
এখানে প্রধান বিচারপতি যে পাবলিক পারসেপশন তোয়াক্কা না করেই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তা কোনো ভাবেই সঠিক নয়। কারণ পাবলিক পারসেপশনের বাহিরে আদালত নয়। আদালত পাবলিক পারসেপশনের ভিত্তিতেই কাজ করে। আমরা বিগত দিনে তাকালে দেখতে পাবো- শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের সৃষ্টি পারসেপশনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের একটি রায়কে পরিবর্তনের জন্য রাতারাতি আইনও পাশ করতে হয়েছিলো। যার ফলে ঐ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির যাবৎজীবন কারাদন্ড শেষ পর্যন্ত ফাঁসিতে কার্যকর করা হলো!
এখন আজকের প্রধান বিচারপতি বলবেন কি, সেটা কি তাহলে আইনি বিধানের বাধ্যবাধকতা ছিলো নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিলো?! আজকের প্রধান বিচারপতি এই কথা বলে সংবিধান তথা দেশের প্রচলিত আইনের ব্যতয় ঘটিয়ে দিলেন। এবং আসামী পক্ষের কোনো বক্তব্য না শোনেই এক তরফা ভাবে সিদ্ধান্ত দিলেন যা আদালতের কালো অধ্যায় বলে ধরে নিতে পারি। কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে এরকম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আর কোনো প্রধান বিচারপতি দিয়েছিলেন কিনা জানা নাই। যার ফলে তিনি আর সংবিধান মোতাবেক আইনের রক্ষক থাকতে পারেন না বলে আমার কাছে মনে হয়।
অতএব, আজকের পর থেকে তিনি এক রকম দালাল পরিচয়ে আমাদের কাছে পরিচিত হয়ে থাকবেন।
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুনঃ ০১। আদালতেই প্রধান বিচারপতিকে দালাল বললেন খালেদার আইনজীবীরা এবং
০২। প্রধান বিচারপতির একতরফা শুনানি, পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



