সাবাস বাংলাদেশের পুলিশ!
একজন নিরীহ রেস্টুরেন্ট শেফকে বানিয়ে দিয়েছে জঙ্গী; যেভাবে চাঁদাবাজী করার জন্য সাধারণ মানুষকে তারা জঙ্গী বানায়। পকেটে ইয়াবা দিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানায়।
আইজি জঙ্গীদের নাম বললো- আকাশ, বিকাশ, ডন, বাঁধন ও রিপন । এদের সবার বাড়ি উত্তরাঞ্চলে। এরা সবাই জেএমবির পলাতক সদস্য। এরা সবাই সংখ্যালঘু হামলার বিভিন্ন ঘটনার সাথে জড়িত। ফেসবুকের কল্যানে জানা গেল- এদের নাম রোহান, মোবাশ্বের সামিহ, আন্দালিব, নিবরাস। এরা সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। এরা অনেকেই ডিজে পার্টিতে যেতে, ক্লাবে যেতে অভ্যস্ত ছিল। এর মধ্যে একজনের বাবা ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের বড় মাপের নেতা । ভাগ্যিস বিএনপি নেতা না, হলে মিডিয়া এতক্ষনে মুতে ভাসায়াইয়া ফালাইত।
এদের একজন মাদ্রাসা ছাত্র, বাকিরা দেশের নামিদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র।
এতদিন ধরে আনিসুল হক, মুন্নি সাহা, অঞ্জন রায় রা মাদ্রাসা বন্ধের জন্য প্রচার চালাচ্ছিল। এখন তারা চুপ। দাড়ি টুপিওয়ালারা জঙ্গি এই তত্ব প্রচার করে আসছিল।এখন মাথামোটা পুলিশের মত অন্যদের কিভাবে দোষারোপ করা সেই পথ খুজছে।
আইজি সাহেবের বাংলা ছবি থেকে ধার করা নামগুলি বেশ চমৎকার । নাম শুনলেই কেমন ভিলেন ভিলেন চেহারা ভেসে উঠে । উত্তরাঞ্চলের কথা বলে উনি হয়ত প্রমান করতে চেয়েছিল এরা মফিজ শ্রেনির হবে। কিন্তু না, এরা ক্লাব, ডিস্কোতে অভ্যস্থ। হালের বলিঊডি নায়ীকাদের ছুয়ে দেখার মত সৌভাগ্যবান ছেলে এরা। এখন জাফর ইকবাল এর নাতি নাতনীরা এদের উপর ক্রাশ খাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিরোধীদলের নেতা কর্মিদের গুম, খুন আর মিথ্যা মামলা করতে করতে পুলিশ এখন পুরাই অপেশাদার একটা বাহিনিতে পরিনত হয়েছে। ১০ দিন আগে ঘোষনা দিয়ে হামলা করেছে জঙ্গিরা। পুলিশ কিছুই করতে পারেনি। নিরিহ ছাত্রদল নেতা কর্মিদের বাড়ি থেকে যেভাবে ধরে আনে সেই কায়দায় জঙ্গি মোকাবেলা করতে করতে গিয়ে হতাহত হতে হয়েছে।
আইজিপি, র্যাবের ডিজি, ডিএমপি কমিশনার এবং গোয়েন্দা প্রধানের ব্যার্থতার দায়ভার নিয়ে পদত্যাগ করা উচিত


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


