somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের সূত্রটা আমি মূল্যস্ফীতিতে বসিয়ে দেখলাম, হঠাৎ সব পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। পাশাপাশি জাতির শিক্ষা দীক্ষার মান পুরো বিষয়টা বুঝতে সহায়তা করেছে।

মূল্যস্ফীতি বুঝতে না পারার রহস্য: শীত ও শিক্ষার প্রভাব
আমার দৃষ্টিতে মূল্যস্ফীতি বুঝতে না পারার প্রধান কারণ হলো, এই ক্ষেত্রে পুরো বারো মাস জুড়ে আামাদের দেশে কেবল এক ঋতুর প্রভাব থাকে । আর সেটা হলো শীত। শীতকালে প্রায়ই দেখা যায় অনেকের নাক বন্ধ হয়ে থাকে , কান বন্ধ হয়ে যায়, ঠান্ডা লাগে। তখন সে সঠিক ভাবে শব্দ শুনতে পায় না, নাকে গন্ধও পায় না। ঠিক একই কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে নাকি কমছে, আমরা টের পাই না। আমাদের সংবেদনশীলতা কমে গেছে। তবে শুধু সংবেদনশীলতা কমে গেলেই তো আর পুরো বিষয়টা ব্যাখ্যা করা যায় না। এখানে আমাদের শিক্ষা দীক্ষার মানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ।

দ্বিতীয় কারণ হলো, আমাদের দেশের মানুষের যত বিদ্যা আছে প্রায় পুরোটাই পুঁথিগত বিদ্যা। তাই সে মূল্যস্ফীতির সঠিক হিসাবটা বুঝতে পারে না। দাম কখন বাড়ছে বা কমছে, সেটা মূল্যস্ফীতি দেখে তার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। কলুর বলদের মতো সে কেবল দিনভর খেটে যাবে। আয় করবে, খরচ করবে। দেশের শিক্ষা কেবল তাকে এই কথাই শিখিয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ে যখন সে টিভিতে সংবাদ দেখতে পাবে তখন কেবল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলবে আর মনে মনে বলবে, আমি তো গতকালও বাজার করলাম, টের পেলাম না কেন?

নতুন সরকার, রেপো রেট এবং পরিসংখ্যানের মারপ্যাঁচ
দেশে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তারা মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য নানা ধরনের টুলস ব্যবহার করছে। মূল্যস্ফীতি সত্যিই কমছে কিনা বুঝতে পারছি না। তবে অনেক মানুষ রেপো রেট বেশি হওয়ার কারণে ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারছে না। এর ফলে ব্যবসায় চলছে স্থবিরতা। রেপো রেট বাড়ানোর একটা দৃশ্যমান প্রভাব তো দেখানো দরকার। সরকার যে সফল, সেটা বোঝানোর জন্য বাজারে ছড়ানো হলো, জুলাই মাস থেকে মূল্যস্ফীতি কমে আসছে।

গাণিতিক হিসাবের কারণে মূল্যস্ফীতি শতাংশ কম বা বেশি দেখায়। ধরুন, ২০২৪ সালে একটা পণ্যের দাম ছিল ১০০ টাকা। ২০২৫ সালে বিদ্যুতের দাম বাড়ার পর সেই পণ্য এক লাফে ১৪০ টাকা হলো, মানে ৪০ শতাংশ বাড়লো। ২০২৬ সালে ভ্যাট ও নতুন খরচ যুক্ত হয়ে সেই পণ্য হলো ১৫০ টাকা। এখানে খেয়াল করুন, জিনিসটার দাম কমেনি, আপনার পকেট থেকে বরং আরও ১০ টাকা গেছে।

কিন্তু শতাংশের হিসাবে ২০২৫ সালের ৪০ শতাংশের তুলনায় ২০২৬ সালের বৃদ্ধি মাত্র ৭.১৪ শতাংশ। বিবিএস তখন বলবে মূল্যস্ফীতি কমেছে। অথচ বাজারে খরচ দিন দিন বাড়ছেই। যত গোলমাল এখানেই। বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ মনে করেন মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ হলো জিনিসপত্রের দাম কমছে। আসলে কমছে দাম বৃদ্ধির হার। দুটো পুরোপুরি আলাদা বিষয়।

২০২৬ সালের মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান ও বাস্তব চিত্র
এখন আসি ২০২৬ সালের মূল্যস্ফীতির কথায়। জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৩২ শতাংশ, ২০২৫ সালে যা ছিল ৮.৫৫ শতাংশ। কমেছে ০.২৩ শতাংশ। আগস্টে ২০২৬ সালে ছিল ৮.২৬ শতাংশ, আগের বছরের আগস্টে ছিল ৮.২৯ শতাংশ। কমেছে ০.০৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮.৩৪ শতাংশ, কিন্তু ২০২৫ সালে ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরের হিসাবে এখনো কমছে, প্রায় ০.০২ শতাংশ।

নতুন অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে, এটা কেউ টের পেয়েছে ? পায়নি। কারণ শীতের প্রভাবে বাঙালির সংবেদনশীলতা কমে গেছে। অথচ সবাই টের পেয়েছে বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে প্রতিটি পণ্যের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি যে সামান্য বেড়েছে, এটাও অনেকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। সামান্য শব্দটা বাংলাদেশের মানুষের অভিধান থেকে হারিয়ে গেছে। এখানে দাম বাড়ে দ্বিগুণ হারে। তাই সামান্য মূল্যস্ফীতি বাড়লে কেউ তার প্রভাব বোঝে না।

৭৪৯টি পণ্যের হিসাব এবং সাধারণ মানুষের বাস্তবতা
মূল্যস্ফীতি কয়টা পণ্যের দামের উপর হিসাব করে বাড়ানো বা কমানো হয় অনেকেই জানেন না। এই কম জানার একটা সুবিধা হলো সরকারকে বিব্রত হতে হয় না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মূল্যস্ফীতি বা সিপিআই হিসাব করতে মোট ৭৪৯টি পণ্য ও সেবা ব্যবহার করে। এর মধ্যে ২৪২টি খাদ্যপণ্য আর ৫০৭টি খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবা। এই বিশাল তালিকা মূলত আটটি প্রধান গ্রুপে ভাগ করা।

প্রথম গ্রুপে আছে খাদ্য, পানীয় ও তামাক, যেমন চাল, সয়াবিন তেল, আটা, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, পেঁয়াজ, চিনি। দ্বিতীয় গ্রুপে পোশাক ও জুতা। তৃতীয়তে বাসস্থান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, যেখানে ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল আর এলপিজি সিলিন্ডারও আছে। চতুর্থ গ্রুপে আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী। পঞ্চমে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা। ষষ্ঠে পরিবহন ও যোগাযোগ। সপ্তমে বিনোদন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি। অষ্টমে বাকি সবকিছু, যেমন চুল কাটার খরচ আর প্রসাধন সামগ্রী। যারা প্রতিদিন বাজার সদাই করেন, তাদের কাছে এই পণ্যের ক্যাটাগরি দেখে কি মনে হবে যে একটা পণ্যের দাম বৃদ্ধির হার কমেছে?

বর্তমানে দেশে তিনটা পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে যাচ্ছে। সয়াবিন তেল, এলপিজি গ্যাস আর পোলাও চাল। গত বছর এই সময়ে ১২.৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ছিল ১৩০০ টাকার মতো, আর বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। এখন গত তিন মাসে সরকার নির্ধারিত দাম ছিল ১৫০০ থেকে ১৯০০ টাকা, আর বাজারে বিক্রি হয়েছে ২০০০ থেকে ২৪০০ টাকায়। এরপর পোলাও চাল। গত বছর এই সময়ে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, এখন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা। সয়াবিন তেলের দাম গত বছরই বেশি ছিল, লিটারপ্রতি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, আর এখন ২০৫ থেকে ২১০ টাকা। তবু পরিসংখ্যান ব্যুরো দেখাবে মূল্যস্ফীতি কমছে। কারণ তাদের হাতে আছে ম্যাজিক।

ডেটা সংগ্রহের গলদ, ওয়েটেজ ও বেজ ইফেক্টের মারপ্যাঁচ
অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকারি তথ্যের সঙ্গে বাস্তব বাজারের এই বিশাল অমিলের পেছনে তিনটা মূল কারণ আছে। প্রথম কারণ ডেটা সংগ্রহের গলদ। বিবিএস অনেক সময় সরকারি বা নির্ধারিত দর হিসাব করে। যেমন সয়াবিন তেলের বোতলে সরকার যে রেট বেঁধে দেয়, কাগজে-কলমে তারা সেটাই ধরে। কিন্তু দোকানে গেলে দেখা যায় সরবরাহ সংকটের কথা বলে দোকানিরা ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি রাখছেন। পুরোনো পদ্ধতির কারণে মাঠপর্যায়ের আসল দাম রিপোর্টে আসে না।

দ্বিতীয় কারণ ওয়েটেজ। বিবিএস ৭৪৯টা পণ্যকে সমান গুরুত্ব দেয় না। সাধারণ মানুষের মাসিক বাজেটে খাতাকলম, ওষুধ, সাবান বা যাতায়াত ভাড়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু সরকারি সূচকে হয়তো এমন কিছু পণ্যের দাম কম বা স্থিতিশীল দেখানো হয়, যেগুলোর ওয়েট বেশি ধরায় সাবান বা খাতাকলমের তীব্র মূল্যবৃদ্ধি ঢাকা পড়ে যায়।

তৃতীয় কারণ বেজ ইফেক্ট, মানে সেই গাণিতিক খেলা। মূল্যস্ফীতি কম বা বেশি হওয়া মানে দাম কম বা বেশি হওয়া নয়। ধরুন, ২০২৪ সালে সাবানের দাম ছিল ৬০ টাকা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সেটা হলো ১০০ টাকা, বৃদ্ধি প্রায় ৬৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে হলো ১০৫ টাকা। সাবানের দাম কমেনি, বরং ৫ টাকা বেড়েছে। কিন্তু শতাংশের হিসাবে ৬৬ শতাংশের তুলনায় বৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশ। সরকারি রিপোর্টে বলা হবে মূল্যস্ফীতি কমেছে, অথচ আপনার পকেট থেকে ঠিকই ৫ টাকা চলে গেছে। সাধারণ মানুষের কাছে তাই মূল্যস্ফীতির হিসাব সবসময় বিভ্রান্তিকর মনে হয়।ম

আইএমএফের মূল্যায়ন এবং মূল্যস্ফীতির রাজনীতি

বিশ্বের অনেক দেশেই মূল্যস্ফীতির হিসাবকে রাজনৈতিকভাবে একটু ইতিবাচক দেখানোর প্রবণতা থাকে, আর তা নিয়ে বিতর্কও চলে। আইএমএফ দীর্ঘদিন ধরে বিবিএসের ডেটা প্রস্তুতের পদ্ধতি আর স্বচ্ছতা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল। বিশেষ করে সাবেক সরকারের আমলে জিডিপি বা মূল্যস্ফীতির যে ডেটা দেওয়া হতো, তা বাস্তব অর্থনীতির সঙ্গে মিলত না, আর ডেটা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর অভিযোগ ছিল।

দীর্ঘদিন বাংলাদেশ ২০০৫ - ২০০৬ সালের বাজারমূল্যকে ভিত্তি ধরে মূল্যস্ফীতি আর জিডিপি হিসাব করত। ২০০৫ সালের মানুষের খরচের ধরন আর ২০২৬ সালের খরচের ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। ভ্যাট ট্যাক্স বাড়ার পর মানুষের বাজেট পুরো বদলে গেছে। আইএমএফের চাপে সম্প্রতি বিবিএস বেজ ইয়ার বদলে ২০২১ থেকে ২০২২ সাল ধরেছে। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মতে, গত দুই তিন বছরে ভ্যাট আর বিদ্যুতের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে এই ভিত্তিও এখন বাজারের আসল ছবি ধরতে পারছে না।

আইএমএফ তাদের ডেটা অ্যাডেকুয়াসি অ্যাসেসমেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানকে সি গ্রেড দিয়েছে, অর্থাৎ অত্যন্ত দুর্বল ক্যাটাগরিতে রেখেছে। তাদের মতে, জিডিপি আর মূল্যস্ফীতি গণনায় এখনো এমন কিছু পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি চলছে, যা দেশের উৎপাদনের প্রকৃত নেতিবাচক চিত্র আড়াল করে দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রচুর মানুষ চাকরি হারিয়েছেন, কাউকে রেড কার্ড দেখিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাউকে চাকরি হারাতে দেখেনি।

আচ্ছা, ক্ষমতাসীনরা তো জনগণকে তেমন পাত্তা দেয় না। তাহলে প্রতি মাসে মূল্যস্ফীতির রিপোর্ট প্রকাশ করে কেন? কারণ তাদের আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ অনেক দাতা সংস্থার কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তাই নিয়মিত মাসিক ডেটা ম্যানিপুলেটেড হলেও প্রকাশ করতে হয়। আর মিডিয়া এই আবর্জনা সারাদিন প্রচার করে বেড়ায়। এটাই হলো মূল্যস্ফীতির রাজনীতি।

মূল্যস্ফীতি কী, কেন হয়, কীভাবে আপনার পকেট খালি করে- প্রথম আলো ।

Food inflation rises, pushes up overall inflation in September- জাগো নিউজ

ফটোকার্ড ক্রেডিট : টিবিএস স্টান্ডার্ড


সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭


এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

একটা সময় ছিল- শেখ হাসিনার নাম উচ্চারণ করলেই কারও চোখে ক্ষোভ, কারও মনে শ্রদ্ধা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযোদ্ধাদের তরুণ প্রজন্ম পছন্দ করে না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


২০২৫ সালের ডিসেম্বরের কথা। একদিন মিরপুরে গেলাম, যে স্কুলে পড়েছি সেটার কী অবস্থা দেখতে গেলাম। এখনো কয়েকজন শিক্ষক আমাকে চেনেন। পুরাতন জায়গা বলে একটা টানও ছিল। দীর্ঘ প্রায় ১৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার দৃষ্টিতে - 'ব্লগার ওমর খাই-আম' বনাম 'ব্লগার সত্যপথিক শাইয়্যান'

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩২



চ্যাটজিপিটিকে আমার এবং ওমর খাই-আমের ব্লগপেইজের লিংক দিয়ে বলেছিলাম মূল্যায়ন করতে। সে আমাদের রেটিং দিয়েছে এরকম -
সত্যপথিক শাইয়্যানঃ 8.0/10, আর ব্লগার ওমর খাই-আমঃ 7.8/10!!!

বিস্তারিত মূল্যায়ন শেষে সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজগত বিষয়ে আমার গবেষণায় এআই সহায়তা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১





কোন কিছু না থাকা শূন্য অসীম ছিল। কারণ তাতে তাকে সীমা দেওয়ার মত কিছুই ছিল না। সেই শূন্যে কোন কিছু হতে কোন বাধা ছিল না। কে বাধা দিবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিসের রিকন্সিলিয়েশন‼️কার সাথে কে চায় এই রিকন্সিলিয়েশন⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০০



বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে "রিকন্সিলিয়েশন" বা সমঝোতা-ভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে বিতর্কটা অনেক পুরনো, এবং প্রশ্নটা সেই বিতর্কের মূল জায়গায়।

এটা কেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×