somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[is=0033PP] | | c

২৫ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশ সুপার এইটে উঠে গেলো ।
সুপার এইটে উঠলে কি হয়? ক্ষুধা দারিদ্্র কমে? সুশাসন নিশ্চিত হয়? ঘাতক দালালের বিচার হয়? কিছুই হয়না । তবু এক অদ্ভূত ব্যখ্যাহীন আবেগে চিৎকার করে উঠি-- [গাঢ়] জয় বাংলা [/গাঢ়]

এই সেই দিন যেদিন শুরু বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রক্তাক্ত জন্ম যুদ্ধ । কয়েক হাজার বছরের পরাধীন বাংগালীর স্বাধীনতার সংগ্রাম?
স্বাধীন হয়ে কি হয়? কি হয়েছে? ক্ষুধা-দারিদ্্র কমেছে? মানুষে মানুষে বৈষম্য কমেছে? সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে? কিছুই হয়নি । তবু আজকের দিনে আবারো চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে [গাঢ়] জয় বাংলা [/গাঢ়]

কেনো জয় বাংলা? তার চে প্রশ্ন জরুরী কেনো জয় বাংলা নয়? কারা জয় বাংলা নয়? আমার পুর্ব পুরুষ এই শ্লোগান উচ্চারন করে মৃতু্যকে জয় করতে গেছে । আমার পুর্ব পুরুষের ঘাতকদের আতংক হয়েছে এই শ্লোগান । তাই ঘাতকদের উত্তরসুরীরা এই শ্লোগানের বিকল্প খুঁজে , আমি খুঁজিনা ।

আমার পরিচয় নিয়ে আমার দ্্বিধা নেই , তাই প্রশ্ন তুলিনা আমি বাংগালী না বাংলাদেশী? কারন আমি বাংগালী এবং আমি বাংলাদেশী । আমার শোনিতে বয়ে আনা হাজার বছর, আমার অন্তর্গত স্বপ্ন, বিদ্্রোহ,প্রেম আমাকে দিয়েছে আমার বাংগালী পরিচয় । আমি বাংগালী বলেই অতীশ দীপংকর, ইসা খাঁ, রবীন্দ্্র নজরুল আমার । আমার রাষ্ট্র সীমানা বদলেছে বারবার, কিন্তু আমি সংগ্রামে, দ্্রোহে, আত্নদানে টিকিয়ে রেখেছি আমার আত্নপরিচয় আমি বাংগালী । আমি ইংরেজের শাসনে ইংলিশ হয়ে যাইনি, পাকিস্তানে শাসনে পাকিস্তানী হইনি , আমি থেকে গেছি বাংগালী । আমি আমার পরিচয় বদলাইনি, আমি বিলুপ্ত হইনি বলেই হাজার বছর পরে আমি পেয়েছি আমার নিজের স্বদেশ বাংলাদেশ । বাংগালীর নিজের দেশ বাংলাদেশ ।

আমি নিজেকে বাংগালী বললে , পশ্চিম বংগের মানুষের পরিচয় কি হবে সে মাথা ব্যথা আমার নয় । তারা ঠিক করুক তারা নিজেদের বাংগালী পরিচয় টিকিয়ে রাখবে কিনা? সে তাদের নিজস্ব ব্যপার । পআরেক দেশের মানুষের স্বত্বার পরিচয় কি হবে, সেই ভাবনায় আমি আমার পরিচয় বদলে দেবো-- এই সব ইতরামী আমার পোষায়না ।

পৃথিবীতে বাংগালী জাতির নিজস্ব দেশ বাংলাদেশ, বাংগালীর শ্লোগান জয় বাংলা-- যারা নিজেদের বাংগালী মানেনা, জয় বাংলা শ্লোগানে আপত্তি তোলে তারাই হত্যা করতে চেয়েছিল জন্মলগ্নে বাংলাদেশকে ।

ঘাতকদের প্রতি ঘৃনা আর সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আবার উচ্চারন করি :
[গাঢ়] জয় বাংলা !!!
বাংলার জয় হোক...
[/গাঢ়]


স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহর '07
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×