দু’দিক থেকে ঘন্টায় ৯৫০,০০০ কিলোমিটার বেগে । একটি মরনোন্মুখ নক্ষত্রের কি প্রজাপতি হয়ে পাখনা মেলার ইচ্ছে ? হয়তো !


জ্যোতির্বেত্তারা এমন সুন্দর একটি প্রজাপতিকে “প্লানেটারী নেবুলা”র শ্রেনীতে ফেলেছেন । কারন ছোটখাটো একটি টেলিস্কোপের চোখেও নক্ষত্রটিকে গ্রহের মতো গোলাকারই দেখাবে । মহাশূন্যে ১৯ বছরের পুরনো হাবলকে সারাতে আর আপগ্রেড করতে গিয়ে ২০০৯ সালের মে মাসে নাসার নভোচারীরা যে নতুন একটি ক্যামেরা বসাচ্ছিলেন তাতেই ধরা পড়েছে এই মহাকাশীয় প্রজাপতিটি ।
...নিউ জেনারেল ক্যাটালগ অব নেবুলা এ্যান্ড ক্লাস্টার অব ষ্টারস.... যাকে সংক্ষিপ্ত করে ডাকা হয় এন,জি,সি (NGC) সেখানে এটাকে নথিভূক্ত করা হয়েছে এন,জি,সি – ৬৩০২ নামে । জ্যোতির্বিদ্যায় মহাকাশের গভীরে থাকা সব বস্তুকেই চিহ্নিত করে করা এই ক্যাটালগটি সুপরিচিত হয়তো আপনার কাছে । এন,জি,সিতে এরকম ক্যাটালগকৃত মহাকাশীয় বস্তুই আছে আট হাযারের মতো ।
মাত্র ৩৮০০ আলোকবর্ষ দূরে আপনার ছায়াপথ গ্যালাক্সির স্কর্পিয়াস কনষ্টিলেশনে রয়েছে এন,জি,সি – ৬৩০২ । সেখানে ২২০০ বছর আগে এই বাটারফ্লাই নেবুলাটি তার পাখনা মেলতে শুরু করেছে । এর মধ্যেই তার পাখনার ব্যাপ্তি ২ আলোকবর্ষ ছাড়িয়ে গেছে । বাটারফ্লাই নেবুলাটি তার পাখনা আরও মেলুক আর আপনার মনের সব আঁধার কোনে কোনে রঙের রঙ মশাল জ্বালুক ।

এইখানে শূন্যে, উঠেছে অজেয় পাহাড়
একটি হিমালয় যেন আকাশের ভেতর,
রহস্যে ঘেরা আগুনের তনুখানি তার....


ছবি : দ্য মিস্টিক ফ্যান্টাসী মাউন্টেন ।



ছবি : ফ্যান্টাসী মাউন্টেনের একটুকরো অংশ যেখানে উজ্বলতা ছড়াচ্ছে সদ্য জন্মানো শিশু নক্ষত্রের দল ।

৭৫০০ আলোকবর্ষ দূরের কারিনা নেবুলার ভেতর গড়ে উঠেছে তিন আলোকবর্ষ উঁচু এই গ্যাস আর ধুলোর পাহাড়টি । আগুনের হল্কা তার গায়ে । আশেপাশের উত্যক্তকারী বিশাল বিশাল তারাদের (ষ্টার টিজার) প্রচন্ড রেডিয়েশান আর আয়নিত ধুলিকনার তীব্র ঝড়ো বাতাসে এই পাহাড়ের আবরন খসে খসে যাচ্ছে ধ্রৌপদীর বস্ত্রহরনের মতো । তাই আয়নিত উষ্ণ গ্যাসের বিচ্ছুরন তার প্রান্ত জুড়ে । তার কোলে জন্ম নেয়া শিশু তারাদের রঙে রাঙানো অক্সিজেনের স্বচ্ছ নীল ওড়না উড়ে উড়ে যাচ্ছে তার শীর্ষ থেকে । হাইড্রোজেন আর নাইট্রোজেন কুন্ঠিত হয়ে সবুজ হয়ে উঠেছে । সালফার গ্যাস লজ্জায় হয়ে গেছে কমলা-লাল । রেডিয়েশানের লোলুপ হাতে লজ্জা খসাতে দেবেনা বলে আয়নিত গ্যাস আর ধুলোরা কেউ কেউ ভেতরে ভেতরে জমাট বেঁধে কালচে রঙ ধরে ঘাপটি মেরে বসে আছে যেন । পরতে পরতে গ্যাসীয় এই রঙের লাজরাঙা খেলা তার সারা তনুমন জুড়ে । তবুও শেষ রক্ষা হবে তো ?


২০১০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী হাবল স্পেস সেন্টারের ওয়াইল্ড ফিল্ড ক্যামেরা -৩ (WFC-3) এর এই ছবি বলছে শেষ রক্ষা বুঝি আর হলোনা ! যে হারে এই পাহাড়ি মেয়ের শরীর থেকে আবরন খসে যাচ্ছে ( ছবিতে মধ্য শিখর থেকে খসে উড়ে যাচ্ছে ধুলোর খন্ড মেঘ ) তাতে মাত্র কয়েক মিলিয়ন বছরের ভেতরেই এই রহস্যে ঘেরা পাহাড়টির রঙ মুছে যাবে আকাশের গা থেকে ।

মহাপ্রস্থানের পথে
মরনের ধুপছায়া মাখি
জুড়াইছি তব আঁখি ।
মরনের পরে ....
কে তুমি পূজিবে মোরে
আজি হতে অযুত বছর পরে ?


ছবি : বাটারফ্লাই নেবুলা M2-9 ।

মৃত্যুর কি কোনও রঙ থাকে ! মৃত্যুর ছবি কি শিল্পে ঐশ্বর্য্যমন্ডিত হয়ে ওঠে ! হয়তো !
তাই আকাশের নিবিড় বুক থেকে হারিয়ে যাওয়ার আগে নক্ষত্রেরা এমনিই রঙ ছড়ায় বুঝি !
আসলেও তাই । মহাপ্রয়ানের পথে দুটি নক্ষত্রের একত্রে জড়াজড়ি করে নিঃশেষ হয়ে যাবার ছবি এটি ।


ছবি : ১৯৯৮ সালে হাবল ওয়াইড ফিল্ড প্লানেটারী ক্যামেরা - ২ এ চারটি ন্যারো ব্যান্ড ফিল্টার ব্যবহার করে তোলা রূপসী M2-9 ।

আদিগন্ত নিঃসীম আকাশের কালো অন্ধকারে এরকম আবেগে জড়াজড়ি করে থাকা অনেক বে-শরম নক্ষত্র জুটিই (binary star system) দেখতে পাবেন আপনি ।
এটিও তাই - M2-9 বা বাটারফ্লাই বা জেট নেবুলা । পৃথিবী থেকে কনষ্টিলেশন “অফিয়্যুকাস”য়ের দিকে ২১০০ আলোকবর্ষ দূরের এই দ্বৈতনক্ষত্র জুটির মরনের আগে হেচকি তোলার নান্দনিক একটি ছবি । প্লুটোর কক্ষপথের চেয়ে দশগুন বড় এলাকা নিয়ে জুড়ে থাকা গ্যাস-বলয়ের ভেতরে অন্তিম শয়ানে একে অপরকে আলিঙ্গনে বেঁধে রেখে নক্ষত্র দুটি গুনছে মৃত্যুপ্রহর ।
ছবির মাঝখানের উজ্বলতাটুকু মূল নক্ষত্রের অন্তিমদশা । পরষ্পরের তুমুল আকর্ষনের আবেগে নক্ষত্র দুটির বুক থেকে যে গ্যাস ফুলে ফেঁপে উঠছে তাইই ছড়িয়ে যাচ্ছে দুদিকে । মাত্র ১২০০ বছর আগে এই উদগার, গ্যাসীয়বলয় থেকে ছুটে চলার পথে তাকে দিয়ে গেছে এই প্রজাপতি রূপটি । প্রতি সেকেন্ডে ২০০ মাইল বেগে ছিটকে বেড়িয়ে আসা এই গ্যাসীয় স্রোতকে আপনি ----- সুপার-সুপারসনিক জেট --- বললেও কোনও ক্ষতি নেই । নভোচারীরা বলছেনও তাই – জেট নেবুলা ।
এমন নৈঃস্বর্গিক রূপ-রঙ নিয়ে আমাদেরও জীবনাবসান হবে কি ? কে জানে .......

আকাশে এখন খুব নীরবতা
জমেছে আঁধার গাঢ়,
হৃদয়ে প্রেমের গল্প
হে প্রিয়তমা, কাছে এসো আরও
.

ছবি : এ্যানটেনা গ্যালাক্সি ।


ছবি : পৃথিবী থেকে ৬২ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে দুটি গ্যালাক্সির কাছে আসা ।

শুধু যে চন্দ্রিমা আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হাত ধরাধরি করে কাছে বসে থাকা জুটির দেখা মিলবে আপনার তা নয়; আকাশের উদ্যানেও আপনি এরকম জুটি দেখতে পাবেন ঢের ঢের ।
এদুটি গ্যালাক্সির দেখা হয়েছিলো ১০০ মিলিয়ন বছর আগে । সে থেকেই তারা প্রেমে মশগুল । দুজনার ভেতরে জমে থাকা প্রচন্ড আবেগের তাড়নায় (combined force of their awesome gravity) দুজনে দুজনাকে ঘিরে নৃত্যরত আজও । এই প্রেমজ ঔরসে জন্ম হচ্ছে আরও হাযার হাযার নক্ষত্র । এদের ভেতরে থাকা বৃহদাকার নক্ষত্রগুলো অনেক আগেই সুপারনোভা হয়ে ঝরে গেছে । নীরব আকাশে এ দুটি গ্যালাক্সির হৃদয়ের এই গল্প পাপারাজ্জিদের মতো তুলে এনেছে নাসার (NASA’s space telescopes) মহাকাশীয় তিন তিনটি টেলিস্কোপ । ছবির নীল রঙ, চন্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরীর তোলা । সুপারনোভা বিষ্ফোরণের ফেলে যাওয়া অক্সিজেন , আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম আর সিলিকন মেশানো মেঘমালার রঙ । হাবল স্পেস টেলিস্কোপ তুলে এনেছে এর সোনালী আর খয়েরী রঙ । স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ ধরেছে তার লাল রঙটি । এই রঙ নতুন জন্ম নেয়া নক্ষত্রদের উত্তাপে উত্তাপে রঙিন হয়ে যাওয়া উষ্ণ গ্যাসের ।
১৯৯৯ থেকে ২০০২ সাল নিয়ে ১১৭ ঘন্টা লেগে থেকে এই তিনটি পাপারাজ্জির তোলা এই অনিন্দ্য সুন্দর ছবিটি শুধু আপনার জন্যেই । তবে কবে যে এরা দুজন একে অন্যের মাঝে বিলীন হয়ে যাবে , জন্ম দেবে অন্ধকারের এক অতল গহ্বর সময়ই তা বলে দেবে । সেদিন কি আপনার কষ্ট হবে খুব !!!

ভবিষ্যতের ছবি আঁকে
কোন বিষন্ন কারিগর এসে !
তবে কি এই পৃথিবীর সব বিজন ঘাস
চাঁপাফুল মাখা এইসব মধুমাস
শেষ হবে রজনী শেষে ?


ছবি : ভবিষ্যতের ছবি । এ্যান্ড্রোমিডা আর ছায়াপথ গ্যালাক্সির যুগলবন্দী । তীব্র আকর্ষনে একে অপরের মাঝে হারিয়ে যেতে নেই মানা ......

কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পান ? যে ধাবমান কাল আমাকে – আপনাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে চলেছে এক দুঃসাহসী ভ্রমনের পথে ?
মহাবিশ্বের এই রূপ-রস-রঙের খেলায় .....মাগো, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফেরে ..... গানটিতে আর কতোদিন মজে থাকবেন আপনি ? আর কতোদিন আপনার জানালায় সূর্য্যের সোনালী আলোর ঝিলিমিলি দেখতে পাবেন ? কতোদিন মায়াবী চাঁদের জ্যোৎস্নায় আপনার প্রিয়তমা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনবেন আপনার কবিতা ?
যা কিছু চাওয়ার , চেয়ে নিন সব । ভালোবেসে নিন সব তুচ্ছ তৃনলতা – মাটির সোঁদা শরীর – আকাশ,বাতাস আর সমুদ্রের ঘ্রান ।
মাত্র পৌনে চার বিলিয়ন বছর । তারপর হয়তো আর কিছু নেই । বলতে হবে – হে বন্ধু ; বিদায়... ।।


হাবল টেলিস্কোপের ধারন করা তথ্য নিয়ে নাসা (NASA) এমন ভয়ঙ্কর এক আকাশের ছবি এঁকেছেন । আপনার আকাশের হৃদয়কে বিদীর্ণ করে দেবে বলে প্রতি সেকেন্ডে ৬৮ মাইল বেগে ছুটে আসা এ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির এই ভালোবাসার রঙ কী মনোহর ! বড় ভালোবাসা যেমন কাছে টানে তেমনি নাকি দূরেও ঠেলে দেয় ! এ ছবি কাছে টানার নয় – দূরে ঠেলে দেয়ার । এ এক ভাঙনের গল্প ।


ছবি : ফটোশপে চিত্রায়িত মহামিলনের গান .....
ভাঙনের আগে মিলন মূহুর্তের এই অপরূপ ভবিষ্যতের ছবিটি আরিজোনার প্রেসকট এলাকা থেকে দুটি ভিন্ন সময়ে ক্যামরায় তোলা ছবি নিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে ফটোশপ -৫ এ তুলে এনেছেন সীন পার্কার ।
মফস্বল শহর প্রেসকটের নির্মল আকাশ থেকে নিজের ১৪ ইঞ্চি টেলিস্কোপিক ক্যামেরায় সীন পার্কার তুলেছেন ছায়াপথ গ্যালাক্সির চিরায়ত ছবিটি । আর ছুটে আসা এ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির ছবিটি আলাদা ভাবে তুলে , দুটোকে মিলিয়ে এঁকেছেন এক অচেনা ভবিষ্যতের পালাচিত্র ।


ছবি : রাতের আকাশে একদিন এ্যান্ড্রোমিডা আর ছায়াপথ গ্যালাক্সির শেষ উষ্ণ চুম্বন ...

চার মিলিয়ন বছর পরে এভাবেই বেজে উঠবে বিরহের বীণ , করুন অস্তরাগে । এ্যান্ড্রোমিডা আর ছায়াপথ গ্যালাক্সি যেদিন পরস্পরের টানে হৃদয়ভাঙার খেলায় মেতে উঠবে ।
সেদিন আপনি আর শোনাবেন না কোনও হৃদয়ের গান । কেউ এসে বলবেনা আর , ভালো আছো তো ...!
শুধু সেই মহা মিলনের দিনটুকু পর্য্যন্ত আপনার মনে হবে .........

খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে
হে বিরাট শিশু আনমনে.........
শূন্য মহা আকাশে
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে
ভাঙিছো গড়িছো নিতি
ক্ষনে ক্ষনে
নিরজনে প্রভু নিরজনে ....

সূত্র : NASA / Wikipedia /
https://annoyzview.wordpress.com/
http://www.universeforfacts.com
http://www.skyimagelab.com/m16eanega.html
http://www.astromax.org/

http://earthsky.org/

http://www.spacetelescope.org/

http://apod.nasa.gov
http://www.nasa.gov/vision/universe/solarsystem/stereo1_prt.htm
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৫ বিকাল ৩:০৯
২১টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কমলা রোদের মাল্টা-১

লিখেছেন রিম সাবরিনা জাহান সরকার, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:১৫



চারিদিক রুক্ষ। মরুভূমি মরুভূমি চেহারা। ক্যাকটাস গাছগুলো দেখিয়ে আদিবা বলেই ফেলল, ‘মনে হচ্ছে যেন সৌদি আরব চলে এসেছি’। শুনে খিক্ করে হেসে ফেললাম। টাইলসের দোকান, বিউটি পার্লার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেপ্টেম্বর ১১ মেমোরিয়াল ও ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-২

লিখেছেন রাবেয়া রাহীম, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:০০



২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় ধসে পড়ে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার খ্যাত বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের গগনচুম্বী দুটি ভবন। এই ঘটনার জের ধরে দুনিয়া জুড়ে ঘটে যায় আরও অনেক অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ২১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯



সুমন অনুরোধ করে বলল, সোনিয়া মা'র জন্য নাস্তা বানাও।
সোনিয়া তেজ দেখিয়ে বলল, আমি তোমার মার জন্য নাস্তা বানাতে পারবো না। আমার ঠেকা পরে নাই। তোমার মা-বাবা আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চন্দ্রাবতী

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪১


চন্দ্রাবতী অনেক তো হলো পেঁয়াজ পান্তা খাওয়া........
এবার তাহলে এসো জলে দেই ডুব ।
দুষ্টু স্রোতে আব্রু হারালো যৌবন।
চকমকি পাথর তোমার ভালোবাসা ।
রক্তমাখা ললাট তোমার বিমূর্ত চিত্র ,
আমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুই নোবেল বিজয়ী নিজ দেশে রাজনৈতিক কুৎসার শিকার

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

সুয়েডীয় বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালে করে যাওয়া একটি উইলের মর্মানুসারে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সফল এবং অনন্য সাধারণ গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

×