

মানবতার অসহায়ত্বের সহয়তা প্রদানের কোন বর্ডার থাকতে পারে না। যেখানেই মানবতার নির্যাতন ও কষ্ট দেখবেন সেখানেই আপনাকে সহয়তা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। মানবতার সহয়তায় যেমন প্রশান্তি ঠিক তেমনি নির্যাতন বা পশুত্বের শাস্তি দুনিয়াতেও যেমন হবে আখেরাতেও অবধারিত।
বংগবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা জাতির নির্যাতিত মানবতার পাশে বিশেষ করে লক্ষ লক্ষ শিশুর পাশে যেভাবে দাড়িয়েছেন তা মহান আল্লাহর দরবারের বিচারে মহা শান্তির এবং বড় পুরস্কারের। এ পুরস্কার তিনি দুনিয়াতে যেমন পাবেন আখেরাতেও পাবেন বলে মনে করি। আমার দেখার বা যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল এ সকল অসহায় মানবতার পাশে একদিন যাওয়ার। দেখেছি শুনেছি কি মহাযন্ত্রনার! হাজার হাজার শিশু মা বাবা হারিয়ে দেশ পেরিয়ে ভিন দেশের পথে ঘাটে অভূক্ত অসুস্থ অবস্থায় কাঁদছে! হৃদয় বিদারকের আর কোন বিশেষন শব্দ আমার জানা নেই তা বুঝানোর। আর তাঁদের যিনি জায়গা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি হলেন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন থেকেই এই সহয়তা দেওয়ার মহানুভব মনের জন্য ঊনাকে হাজার বার ধন্যবাদ দিয়েও শেষ হবে না। তিনি যা করেছেন লক্ষ লক্ষ রুহের সওয়াব তিনি যেমন কামিয়েছেন তেমনি আমরা বাংলাদেশীরাও তার অংশীদার। মহান আল্লাহ আমাদের দেশকে অবশ্যই এর উত্তম প্রতিদান দিবেন। আর প্রতিদান যে অবধারিতভাবে এ দেশের জনগন পাবে এতে কোন সন্দেহ নেই।শুধু বলব অসহায়ের সহয়তা দিন পুরস্কার আছেই!




জয়বংলা! জয় হোক অসহায় মানবতার এবং বাংলার মেহনতি জনতার! জয় এ বিশ্বের মানবতা প্রেমিক জননেত্রী শেখ হাসিনা! জয় আপনার হবেই! ভাল থাকুন! আল্লাহ হাফেজ!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




