কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ
প্রয়োজনীয় উপকরণ -
* এনিমা কিট: একটি এনিমা ব্যাগ বা বালতি, সিলিকন টিউব এবং নজল (Nozzle)।
* কফি মিশ্রণ: কেমিক্যালমুক্ত অর্গানিক কফি বিন ফুটিয়ে তৈরি করা এবং ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা তরল।
* পিচ্ছিলকারক: নজলের মাথায় ব্যবহারের জন্য নারকেল তেল বা ওয়াটার-বেসড লুব্রিকেন্ট।
প্রয়োগ পদ্ধতি -
1. প্রস্তুতি: কফি ফুটিয়ে তা ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে যাতে কোনো দানা না থাকে। তরলটি অবশ্যই শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বা ঘরের তাপমাত্রার সমান (হালকা কুসুম গরম বা ঠান্ডা) হতে হবে। গরম কফি ব্যবহার করলে ভেতরের চামড়া পুড়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি থাকে।
2. পজিশন: রোগীকে সাধারণত মেঝের উপর একটি তোয়ালে বিছিয়ে ডান কাত হয়ে শুতে বলা হয়। ডান পা ভাঁজ করে বুকের কাছাকাছি এনে আরামদায়ক পজিশনে থাকতে হয়।
3. কিট স্থাপন: কফিভর্তি এনিমা ব্যাগ বা বালতিটি শোয়ার স্থান থেকে ৩-৪ ফুট উঁচুতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, যাতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে তরল নিচে নামতে পারে।
4. নজল প্রবেশ: নজলের মাথায় লুব্রিকেন্ট মাখিয়ে তা সতর্কতার সাথে মলদ্বার দিয়ে মাত্র ২ থেকে ৩ ইঞ্চি ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।
5. তরল প্রবেশ: টিউবের ক্লিপ খুলে দিলে কফি ধীরে ধীরে কোলনে প্রবেশ করে। তরল পুরোটা ভেতরে যাওয়ার পর নজলটি বের করে নেওয়া হয়।
6. ধরে রাখা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই কফি পেটের ভেতরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে রাখতে বলা হয়।
7. নিষ্কাশন: সময় শেষ হলে বা বেগ আসলে বাথরুমে গিয়ে মলত্যাগের মাধ্যমে কফি ও পেটের বর্জ্য বের করে দেওয়া হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি:
মূলধারার চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা করে। বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনো উপকারিতা প্রমাণিত নয়, বরং এর ফলে নিচের মারাত্মক ঝুঁকিগুলো হতে পারে:
* কোলন বা অন্ত্রের ভেতরের চামড়া পুড়ে যাওয়া বা ক্ষত হওয়া।
* অন্ত্র ফুটো হয়ে যাওয়া (Perforation), যা জীবননাশক হতে পারে।
* শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট (পটাশিয়াম, সোডিয়াম) কমে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক হওয়া।
* মলদ্বারে ইনফেকশন বা জীবাণু সংক্রমণ।
বিশেষ দৃষ্টব্যঃ বাংলাদেশে লাইফস্টাইল ও বিকল্প স্বাস্থ্যচর্চায় কফি এনিমা (Coffee Enema) পদ্ধতিটি জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে চিকিৎসক ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তার প্রতিষ্ঠান জে কে লাইফস্টাইল (JK Lifestyle)। বিশ্বব্যাপী এই পদ্ধতির প্রবক্তা হলেন জার্মান-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ম্যাক্স গারসন (Max Gerson), যিনি ১৯৩০-এর দশকে তার 'গারসন থেরাপি'-র অংশ হিসেবে এটি প্রথম চালু করেছিলেন। তবে আমার মতে সবার আগে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের পাছায় দিয়ে কফি ভরে একটা ফুল ভিডিও করে নেয়া! কারন সে এই দেশে এটা চালু করে টাকা কামাই করতেই চাইছে, দুনিয়ার অন্যান্ন দেশে এই কাজ করার কেহ সাহস করবে না। কারন এমন ঔষধ আছে যা মুখে খেলেই পুরা পেট পরিস্কার হয়ে যায়। অহেতুক মানুষ এই রিক্স নিবে কেন? তবুও মানুষ যাবে, টাকা দিবে, কেহ কেহ মরবেও! (ছবি নেট থেকে)

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

