আবেগ তখনই সত্যভাবে আসে যখন সে ঘটনার বিষয়াদি অনেক সুক্ষ্ম ভাবে বুঝতে পারে এবং সেই ঘটনায় জডিত ব্যাক্তি বা নেতার বা সকলের আবেগ যথাযথ হয়। বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষন, নজরুলের কবিতা ও পৃথিবী বিখ্যাত লেখকদের লিখনী পড়লে সেই বাস্তবতা সহজেই বুঝা যায়। প্রেমিক যুগলের আবেগ অনূভুতি বা ভাবাবেগ একে অন্যকে যেভাবে বুঝবে তৃতীয় কেউ সে রকম বুঝবে না। আমাদের মহাবীর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দীর্ঘকাল হানাদার পাকিস্তানীদের সাথে রাজনীতি করেছেন এবং পাশাপাশি তিনি এদেশের নাগরিক হয়ে এবং এ বাংলার নেতা হয়ে এদেশের মানুষের উপর পাকিস্তানী শাসক গোষ্টীর বৈষম্য মূলক হিংস্র মনোভাব বা কার্যক্রম অনেক কাছে থেকেই তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। ধানা বাধতে বাধতে অশান্তি যন্ত্রণা যখন চরম পরযায়ে গিয়েছিল তখনই তিনি ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষন জাতির কাছে তুলে ধরেছিলেন ।এটি কোন লিখিত বক্তব্য নয় এটি ছিল ঊনার দীরঘকাল ধরে জমানো ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এবং পাশাপাশি এ ক্ষোভ প্রশমনের বা স্বাধিকার বা স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধাংদেহী পরিকল্পনা যেভাবে তিনি তুলে ধরেছিলেন তা শুধুমাত্র তাঁর মধ্যে সৃষ্ট সত্য আবেগের কারণেই। সমন্বিত সত্য আবেগের জয় অবধারিত। একদিন না একদিন হবেই তা আটকিয়ে রাখা যায় না। তাই আমরা জয় পেয়েছিলাম। অপরিসীম কৃতজ্ঞতা জানাই এবং শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেই অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কে। আজ সত্য মন সত্য আবেগঘন মানুষের যথেষ্ট অভাব। ঘটনা বিদ্যমান থাকলেও সেরকম সত্য ভাবাবেগ অনুধাবনকারী নেতা, কবি ও বুদ্ধিজীবীর যথেষ্ট অভাব। আজকের নেতা, কবি ও বুদ্ধিজীবীগণ সত্য নিয়ে বিভক্ত তাঁরা সত্য অনুধাবন না করে লেজুড ভিত্তিক হয়ে গেছে ! যে কারণে প্রশংসা পাওয়ার মত সত্য নেতা খুঁজে পাওয়া বমুশকিল।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৩:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





