
সারজিস আলমকে দেখে একসময় মনে হয়েছিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে হয়তো সত্যিই নতুন কিছু আসতে যাচ্ছে। কোটা আন্দোলনের আইকনিক মুখ, গর্বিত ঢাবিয়ান, এনসিপির বড় নেতা। শেখ হাসিনার আমলে সকাল বিকাল শেখ মুজিবকে ‘আমার বঙ্গবন্ধু’ ডাকতেন, পরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেই মাঠে নামলেন। তখন সাধারণ মানুষও আশাবাদী হয়েছিল। মনে হয়েছিল, পুরোনো ছাত্রনেতাদের মতো হবেন না। অন্তত টাকা, পদ আর ক্ষমতার বাইরে গিয়ে মানুষের কথা বলবেন। কিন্তু ক্ষমতার বাতাস বড় অদ্ভুত জিনিস।
দূর থেকে যে মানুষকে ভালো মনে হয়, ক্ষমতার কাছাকাছি গেলে দেখা যায় তারও পছন্দের মানুষ আছে, পছন্দের শ্রেণি আছে, পছন্দের সুবিধাভোগী আছে। সারজিস আলমের ক্ষেত্রেও এখন সেই পুরোনো গল্পটাই দেখা যাচ্ছে। যে ছেলে একসময় নিজের পকেটে কানাকড়ি রাখত না, নির্বাচনের সময় তাকে দেখে মনে হলো জমিদারের নাতিরও বুঝি এত সম্পদ থাকে না। টাকা কামানো অপরাধ নয়, ব্যবসা করাও অপরাধ নয়। কিন্তু ছাত্রনেতার রাজনৈতিক উত্থান আর ব্যক্তিগত আর্থিক উত্থান যদি একই গতিতে দৌড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের মাথায় প্রশ্ন আসাটাও অপরাধ নয়।
সারজিস আলম এখন ব্যবসা করেন, রাজনীতিও করেন। সমস্যা এখানে নয়। সমস্যা হলো, নতুন রাজনীতির নামে পুরোনো রাজনীতির কোন অংশটা তিনি বদলালেন? সাধারণত রাজনীতিতে যারা আসে তাদের সমাজের দিকে তাকানোর কথা, অর্থনীতি বোঝার কথা, মানুষের বিভিন্ন শ্রেণির সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথা। বাংলাদেশে অবশ্য এই জায়গাটা একটু আলাদা। এখানে গম চোর, মুরগি চোর, ইয়াবা ব্যবসায়ী, নারীলোভী, ব্যাংক ডাকাত সবাই কোনো না কোনো সময় রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছে।
দেশের অর্থনীতি খুব আরামদায়ক অবস্থায় নেই। সরকার ক্ষমতায় বসার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় আন্তর্জাতিক অস্থিরতা শুরু হলো। ইরান যুদ্ধ, জ্বালানি বাজারের চাপ, এলএনজি সরবরাহের সমস্যা, স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে এলএনজি কেনা, সব মিলিয়ে সরকারের ওপর কয়েক বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে রাজস্ব আদায় দুর্বল, সুদের হার বেশি, ব্যবসা বাণিজ্যে চাপ। এই সময় একজন রাজনৈতিক নেতা যদি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ান, খুব ভালো কথা। কিন্তু তার পরের প্রশ্নটা কোথায়, টাকা আসবে কোথা থেকে? কারণ রাষ্ট্রের টাকা নিয়ে রাজনীতি করা সবচেয়ে সহজ কাজ। নিজের পকেট থেকে দিতে হয় না। আপনি মাইক হাতে বললেন, ‘পে স্কেল দিতে হবে।’ কয়েক হাজার মানুষ হাততালি দিল। সরকার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে যদি ঋণ নেয়, তখন মাইকটা আপনার হাতে থাকবে না, ব্যাংকের দরজায় থাকবে।
এনসিপি ১৮০ দিনের সরকারের আমলনামা প্রকাশ করেছে। সেখানে ৯৫টি কারখানা বন্ধ এবং ৬২ হাজার মানুষের চাকরি হারানোর কথা বলা হয়েছে। সংখ্যাটা শুনে নিশ্চয়ই ভয় পাওয়ার কথা। কিন্তু সংখ্যার পরের প্রশ্নটা কোথায়? কারখানাগুলো কেন বন্ধ হলো? মালিকদের খেলাপি ঋণ কত? ব্যাংকগুলো কত টাকা দিয়েছে? উচ্চ সুদের হার কতটা দায়ী? বিনিয়োগ কেন কমেছে? এসব কারখানা চালু রাখার জন্য কী করা যেত? কারখানা বন্ধ হওয়ার খবর দেওয়া আর কারখানা কেন বন্ধ হলো সেটা বোঝা এক জিনিস নয়। থার্মোমিটারে ১০৪ দেখিয়ে ডাক্তার যদি বলেন, ‘রোগীর অবস্থা খারাপ’, সেটা তথ্য। কিন্তু রোগটা কী, সেটা না জানলে চিকিৎসা হবে কীভাবে ? রাজনীতির অবস্থা এখন অনেকটা সেই পর্যায়ে। সংখ্যা আছে, আমলনামা আছে, কিন্তু রোগের প্রেসক্রিপশন নেই।
এর মধ্যেই সারজিস আলম সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা সংসার চালাতে কষ্ট করছেন, তাই দ্রুত পে স্কেল দিতে হবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর প্রয়োজন থাকতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। কিন্তু বিরোধী দলের একজন নেতা যখন সরকারের খরচ বাড়ানোর জন্য এত উৎসাহ দেখান, তখন একটু সন্দেহ হয়। বিরোধী দল সাধারণত সরকারের টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন করে। এখানে দেখছি উল্টো। সরকারকে বলা হচ্ছে, টাকা না থাকলেও খরচ করেন। পরে টাকা না থাকলে আবার সরকারকেই জবাব দিতে হবে। এই রাজনীতিটা বেশ আরামদায়ক। আপনি টাকা খরচ করার পরামর্শ দেবেন, কিন্তু টাকা জোগাড়ের দায়িত্ব আপনার নয়। সরকার বিপদে পড়লে বলবেন, ‘আমরা তো শুধু পরামর্শ দিয়েছিলাম।’
দেশে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর বাজেটের অভাবে পরীক্ষা নিতে পারছে না। দুই তিনটি বিসিএসের গেজেট আটকে আছে। দেশে লাখ লাখ বেকার চাকরির জন্য অপেক্ষা করছে। প্রায় ৫ লাখ সরকারি শূন্য পদের কথা বলা হচ্ছে। এর ২৫ শতাংশেও যদি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসত, এক থেকে দেড় লাখ শিক্ষিত বেকারের জীবন বদলে যেতে পারত। একজন নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবিদের কাছে এটাই তো সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হওয়ার কথা। মনে হয় বাংলাদেশের নতুন রাজনীতিতে চাকরি পাওয়ার চেয়ে চাকরিতে বেতন বাড়ানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে।
পে স্কেল নতুন সরকারের জন্য একটা রাজনৈতিক ফাঁদও হতে পারে। সরকারকে বলা হচ্ছে দ্রুত দিতে হবে, না দিলে সরকার পড়ে যাবে। অথচ সরকার ক্ষমতায় আসার সময় কি কেউ জানত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এমন হবে? ইরান যুদ্ধ হবে, জ্বালানির দাম ও সরবরাহে চাপ আসবে, এলএনজি বেশি দামে কিনতে হবে, রাজস্ব আদায় নিয়ে সমস্যা হবে, আইএমএফের সঙ্গে কী ধরনের হিসাব করতে হবে, এসব কি আগেই জানা ছিল? ছিল না। তাহলে সরকারকে এখন এমন একটা স্থায়ী ব্যয়ের প্রতিশ্রুতিতে ঠেলে দেওয়া কেন, যেটার ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক দায় অনেক বছর বহন করতে হবে? সরকার যদি আজ ঋণ করে পে স্কেল দেয়, আগামীকাল সেই ঋণের সুদ কে দেবে? সরকার যদি ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেয়, বেসরকারি খাতের ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকবে ? ব্যবসা বিনিয়োগ আরও চাপে পড়লে তখন আবার কারখানা বন্ধের হিসাব কে দেবে?
এই জায়গাতেই সারজিস আলমের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হওয়া উচিত ছিল। তিনি যদি সত্যিই নতুন রাজনীতির প্রতিনিধি হন, তাহলে তার উচিত ছিল শুধু সরকারি কর্মচারীদের জন্য কথা না বলে সেই মানুষগুলোর হয়ে কথা বলা, যারা নিজের কথা বলার মতো কোনো জায়গা নেই। বেকার ছেলেটার হয়ে, বন্ধ কারখানার শ্রমিকের হয়ে, চাকরির পরীক্ষার অপেক্ষায় থাকা তরুণের হয়ে। কারণ সরকারি কর্মচারীদের একটা সংগঠন আছে, একটা কাঠামো আছে, একটা প্রভাব আছে। বেকারের কী আছে? একটা সার্টিফিকেট, একটা বয়সসীমা এবং প্রতিদিন একটু একটু করে কমে যাওয়া আশা। রাজনীতি যদি সত্যিই অসহায়ের কথা বলার জায়গা হয়, তাহলে মাইকটা সেখানেই ঘোরানো দরকার ছিল।
এদিকে আজকে আরেক দালালের দেখা মিলল। সিপিডির দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বললেন, ‘ছয় মাসেও বেতন ভাতার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। কেন পারছেন না? একটা বড় বিষয় আছে, আর্থিক সক্ষমতা। চলতি অর্থবছরের রাজস্ব সংগ্রহের যে লক্ষ্যমাত্রা (৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা), তা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হবে।’ আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে কথা বলাটা অবশ্যই ভালো। কিন্তু এখানে একটু খটকা লাগে । তিনি কীভাবে জানলেন রাজস্ব আদায় এক লাফে ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ৫ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকায় যাবে? অর্থাৎ প্রায় ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। বাংলাদেশে রাজস্ব আদায় এমন গতিতে দৌড়ানোর ইতিহাস কোথায়? গত দশ বছর ধরে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতেই হিমশিম খাচ্ছে। সুদের হার বেশি, ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ, বিনিয়োগ দুর্বল। তারপরও রাজস্ব এমনভাবে বাড়বে যেন দেশের প্রতিটি মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে নতুন করে আয়কর দিতে বসেছে।
৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকার ওপর ১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরলে প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা হয়। ১৫ শতাংশ ধরলে প্রায় ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ইতিহাসের গড় প্রবৃদ্ধির সঙ্গে এই হিসাবটা অন্তত পরিচিত। কিন্তু ৫ লাখ ৫৫ হাজার কোটি পেতে হলে প্রায় ৩৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লাগবে। এটা যদি সত্যিই সম্ভব হয়, তাহলে অর্থনীতিবিদদের এখন আর রাজস্ব সংস্কার নিয়ে গবেষণা করার দরকার নেই। একটা প্রেস কনফারেন্স করে বললেই হবে, ‘এবার এনবিআর জাদু করবে।’ সমস্যা হলো, সরকার যদি সেই জাদুর ওপর ভরসা করে পে স্কেল, মহার্ঘ ভাতা আর নতুন ব্যয়ের পরিকল্পনা করে, পরে জাদু কাজ না করলে দোষটা কার হবে? অবশ্যই সরকারের। একে বলে গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়া।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার বেতন কাঠামোর যে প্রতিবেদন দিয়ে গেছে, তা মূল্যায়ন করে ভাগে ভাগে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের একটা সুপারিশ এসেছিল এবং তা সবাই মেনেও নিয়েছিল। এত দেরি না করে শুরুতেই যদি ২০/২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিয়ে দিতেন আর সময় প্রার্থনা করতেন, সেটা খুব ভালো হতো।’ কথাটা শুনতে খুব মানবিক। সরকারি কর্মচারীরা খুশি হতেন, সরকারও জনপ্রিয়তা পেত। কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর সবচেয়ে বিরক্তিকর প্রশ্নটা আবার সামনে আসে, টাকা কোথায়? সরকার বদলালেই কি আগের দশ বছরের বেতন না বাড়ানোর বিল নতুন সরকারের হাতে ধরিয়ে দিতে হবে? গত দশ বছরে পে স্কেল হয়নি, সেটা কি এই সরকারের অপরাধ? নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে মানেই কি তাকে আগের সরকারের সব আর্থিক সিদ্ধান্তের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
সিপিডি কি জানে আইএমএফ অক্টোবরের আগে পে স্কেল ঘোষণা না করার ব্যাপারে সতর্ক করেছে? সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের জন্য জোর তদবির চলছে। সরকারের কারও মুখে হাসি নেই। মনে হচ্ছে বিষ খেয়ে বিষ হজম করার অবস্থা। সরকার একদিকে আইএমএফের সঙ্গে হিসাব মিলাচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক চাপ সামলাচ্ছে, তার ওপর বেতন কাঠামোর নতুন ব্যয়। সরকারকে তিন ধাপে পে স্কেল দেওয়ার একটা পথ খুঁজতে দেখা যাচ্ছে, আমলারা সেটাও মানতে চাইছে না। তাহলে এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাস্তব অর্থনৈতিক হিসাবটা কোথায়? নাকি রাজনীতিতে এখন হিসাবের চেয়ে দাবিটাই বড়?
সিপিডিকে কোনোদিন বলতে শুনি না, আপনারা একটা এক লাখ কোটি টাকার জাতীয় কর্মসংস্থান প্যাকেজ করেন। সব মন্ত্রণালয়কে একই ছাতার নিচে এনে বেকারদের জন্য একটা জাতীয় কর্মসূচি নেন। বন্ধ কারখানা চালুর জন্য আলাদা তহবিল করেন। নতুন বিনিয়োগের জন্য সুদের চাপ কমানোর পথ বের করেন। খেলাপি ঋণের সমস্যার সমাধান করেন। এসবের বদলে বেতন ভাতা নিয়ে রাজনৈতিক নৈতিকতার কথা বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক নৈতিকতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অর্থনৈতিক বাস্তবতারও একটা নৈতিকতা আছে। সরকারের হাতে টাকা নেই জেনেও তাকে স্থায়ী ব্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া কি খুব নৈতিক কাজ?
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, সরকারকে এখন এমন একটা অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যেখানে পে স্কেল দিলেও বিপদ, না দিলেও বিপদ। দিলে বলা হবে কেন এত টাকা খরচ করলেন, না দিলে বলা হবে কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় করছেন। রাজস্ব বাড়লে বলা হবে জনগণের ওপর করের বোঝা বাড়ানো হয়েছে, রাজস্ব না বাড়লে বলা হবে সরকার ব্যর্থ। ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে বলা হবে বেসরকারি খাত চাপে পড়েছে, ঋণ না নিলে বলা হবে সরকার কর্মচারীদের অধিকার দিচ্ছে না। অর্থাৎ সরকারের সামনে সব রাস্তার শেষেই অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে সরকারের উচিত জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত না নেওয়া , টেকসই সিদ্ধান্ত নেওয়া।
কারণ আজ যারা পে স্কেলের জন্য সবচেয়ে জোরে কথা বলছে, সরকার বিপদে পড়লে তাদেরই হয়তো সবচেয়ে আগে বলতে দেখা যাবে, সরকার অর্থনীতি সামলাতে পারছে না। আইএমএফ যদি একদিন বলে, তোমরা বেতন ভাতায় এত টাকা খরচ করবে, আমরা লোনের পরবর্তী কিস্তি নিয়ে নতুন করে ভাবব, তখন সিপিডি কি সরকারের পাশে দাঁড়াবে? সরকারকে কি সিপিডি টাকা দেবে? সারজিস আলম কি নিজের ব্যবসার টাকা দিয়ে সরকারের ঘাটতি পূরণ করবেন? নাকি ক্রাউড ফান্ডিং খুলে জনগণকে বলবেন, ‘ভাইয়েরা, সরকার পে স্কেল দিয়েছে, এখন একটু সবাই মিলে ঋণটা শোধ করি’?
ফটোকার্ড ক্রেডিট : ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



