যে তরুণেরা এই কাজে লিপ্ত ছিল তারা কারা??
অনুমান করতে পারেন তাদের দু:সাহসের মাত্রা??
প্রকাশ্য দিবালোকে নারীর বস্ত্রহরণ!!!
মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে শত শত মানুষ ও
কতিপয় পুলিশের সামনে। আর তারা নিরব দর্শকের
ভূমিকায় অবতীর্ণ!
এক শ্রেণী সেই হয়রানির শিকার তরুনীদের দোষ
খুঁজে বের করতে উদগ্রীব থাকবে! এটা তাদের
অভ্যাস, তাই এমন উৎসবের দিনে সেজে বের
হলো কেন তা নিয়ে রসালো আলোচনা চলবে!!
আগামীতে পহেলা বৈশাখে হয়ত অনেক পরিবার
থেকে নারীদের এমন উৎসবে যোগদান করার উপর
নিষেধাজ্ঞা জারী করা হবে।
যারা এমন কাজের সাথে যুক্ত ছিল তার কোন
পুরুষের পশ্চাৎদেশ দিয়ে জন্মগ্রহণ করেনি।
নারীগর্ভ থেকেই জন্মলাভ করে তাদের মায়ের
জাতকে এভাবে রাস্তায় অপদস্ত করে ফেলছে!!
আর ওদিকে আমরা চেয়ে চেয়ে দেখচ্ছি। এ দৃশ্য
দেখে আশেপাশের জনতা কি অনুভূতি পেল??
প্রতিবাদ না করার কারন কি??
আমাদের মহান পুলিশ ভাইরাও কেমন যেন! মাঝে
মাঝে দেখা যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্দানে তারা খুব
দায়িত্বের সাথে সবাইকে বের করে দিচ্ছেন। কারও
কাছে গাঁজা পেলে হেনস্তা করছেন, অথচ তাদের
সামনে কাউকে কুপিয়ে মারলে অথবা কোন নারীর
বস্ত্রহরণ করলে তারা নিশ্চুপ! এ কেমন
দায়িত্বপালন?? নাকি উত্যক্তকারী চিহ্নিত
ক্ষমতাশালী?? আমার জানতে ইচ্ছে হয় তাদের
নিশ্চুপ থাকার কারন। কেননা খুব সামান্য বিষয়ে
তাদের মাথানষ্ট আচরণ আর এমন জঘন্যতম কিছু
দেখেও কেন তারা পাথরের মূর্তিরর মত আচরণ
করবে???
আমাদের দেশে এতজন ক্ষমতাশালী নারী ক্ষমতা
প্রয়োগ করে চলেছেন আরও ক্ষমতা লাভের
আশায়। সেটা না করে আপনারা এবার নারী-মুক্তি
নিয়ে ভাবুন। কি করলে আমাদের দেশের অধিক-
যৌন তাড়নাসমৃদ্ধ পুরুষজাতি মানুষ হবে??
শিক্ষামন্ত্রী ভেবে দেখুন কিভাবে পাঠ্যক্রম
সাজিয়ে দিলে ছেলেদের প্রকৃত কোন শিক্ষা লাভ
হবে। যেখানে সে বড় হয়ে নিজেকে পুরুষ না ভেবে
মানুষ ভাবতে শিখবে। আর সরকারের উচিত
যাবতীয় পর্ণ সাইট বন্ধ করে দেয়া। নৈতিক
মূল্যবোধ জাগ্রত হয় এমন বিষয় শৈশব থেকেই
ছেলেমেয়েদের চর্চায় থাকা উচিত।
আর এই বৈশাখে হয়ত অনেক জায়গাতেই এমন
জঘন্য কাজ হয়েছে যার মধ্যে এই একটা আমরা
জানলাম। তবে যেটা জানলাম সেটার বিচার হওয়া
চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


