একটি বাস্তব-ধর্মী সিনেমা। কলেজ অথবা ভার্সিটি লাইফ থেকে প্রফেশনাল লাইফ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া মুহূর্ত গুলোর প্রতিফলন এই সিনেমাটি। আশা করি যারা এই লেভেলে পড়াশুনা করছেন অথবা শেষ করে প্রফেশনাল লাইফে আছেন তারা সিনেমাটির সাথে ভালো ভাবে কানেক্ট হতে পারেবন।


সিনেমাটি দেখার সময় স্মৃতি কাতর ও হতে পারেন। বন্ধুদের সাথে খুনসুটি, আড্ডাবাজি এগোল খুব মিস করবেন।
সিনেমাতে এক দিকে যেমন পড়াশুনা চলা কালিন বন্ধুদের সাথে কাটানো আনন্দের সময় গুলোর ভালো ভাবে বর্ণনা দেয়া আছে ,তেমনি আছে গ্রেজুয়েশন শেষ হওয়ার পরের কঠিন বাস্তবতার গল্প।
মুভিতে গল্প মূলত দুজন কে ঘিরে। ধনী পরিবারের একমাত্র ছেলে সিদ্দার্থ মেহরা(ডাকনাম-সিড)। বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে বেশ মজার সময় পার করছেন। ড্যাম কেয়ার চলাফেরা। নো এমভিশন। নেই কোন ভবিষ্যতের চিন্তা। তো কলেজের শেষ সেমিস্টারের পার্টি তে দেখা হয় কলকাতা থেকে সদ্য মুম্বাই আসা ” আয়েশা বেনার্জি” এর সাথে। আয়েশা অনেক বাস্তব ধর্মী ও যথেষ্ট পরিণত মেয়ে। অন্যদিকে সিড তার পুরোটাই উল্টো। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। ধীরে ধীরে গল্প সামনে অগ্রসর হতে থাকে।

আসলে সিনেমাটি এক কথায় প্রেরণা মুলক গল্প। সিনেমাটিতে আছে বন্ধুত্বের মান-অভিমান, মা-বাবার আগলে রাখার ভালোবাসা গল্প। সিনেমাটি ক্রিটিকস ও কমার্শিয়াল ভাবে সফল। গল্প,অভিনয় আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
বলিউড সম্পর্কে অল্প ধারণা থাকলেও আশা করি কাস্টিং দেখে সিনেমাটি দেখতে আগ্রহী হবেন।
রনভির কাপুর,কংগনা সেন শর্মা,অনুপম খের, সুপ্রিয়া পাঠক। রনবির কাপুর এই সিনামার জন্য “ফিল্মফেয়ার ক্রিটিকস এ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট এক্টর” ক্যাটাগরিতে জয় লাভ করেন।
পরিচালনা করেছেন তরুন পরিচালক অয়ন মুখার্জি। তিনি এই সিনেমাটির জন্য ফিল্মফেয়ার বেস্ট ডেবিউ পরিচালকের পুরষ্কার পান।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




