somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

-গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি!-

২০ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দেশের উচ্চ আদালত নিয়ে এতো বাগাড়ম্বর করার পরেও যখন সরকারী দলের নেতা/পাতি নেতা/সিকি নেতারা বলেন, আদালতের হাত এতো বড় হয়নি যে, সংসদদের ছুঁতে পারে! আবার সেই নেতাই বলেছেন-আমরা সত্যি বলবো আমাদের বাক স্বাধীনতা আদালত বন্ধ করতে পারবে না! আবার আমাদের অর্থমন্ত্রী মহোদয়ও বলেছেন-যতবার আদালত সংশোধনী বাতিল করবে তারা ততবারই আইন পাশ করবেন। কেউ একজন বলেছেন, এই রায় নাকি প্যানড্রাইভ রায়! আরো ভয়ংকর যতসব কথা বার্তা।

এখন প্রশ্ন হলো: উচ্চ আদালতকে সংবিধানে গণমানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে কিন্তু কোনো ব্যক্তি বিশেষ কিংবা রাজনৈতিক দলকে তা করা হয়নি শর্তেও কিভাবে আদালতের সম্মান নষ্ট হওয়া সত্ত্বেও তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি?

অথচো সামান্য কারণে যেখানে আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর দুটি পত্রিকার ব্যাপারে ২০০শত কোটি টাকার মানহানির মামলা করবেন বলে ধ্যান করেছেন। অন্যদিকে একজন সাংবাদিককে ছাগল মরা খবর ফেসবুকে প্রচার করার দায়ে ৩দিনের জন্য জেলে যেতে হয়েছিলো? তাহলে জানতে চাই- ‘বাক স্বাধীনতা’ কি বিভিন্ন ব্যক্তির জন্য বিভিন্ন রকম হয়!!!?

সরকারী দলের অনুসারীরা যাচ্চেতাই বললে সম্মান নষ্ট হয়না এবং তাদের ব্যাপারে কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো পদক্ষেপও গ্রহণ করতে পারেন না বরং ভিন্ন মতালম্বীদের মধ্যে থেকে কেউ কিছু বললে কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই জেল-জরিমানা। এটা তো ‘বাক-স্বাধীনতা’ হতে পারে না।

আইন এক দেশে দুই ব্যক্তির জন্য দুই রকম কখনোই হতে পারে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনের সঠিক প্রয়োগ কামনা করছি। অপরাধী তিনি যে কিংবা যারাই হোক না কেনো। আইন যেনো তাদের (অপরাধীর) মুখের দিকে না চেয়ে সংবিধানে উল্লেখিত আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাহলেই হয়তো দেশ কিংবা জাতি খুঁজে পেতে পারে কাঙ্খিত গণতন্ত্র। যেখানে সবাই সমান সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৫
৮টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ দহনবেলার কহন কথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:১৫




বুকের অভিমান, ক্ষত লুকিয়েছি মনে


নিঝুম রাতের সঙ্গী তারা গভীর গোপনে।


অচেনা নক্ষত্র জ্বলে নেভে দুরে একাকী 


বিচ্ছিন্নতার উপমা হিসেবে নিজেকেই রাখি। 


আসমুদ্রহিমাচল জ্বালা বুকে তবু দায়িত্ববান 


হাজার দহনে পুড়ে খাঁটি শিখা অনির্বাণ।


© রফিকুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের টিভি তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭




ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×