৪৭ বছর এর পুরানো রেকর্ড বাজিয়ে এতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ নির্বাচনী বৈতরনী পার করতে মরিয়া। আওয়ামী লীগ সেই ১৯৭১ সালের একটি ভাষনকে কাজে লাগিয়ে আজকে রেসকোর্স ময়দানে লক্ষাধিক লোকের উপস্থিতির স্বপ্ন দেখছে। আওয়ামী লীগ কোন বিরোধি দল দেশে রাখতে চাইছে না। আওয়ামী লীগের দাবী অনুযায়ী দেশে যেহেতু কোন বিরোধী দল নেই। থাকলেও তারা কেন্দ্রিয় কার্যালয়েও তাদের দাড়াঁতে দেয় না। সেই হিসেবে অাজকের সমাবেশ এর পরিধি শাহবাগ হয়ে আশুলিয়া পর্যন্ত আর পল্টন ময়দান হয়ে নারায়নগঞ্জ পর্যন্ত না হলে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ। অত বড় সমাবেশ করতে না পারলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যেতে পারবে না। পাড়ায় মহল্লায় অফিস আদালতে সর্বত্র প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে সমাবেশে হাজির হওয়ার জন্য। দীর্ঘদিন যাবৎ প্রচারনা চালিয়েছে। সারা রাত মাইক বাজিয়ে প্রচারনা চালিয়েছে। ৭ কোটি মানুষ ৭ই মার্চের সমাবেশে ছিল । সেই হিসেবে আজকের সমাবেশে ১৭ কোটি লোক উপস্থিত থাকার কথা। ১৭ কোটি লোক ঢাকা শহড়ে যদিও জায়গা হবে কিনা সন্দেহ। যে চেতনা জাগানোর চেষ্টা করছে বর্তমান আওয়ামী লীগ। সেই চেতনা মানুষ আমলে নিচ্ছে কিনা সেটা বুঝা যাবে আজকে অন্তত ১০ কোটি মানুষ আনতে পারছে কিনা ? আজকের সমাবেশে অনেক মানুষ প্রমোশনের আশায়,অনেকে অত্যাচার থেকে বাঁচার,মামলা থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য সহ অনেক কারনে যোগদান করবেন। মোট কথা কেউ ক্ষতিগ্রন্থ হবেন না,আজকের সমাবেশে যোগ দিলে ,কেউ তাদের বাধা দিবে না,বরং বিরানীর প্যাকেটও অনেকে পেতে পারেন। সুতারং পাকিস্থানের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষো করে যদি ৭ কোটি মানুষ ১৯৭১ সালে হতে পারে,তাহলে তাদের হিসেব অনুযায়ী আজকে কেন ১০ কোটি মানুষ জড়ো করতে পারবেন না। তা না হলে বুঝতে হবে বর্তমান সরকারকে মানুষ পছন্দ করছে না। তাদের বাজানো বাশি মানুষ কষ্ঠ করে শুনছে। সুযোগ পেলেই ব্যালেট এর মাধ্যমে তা বুঝিয়ে দেবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



