somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গনতন্ত্রের অগনতান্ত্রিক চর্চা, কিছু প্রশ্ন?

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সহজ ভাষায় গনতন্ত্র বলতে আমরা বুঝি, সকল ক্ষেত্রেই সমান নাগরিক অধিকার। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে কি তাই হচ্ছে? সেই যুক্তি তর্কে না-ই গেলাম। আমাদের দেশের প্রধান গনতান্ত্রিক দুটি রাজনৈতিক দল তাদের দলের আভ্যন্তরে গনতন্ত্রকে লালন করার জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা বিচার বিশ্লেষণ করলে যে ফলাফল পাওয়া যাবে তাকে আমরা সহজ ভাষায় স্বৈর তান্ত্রিক গনতন্ত্র বলে চালিয়ে দিতে পারি। কি মনে হয়, রাজনৈতিক দুটি দল নেত্রি বা মেডামকে খুশি করা ছাড় কিছু করতে পেরেছে? যাক সে দিকে মন্তব্য না করাই ভাল। আমি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। তবে নাগরিক বলতে আমরা শুধু দেখি হয়ত আওয়ামী লীগ নতুবা বি এন পি বা তাদের অঙ্গ সংঘটনের কমীমহাসয়েরা, সকল কাজে সকল ক্ষেত্রেই যাদের সরব উপস্থিতি। যেখানে কোন কাজ আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব সেখানে আমাদের নাগরিক ভাইয়েরা সাবলীল ভাবে বাড়িতে বসেই মুঠো ফোনের কল্যানে সকল মুসকিল আসান করে দিতে পারছেন। যা এক বিরাট তিলেছমতি কারবার। আর আমারা একটি অংশ (নির্দলীয়) দুদিকের যাতাকলে পিষে মরছি। কেন? তাহলে যে বিশাল জন সমষ্টি যারা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় তাদের স্বার্থ দেখার দায়িত্ব কার?
সরকারের? যদি সরকারের হয় তাহলে আজ পর্যন্ত কী কোন সরকার দলীয় তাদের দলীয় সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠতে পেরেছে?
আমার প্রশ্নটা সরল। দেশের প্রতিটি ব্যক্তিই দেশের গনতন্ত্রের অংশ, তা সে যে কোন দলেরই হোক না কেন। সরকারের উচিত দেশের সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়িত্ব পালন করা। ঠিক বিরোধী দলের ও তাই কর্তব্য। বস্তুত কেউই এর ধারে কাছেও নেই। আরে দেশ প্রেমের বুলি আওরে দেশের মানুষকেই যদি ভালবাসতে না পারলেন, তা হলে এ কেমন দেশ প্রেম? দলীয় কর্মীদের প্রীতিকে যদি দেশের মানুষের প্রতি প্রেম বলা হয় তাহলে অবশ্য আমার কথাটি ভুলই বিবেচিত হবে। তাই সকলের প্রতি (যারা আমার মত নির্দলীয় নাগরিক) অনুরুধ সর্ব অবস্থায় চুপ করে থাকুন। কারন বোবার কোন শত্রু নেই। আর সত্য যদি বলেনই তবে এক পক্ষ বলবে বিরোধী দলিয় কর্মী অথবা অন্য পক্ষ বলবে বেটা নিশ্চই সরকার পক্ষের লোক। কি মনে হয়?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×