
২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ফিরে ঘুমাতে ঘুমাতে কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছিল। ফলে সকালে উঠতেও দেরি। আগের দিন দুপুরে বিদ্যুৎ এক ঘণ্টার জন্য চলে যাবার পর থেকে ঘরের ওয়াই ফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। অন্যান্য সময় একবার বিচ্ছিন্ন হলে দুই এক ঘণ্টার মধ্যেই আপনা আপনি ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু সেদিন দুপুর গেল, বিকেল গেল, রাত গেল, ভেবেছিলাম যে অন্ততঃ সকাল থেকে পুনরায় কানেক্টেড হবো। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, সংযোগ তখনও বিচ্ছিন্ন। এসব ব্যাপারে সংযোগ ‘আপনা আপনি’ ফিরে আসবে, এ আশা নিয়েই সাধারণতঃ অপেক্ষা করি। ফিরে আসেও প্রায় সময়েই। কিন্তু এবারে অন্যথা। ইন্টারনেট প্রোভাইডারকে ফোন করতে ইচ্ছে হয় না, কারণ সমস্যাটি নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে তাদের সাথে এনগেজড থাকতে হয়। তবুও অনন্যোপায় হয়ে কিছুটা বিরক্তি নিয়েই তাদেরকে ফোন দিলাম। যে ভদ্রলোক আমার কমপ্লেইন রিসীভ করলেন, কণ্ঠ শুনে তাকে তরুণই মনে হলো। তিনি অনেক বিনয়ী ছিলেন এবং তার কথাবার্তা স্পষ্ট ও মার্জিত ছিল। তিনি ৩০ মিনিট সময় চেয়ে নিলেন আমাকে একটা ফীডব্যাক দেয়ার জন্য। ঠিকই ৩০ মিনিটের মাথায় তিনি আমাকে ফোন দিলেন এবং জানতে চাইলেন সংযোগ ফিরে পেয়েছি কিনা। উত্তর নেতিবাচক হওয়াতে তার সাথে আরও কিছু কথা বলতে বলতেই আমার ফোনে ক্রমাগতভাবে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসতে থাকলো। আমি তাকে ধন্যবাদ দিয়ে জানালাম যে সংযোগ ফিরে পেয়েছি।
সংযোগ তো ফিরে পেলাম, কিন্তু শুরুতেই যে নোটিফিকেশনটা দেখলাম, তাতে দেখাচ্ছিল যে আমার বন্ধু ডা. আনিসুর রহমান (এনডক্রিনোলজিস্ট) আমাকে ১৫ মিনিটে তিনবার হোয়াটসঅ্যাপে কল করেছে। মনে একটা কু ডাক শুনতে পেয়ে সাথে সাথে তাকে কল করলাম, কিন্তু ‘নো আনসার’। অন্যান্য নোটিফিকেশন স্ক্রল করতে করতে আরেক আনিসুর রহমানের (অনুজ) একটা মেসেজের আংশিক পড়ে হাত কাঁপা শুরু হলো। সে জানিয়েছে ‘ডা. খায়রুল ভাই আর নেই’। আর এগোতে পারলাম না। আমার আরও কয়েকজন ব্যাচমেটকে ফোন করলাম, কিন্তু কেউই ধরলো না। প্রয়াত ডা. খায়রুল আমাকে দেখলে কাছে এসে হাত মিলিয়ে অনেকটা আদরের আবদারে বলতো, “আমার মিতা ভাই, আমার বড়ভাই”। মিতা ভাই কারণ আমার আর ওর নামের প্রথমাংশ একই, আবার ‘বড়ভাই’ কারণ আমি একই কলেজে ওর অগ্রজ ছিলাম শুধু তাই নয়, আমি আবার ছিলাম তার আপন বড়ভাই হামিদুল ইসলাম এর ব্যাচমেটও। হামিদকে আর ফোন দিলাম না, কারণ ওকে কী বলে সান্ত্বনা জানাবো তার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আর তাছাড়া জানি যে সম্প্রতি ওর শরীরটাও তেমন ভালো যাচ্ছে না। তবে ছোট্ট করে ওকে একটা কনডোলেন্স মেসেজ পাঠালাম। মুখ যখন মূক হয়ে যায়, কলম/কী-বোর্ড তখন অনুভূতি প্রকাশের বাহন হিসেবে এগিয়ে আসে।
মাত্র আধ ঘণ্টার মধ্যেই হামিদের উত্তর পেলাম। মাত্র দু’টি সংক্ষিপ্ত বাক্য। প্রথম বাক্যে মৃত ভাইয়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা, দ্বিতীয় বাক্যে জানাযার স্থান ও সময়। ওটুকু পড়েই আমি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। ওর মেসেজ পড়ার পর আমি যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে জুম্মার নামাযে চলে গেলাম। নামাযের শুরুতে, মধ্যে ও শেষে আল্লাহ’র নিকট একাগ্রচিত্তে আমার এই ‘ছোটভাই’টির জন্য দোয়ার দরখাস্ত পেশ করলাম। সেদিন অনেক চেষ্টা করেও আর হামিদের সাথে কথা বলার সাহস জোগাড় করতে পারলাম না। পরের দিন দুপুরে ওকে ফোন দিয়ে ওর সাথে কথা বললাম। ও আজন্ম চাপা স্বভাবের মানুষ, তাই আলাপ যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখলাম। শুধু ওকে জানালাম, আমি জানাযায় আসছি। ওর সাথে কথা বলে মনে হলো, সে হাল্কা হতে চায়। সে শুধু বললো, “আয়, কথা হবে”।
যথাসময়ে গুলশান আযাদ মাসজিদে গিয়ে প্রথমে আসরের ও পরে জানাযার নামাযে সামিল হ’লাম। খায়রুলের একমাত্র ছেল অর্ক সিডনী থেকে উড়ে এসে তার প্রয়াত পিতার আনুষ্ঠানিক শেষ বিদায়ে অংশ নিয়ে, প্রথানুযায়ী জানাযার শুরুতে কিছু সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখলো। যে কোন জানাযার নামাযের শুরুতে যখন প্রয়াত পিতার জন্য তার কোন পুত্রকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে শুনি, আমি তখন অভিভূত হয়ে পড়ি। আমার চোখের সামনে আমার ছেলেদের মুখ ভাসতে থাকে। সেদিনও তাই হলো। জানাযার নামাযের পর সমবেত শুভার্থীদের মধ্যে এমসিসি’র বেশ কয়েকজন পরিচিত অগ্রজ/অনুজ/সতীর্থকে দেখতে পেলাম। সিনিয়রদের মধ্যে বদরুল ভাই, রশীদুল হাই ভাই, ইকবাল ভাই ও কামাল শাহ ভাই এর সাথে দেখা ও সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হলো। এ ধরণের অনুষ্ঠানে এনাদেরকে প্রায় সব সময়েই দেখতে পাওয়া যায়, এ জন্যেই নামোল্লেখ করলাম। হামিদ ছাড়াও আমাদের ব্যাচের পাঁচজন জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। জানাযার নামায শেষে হামিদের গাড়িতে আসীন হয়ে আমরা মোট চারজন বন্ধু একসাথে রায়েরবাজার ক্ববরস্থানের উদ্দেশ্যে রওনা হ’লাম। বাকি দু’জন জানাযার নামায পড়ে ফিরে যায়।
পথিমধ্যে ইচ্ছে করেই আমি খায়রুলের প্রসঙ্গ এড়িয়ে আমাদের ছোটবেলার নানা স্মৃতি নিয়ে আলাপ করছিলাম, যেন হামিদের মন কিছুটা হাল্কা হয়। তবে যতই এড়াতে চেষ্টা করিনা কেন, আমাদের আলাপচারিতায় মাঝে মাঝেই অবধারিতভাবে খায়রুলের প্রসঙ্গও চলে আসছিল। উল্লেখ্য যে হামিদ ছিল ক্যাডেট কলেজে আমার প্রথম রুমমেট, দশজনের একজন। দু’সারির শেষ প্রান্তে জানালার পাশে আমাদের বিছানা দুটো মুখোমুখি ছিল। এক সারির শেষে আমি, অপরটির শেষে হামিদ। ০৭-০৭-১৯৬৭ সালের (বাংলা আষাঢ় মাসের শেষাংশ) সেই রাতটি ছিল মুষল বর্ষণের একটি রাত। ঝুম বৃষ্টির মাঝে জানালার পাশে শেয়াল ডাকা সেই রাতটি সদ্য পরিবার ছেড়ে আসা ৫৬ জন বালকের প্রায় সবারই নির্ঘুম কেটেছিল।
খায়রুলরা চার বোন তিন ভাই। তিন ভাইয়ের মধ্যে খায়রুল কনিষ্ঠ, হামিদ মেঝ আর শফিকুল ইসলাম নামে ওদের বড় আরেক ভাই আছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় দু’জনকে রেখে খায়রুল সবার আগে চলে গেল! ওদের বাবা জুট মার্কেটিং কর্পোরেশনে (স্বাধীন বাংলাদেশের বিজেএমসি) চাকুরি করতেন। ওদের বাসা ছিল নারায়নগঞ্জের গোদনাইলে, শীতলক্ষ্যার তীর ঘেঁষে। ১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ওরা সেই বাসাটায় ছিল। ১৯৭৮ সালে ওদের বাবার মৃত্যুর পর ১৯৭৯ সালে ওরা গোদনাইল ছেড়ে নারায়নগঞ্জে চলে আসে। অবশ্য হামিদ তার কয়েক বছর আগেই সোভিয়েট ইউনিয়নের সরকারী বৃত্তি নিয়ে রাশিয়া চলে গিয়েছিল। সেখানে অধ্যয়নকালে আস্ত্রাখান থেকে ও আমাকে বেশ কয়েকটা চিঠি লিখেছিল। ওর সাথে একই বৃত্তি নিয়ে পড়তে যাওয়া আমার আরও কয়েকজন বন্ধু আমাকে চিঠি লিখে ওদের প্রবাস জীবন সম্বন্ধে জানাতো। হামিদ দেশে থাকার সময় ওদের সেই গোদনাইলের বাসায় আমি বেশ কয়েকবার গিয়েছি, দুই এক বার রাত্রিযাপনও করেছি। বাসার লোকেশনটা প্রথমবারেই আমাকে মুগ্ধ করেছিল। শীতলক্ষ্যার বুকে মৃদু লয়ে চলা পাটবোঝাই বড় বড় নৌকোগুলো দেখার আকর্ষণ আমাকে আরও কয়েকবার ওদের গোদনাইলে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। অন্যান্য মালামালবাহী ও যাত্রীবাহী নৌকোও চলতো। তখন সবই ছিল বৈঠা বাওয়া অথবা পাল তোলা নৌকা; কোন ইঞ্জিন চালিত নৌকা ছিল না। সুন্দর প্রাকৃ্তিক দৃশ্যের পাশাপাশি উপরি পাওনা ছিল মাঝিদের কণ্ঠে খোলা গলায় গাওয়া ভাটিয়ালি ও অন্যান্য নানারকমের গান। সারারাতব্যাপী নৌকা চলাচল অব্যাহত থাকতো।
ওদের বাসায় পড়াশুনা ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য সবসময় একটা অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করতো। কারণ সে সময়ে ওদের সব ভাই বোনেরা স্কুল ও কলেজে পড়তো। খালাম্মা (ওদের মা) অত্যন্ত বিদ্যানুরাগী এবং সংস্কৃতিমনা ছিলেন। সেজন্য ওরা সবাই লেখাপড়ায় যেমন ভালো ছিল, তেমনি সংস্কৃতির অন্যান্য শাখায়ও ওদের বিচরণ ছিল। ওরা সবাই গান গাইতে পারতো, বোনেরা নাচতেও পারতো। সেই চর্চা পরবর্তী প্রজন্মেও সঞ্চারিত হয়েছে বলে জানি। খালাম্মা স্বয়ং ওর বড় বোনের সাথে একসাথে পরীক্ষা দিয়ে এসএসসি পাশ করেছিলেন এবং আমার যতদূর মনে পড়ে, সে সময় এটা পত্রিকার খবরেও প্রকাশিত হয়েছিল। হামিদের স্মরণশক্তি খুবই প্রখর। ও গল্পচ্ছলে আমাকে বলেছে যে ওদের এলাকায় অন্যান্য গ্রামীন অঞ্চলের মত বিভিন্ন উৎসবে পার্বনে মেলা বসতো। সেসব মেলায় মৃৎশিল্পের বিভিন্ন উপকরণ বিক্রয় হতো। খুব ছোটবেলায় একবার ওর বাবা ওকে মেলা থেকে একটা মাটির গরু কিনে দিয়েছিলেন। বিক্রেতা সেই খেলনা গরুটি একটি পত্রিকার কাগজ ছিঁড়ে মুড়ে দিয়েছিল। সেটা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যক্তির সাথে ধাক্কা লেগে গরুটি তার হাত থেকে পড়ে যায়, কিন্তু কাগজটি হাতে ধরা থাকে। তখন সে কাগজটি খুলে দেখেছিল সেটা ১৯৫৯ সালের পত্রিকার কাটা অংশ ছিল। এটা তার এখনও স্পষ্ট মনে আছে বলে সে আমাকে জানিয়েছে। ১৯৫৯ সালে তার বয়স চার কি পাঁচ হবার কথা।
আগামী ৩১ অগাস্ট ২০২৬ তারিখে WaterAid UK এর Regional Director for South Asia ডা. খায়রুল ইসলাম এর অবসরে যাবার কথা ছিল। তার মাত্র দশ দিন আগেই সে এ ধরাধাম থেকে চিরতরে অবসর নিয়ে লোকান্তরে চলে গেল! কোন একটা ঘূর্ণিঝরের পর সুন্দরবনের পার্শ্বস্থিত কয়রা উপজেলায় ১৬টি পুকুর সংস্কার করে আমরা স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। এক্স-ক্যাডেটদের অনুদানে সংগৃহীত ২৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে (তখনকার হিসেবে) স্যান্ড ফিল্ট্রেশনের এ প্রকল্পটির কাজ করার সময় আমরা খায়রুলের অফিস থেকে তার নির্দেশে অকাতরে কারিগরি ও অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতা লাভ করেছিলাম বলেই প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছিলাম। অবসর গ্রহণের পর থেকে নিবিষ্ট মনে লেখালেখি শুরু করবে বলে খায়রুল বন্ধুমহলে জানিয়েছিল। বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠনও তাকে তার অবসর জীবনে তাদের উপদেষ্টা হিসেবে পাবার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। কিন্তু সেটা আর হবার নয়। উল্লেখ্য যে খায়রুল এবং হামিদ, উভয়েই সুলেখক। কলেজে থাকতে আমরা ‘চরিত্রহীন’ নামে একটি নাটক মঞ্চস্থ করেছিলাম। সে নাটকটির লেখক ও সম্ভবতঃ পরিচালকও ছিল হামিদ স্বয়ং।
যে শুক্রবারে খায়রুল মারা গেল, তার মাত্র তিন সপ্তাহ আগের শুক্রবারে সে ধামরাই উপজেলার ‘শৈলান’ নামে একটি গ্রামে এক অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিল। সেখানে আমিও ছিলাম, সেই সুযোগে ওর সাথে কিঞ্চিৎ আলাপচারিতা হয়। তখন কে জানতো যে সেটাই হবে ওর সাথে আমার শেষ সাক্ষাৎ ও আলাপ! এর আগে মে মাসের মাঝামাঝি এক বড়ভাই এর দোহার-নবাবগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে (গ্রামের নাম পাড়াগ্রাম) আরেকটি অনুষ্ঠানেও ওর সাথে দেখা ও কথা হয়েছিল। সেটাও ছিল স্বল্প সময়ের জন্য। তাছাড়া অন্যান্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও মাঝে মাঝে দেখা হতো। এসব দেখা সাক্ষাতের সময় খুব বেশি কথা হতো না, কারণ একেতো আমি কলেজে ওর চেয়ে চার ব্যাচ জ্যেষ্ঠ ছিলাম, তদুপরি আমি ছিলাম ওর আপন বড় ভাইয়ের বন্ধু। পরের কারণটার জন্য সে আমাকে একটু এক্সট্রা সমীহ করতো। যাক, সব সৌজন্যের, সব সাক্ষাতের, সব আলাপচারিতার চির অবসান হয়ে গেল গত শুক্রবার থেকে। এর পরে হয়তো শুধু স্মরণ করা যেতে পারে, ওকে নিয়ে স্মৃতিচারণ হতে পারে যেমন আমি এখন লিখছি, কিন্তু কথা আর দেখা আর কোনদিন হবে না! ওর মৃত্যুর পর থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন পত্রিকায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং পরিচিতজনের পারস্পরিক আলোচনায় শোকবাণী পড়ছি আর শুনছি, এবং ভাবছি এক জীবনে খায়রুল কত লোকের মেন্টর হতে পেরেছিল এবং তাদের হৃদয় স্পর্শ করতে পেরেছিল! এভাবেই একদিন আমরা সবাই একে একে চিরতরে হারিয়ে যাবো কালের অতলান্তে, জগৎ সংসারের সকল স্মৃ্তিকে পেছনে ফেলে রেখে। ভালো কিছু রেখে যেতে পারলে মানুষ ভালোবাসার সাথেই আমাদেরকে স্মরণ করবে, যেমন আমরা স্মরণ করছি খায়রুলকে।
ঢাকা
২৪ অগাস্ট ২০২৬
শব্দ সংখ্যাঃ ১৫১৭
চিত্রস্বত্বঃ আমার
ডিভাইসঃ আইফোন১৩
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



