হলিউডের সিনেমায় চারিদিকে যখন অশ্লীলতা আর হিংস্রতার অগ্রাসন চলছিল, তখনি ২০১২ সালে মুক্তি পায় “দ্যা ডিক্টেটর” নামক এই সামাজিক ও অনুপ্রেরণামূলক সিনেমাটি। সিনেমাটিতে সমাজের সমসাময়িক অনেক অসংগতিসহ দেখানো হয়েছে বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কাজকর্ম।

আর এই উন্নয়নমূলক কাজের পথিকৃৎ, ওয়াদিয়ার “এডমিলার জেনারেল আলাদিন”! যে কিনা ছোটবেলা থেকেই বিনয়ী, ন্যায়পরায়ণ, সংস্কৃতিমনা (ওয়াদিয়ার “নতুর কুঁড়ি” তে ২য় স্থান অর্জন) ও পরোপকারী ছিলেন।
জেনারেল আলাদিন যে বিষয় গুলোর প্রতি সমর্থন ও জোর দিয়েছেনঃ
১। শিক্ষার মান বাড়াতে ডিকশনারিতে নতুন নতুন শব্দের যোগদান।
২। নিউক্লিয়ার অস্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্কমুলক সেমিনার।
৩। নারীশিক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আন্তরিক আহবান।
৪। একনায়কতন্ত্র শাসনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রচারনা এবং ঈদ ও পূজায় দলমত–নির্বিশেষে কোলাকোলির লাইসেন্স প্রদান।
৫। খেলাধুলার উন্নতির লক্ষে অলিম্পিকের প্রচারণা ও নিরপেক্ষ অলিম্পিক কমিটি গঠন।

৬। অ্যামেরিকার সাথে শান্তিচুক্তি ও বিশ্ব শান্তির প্রতি একনিস্ট সমর্থন।
৭। মরণব্যাধি “এইডস” সচেতনায় ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ।
৮। সংসদ অধিবেশনে “প্রেম মানে না ধর্ম, বয়স ও গোত্র” এবং “ছেলে মেয়ে সমান অধিকার” এই দুই নতুন আইন পাশ।
উপরিক্ত বিষয় গুলো ছাড়াও সিনেমাতে অনেক আবেগময় দৃশ্য রয়েছে। অনেক দর্শকের দাবী,সিনেমার এক দৃশ্যে নায়িকা নায়ককে “ওগো” বলে সম্বোধন করে,যা দেখে অনেক দর্শক আবেগে টিস্যু না পেয়ে দুহাত দিয়ে চোখের জল মুছতে থাকে।
আর অনেক নিন্দুকের এই শিক্ষামূলক সিনেমার নামে অপপ্রচার চালানো দেখে সিনেমার পরিচালক বজ্রকন্ঠে “আই ডোন্ট কেয়ার” বানীতে প্রতিবাদ করেন।
সুতরাং দেরী না করে আজই দেখে ফেলুন শিক্ষামূলক এই সিনেমাটি!
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



