(কিয়ামতের আলামত)
"দাব্বাতুল আরদ" নামক এক অদ্ভুদ প্রাণীর
অবির্ভাব ঘটবে
.
মাটি থেকে উদগত অভিনব এক চতুষ্পদ
প্রাণী। এরা ঈমানদারদের কপালে এক
নূরময় চিহ্ন এঁকে দিবে আর কাফেরদের
নাসিকা কিংবা ঘারে এঁকে দিবে কালো
মোহর। সূরা নাম্-লে এর আলোচনাঃ-
وَاِذَا وَقَعَ القَولُ عَلَيهِم اَخرَجنَا لَهُم
دَابَّةً مِنَ اَلاَرضِ تُكَلُّمُهُم اَنَّ النَّاسَ
كَنُو بِآ يَاتِنَا لَا يُوقِنُون
"যখন তাদের প্রতি কিয়ামতের অঙ্গিকার
পূর্ণ হবার সময় হবে তখন আমি মাটি
থেকে এমন একটি প্রাণি সৃষ্টি করব- যা
তাদের সাথে কথা বলবে যে, মানুষ আল্লাহ্
তায়ালার আয়েতের প্রতি বিশ্বাস রাখত না।
হযরত শাহ্ সাহেব (রহঃ) বলেন: যখন
পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উঠে পুনরায় ফিরে
গিয়ে আস্তমিত হবে, তার পরের দিন
'সাফা পর্বত' (যা মক্কার নিকটবর্তো স্থানে
অবস্থিত) টি ভূমিকম্পে ফেটে যাবে। তখন
সেই ফাটল থেকে অদ্ভুদ ধরনের প্রাণী
বেরিয়ে আসবে। তাদের চেহারা দেখতে
অনেকটা মানুষের মতোই মনে হবে। পা
হবে উটের পায়ের মত। ঘাড় হবে ঘোড়ার
ঘাড়ের মত। লেজ হবে গরুর লেজের
মত। নখ হবে হরিণের নখ এর মত। শিং-
ওয়ালা হরিণের মত হবে তাদের শিং।
তাদের হাত হবে বানরের হাতের মত।
তারপর লিখেন: এই আজব প্রাণী মানুষের
সাথে অত্যান্ত চমৎকার বিশুদ্ধ ভাষায় কথা
বলবে। তার এক হাতে হযরত ঈসা (আঃ) -
এর লাঠি আর অপর হাতে থাকবে হযরত
সুলাইমান (আঃ) -এর আংটি । এত দ্রুত দেশ-
ময় ঘুরে বেড়াবে সন্ধানী কেউ তাকে খুঁজে
পাবে না। সে সকল মানুষের উপর চিহ্ন এঁকে
দিবে। প্রতিটি মুমিন বান্দার কপালে হযরত
ঈসা (আঃ) এর লাঠি দ্বারা একটা নূরানী
বিভাময় দাগ টেনে দিবে যার ফলে তার চেহারা
আলোক-উদ্ভাসিত হয়ে ওঠবে। এবং তাতে
প্রভাবেরও ছোঁয়া থাকবে। প্রতিটি কাফেরের
গর্দান কিংবা নাসিকার উপর হযরত সুলাইমান
(আঃ) এর আংটি দ্বারা মোহর এঁকে দিবে।
ফলে তাদের মুখ কাল হয়ে যাবে। (এতে করে
কে মুমিন কে কাফের তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে।)
এমন কি একই দস্তরখানে যদি পূর্ণ একদল
খানা খায় তবুও কে মুমিন কে কাফের বুঝতে
অসুবিধা হবে না। এই কর্ম সম্পাদের পর এই
প্রাণী টি অদৃশ্য হয়ে যাবে।
(কিয়ামতের আলামত/ পৃষ্ঠাঃ ৯৫-৯৬)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




