অসুখটা আসলে কোথায়? আজ একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। যদি বিচার হতো, এসিড সন্ত্রাসের মতো কমে যেত ধর্ষণের ঘটনা ও। এখন পর্যন্ত কি একটা ধর্ষণের ঘটনার আশানুরুপ বিচার হয়েছে? প্রত্যেকটা ধর্ষণের পিছনে এই উদাসীনতাই দায়ী। আজ যদি এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দন্ড হয়,ধর্ষণের শাস্তি কেন মৃত্যু দন্ড হবে না? আসিড ঝলসে দেয় শরীর কে, একজন ধর্ষিতা নারীর ঝলসে যায় শরীর এবং মন দুটোই। মনের ক্ষত হয়তো শরীরের ক্ষতের মতো দেখা যায় না, কিন্তু সারাটা জীবন এই ক্ষত বয়ে বেড়াতে হয়. আর একটা ধর্ষণ মানে শুধু একটা মেয়েকেই ধর্ষণ নয়, পুরো একটা পরিবারকে ধর্ষণ। আজব এক দেশ,আজব এক সমাজ ব্যবস্থা, যেখানে ধর্ষিতা এবং তার পরিবারকে অনেক অপমানের বুঝা মাথায় নিয়ে মাথা নিচু করে চলতে হয়, সেখানে ধর্ষকেরা বীরের মতো বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করে...
রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে ধর্ষিত হয়েছে একজন পেশাজীবি তরুনী । জোর করে তুলে নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের এই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে পাঁচ নরপশু। আসুন আমরা সবাই প্রতিবাদ করি, আমরা আজ সকলে এই দাবী করি, ''ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হউক মৃত্যুদন্ড''

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



