somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“প্রতিশোধ”

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোনামী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ অনার্সে রসায়নের ফাইনাল বর্ষের ছাত্রী ৷
আজ ১৬ ডিসেম্বর মোনামীর বিয়ে কিন্তু সে মোটেও আনন্দে নেই ৷ তার মন প্রচন্ড আঘাতে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ৷ তার কাছে এ বিয়েটা নিছক একটা খেলা মাত্র ৷ সে বিয়েটা করতে যাচ্ছে শুধু প্রতিশোধ নিবে বলে ৷ মোনামীর বাবা রাসিদুজ্জামান সাহেব ৷ তিনি দেশের অন্যতম ধণী একজন ৷ উনি ভ্রমণ পিপাসু ৷ ভ্রমণকে নিজের জীবনের অংশ করে নিয়েছেন ৷ একবার ভ্রমণ কালে পরিচয় হয় আরেক ভ্রমণ পিপাসু হাসান সাহেবের সাথে ৷ হাসান সাহেবের এতটাকা আছে যে প্রত্যেক মাসেই একটি করে দ্বীপ তিনি কিনতে পারবেন ৷ তারা উভয়েই ভ্রমণ পিপাসু হওয়ায় তাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে উঠে ৷

হাসান সাহেবের একমাত্র ছেলে শিহাব ৷ ধণী বাবার বিগড়ে যাওয়া ছেলে ৷ কিন্তু তার খারাপ রূপটাকে কেউ জানেনা ৷ তার ভালো রূপটাকেই সবাই চিনি ৷ এই শিহাবের সাথেই মোনামীর বাবা তার বিয়ে ঠিক করে ৷ কিন্তু তিনি জানতেন না যে, হাসান সাহেবের সবই অবৈধ পথে অর্জিত ৷ শিহাবের এই বিয়েতে প্রথমে অমত থাকলেও, মোনামীকে দেখার পর বিয়েতে রাজ্বি হয়ে যায় ৷ মোনামীও প্রথমে এই বিয়েতে রাজ্বি ছিল না ৷ কিন্তু পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে ৷ সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ মোনামী আর শিহাবের এ্যাংগেজমেন্ট হয় আর তিনমাস পর তাদের বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয় ৷ এরই মাঝে, এ্যাংগেজমেন্টের ২৮ দিন পর গাড়ি এক্সিডেন্ট করে শিহাবের বাবা-মা মারা যায় ৷ তাই, রাসিদুজ্জামান সাহেবই বিয়ের সব আয়োজন করেন ৷

বিশাল আয়োজন করেন একমাত্র মেয়ের বিয়ে বলে কথা ৷ আজ তাই মোনামীর বিয়ে হচ্ছে ৷ বিয়েতে অনেক লোকজন এসেছে ৷ এর মাঝে আরেকজন লোক এসেছে যাকে কেউই চিনেনা ৷ লোকটাও অদ্ভুদ ৷ চোখে কালো চশমা, মুখে নকল দাড়ি-গোঁফ লাগানো, আর গাঁয়ে একটা কালো শাল জড়ানো ৷ যদিও তেমন ঠান্ডা এখনো পড়ে নি ৷ তবে মোনামী লোকটাকে চিনে ৷ লোকটা সারাটা সময় মোনামীর দিকেই চেয়েছিল ৷ অবশেষে বিয়ের সব কাজ শেষ হলো ৷ এখন, বিদায়ের পালা ৷ বিদায় বেলায় সেই লোকটি সবার অগোচরে মোনামীর হাতে একটি চিরকুট ধরিয়ে দেয় ৷ চিরকুটে একটা হাসির ইমু আঁকা ছিল ৷

মোনামী এখন শিহাবের রূমে ৷ তার এখানে দম বন্ধ হয়ে আসছে ৷ তবু যে করেই হোক একটি বছর পার করতেই হবে ৷ তাই, সে শিহাবের সাথে আদর্শ স্ত্রীর মতই আচোরণ করতে থাকে ৷ শিহাব তার বাবার ব্যাবসা বুঝে নেয় ৷ সে তার বাবার থেকেও ভয়ানক হয়ে উঠে ৷ মানুষের জীবন তার কাছে কিছুই নয় ৷ বিয়ের ১৫ দিন পর তারা সুইজারল্যান্ডে ঘুরতে যায় ৷ আর সেখানেই শুরু হয় শিহাবের মৃত্যু ঘন্টা ৷ সেখানে তারা ১ মাস থাকে ৷ মোনামী সুইস এ থাকাকালীন শিহাবের জন্য এক জোড়া জুতো কিনে ৷ জুতোর দাম যদিও ছিল ১৭ হাজার টাকা কিন্তু এই জুতো বানাতে খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা ৷ যা মোনামী নিজে অর্ডার দিয়ে বানিয়েছে ৷ বড়ই অদ্ভুদ ব্যাপার ৷ তারা দেশে ফিরে আসে ৷ সব কিছুই ঠিকমত চলতে থাকে ৷ শিহাব যখন এই জুতো জোড়া পড়ে, তার গায়ে অন্যরকম এক অনুভূতি হয় ৷ সে এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই নেয় ৷ মোনামী-শিহাবের জন্য যে জুতো জোড়া এনেছিল সেটা বিশেষভাবে তৈরী ছিল ৷ জুতোটা পড়ার পর জুতার পিছন দিকটা গোড়ালির চাপ লেগে কিছুটা নিচে নেমে যেত ৷ আর পিছন দিকটায় অদ্ভুদ ডিজাইন করে একেবারে সুক্ষ্ম ৬টি ছিদ্র ছিল ৷ যা খালি চোখে বুঝা অসম্ভব ৷ শিহাবও এটা বুঝতে পারে নি ৷ এই জুতোর পিছনে সাপের বিশ ছিল যা ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে কাজ করত ৷ জুতাটা পড়ার পর গোড়ালির চাপ লেগে সেই তরল বিশটা বের হয়ে পায়ে লেগে যেতো আর তা সারা শরীরে প্রভাহিত হতো ৷

এভাবে প্রায় ৬ মাস কেটে যায় ৷ এর মাঝে মোনামী একবার প্রেগনেন্ট হয়ে পড় ৷ কিন্তু শিহাবকে না জানিয়েই এবোরশান করে ফলে ৷ একদিন শিহাব-মোনামী এক পার্টিতে যায় ৷ সেখানে, শিহাব সেন্সলেস হয়ে পড়ে ৷ তাকে দ্রুত হসপিটালে নেয়া হয় ৷ ডক্টররা শিহাবকে বিশ্রামে থাকতে বলে ৷ তেমন কিছুই ধরা পড়ে না কিন্তু মোনামী জানে বিষ তার কাজ করা শুরু করে দিয়েছে ৷

এভাবে আরো দু'মাস কেটে যায় ৷ শিহাব হঠাত আরেকদিন সেন্সলেস হয়ে পড়ে ৷ কিন্তু তার সেন্স আর ফিরে নি ৷ খবর পেয়ে মোনামী দ্রুত সেখানে ছুটে যায় ৷ আর সাথে নেয় ঐ জুতো জোড়ার মত আরো এক জোড় জুতো ৷ সে হসপিটালে পৌঁছে বিশমিশ্রিত জুতো খুলে ওই রকমের নরমাল জুতোটা পড়িয়ে দেয় ৷ আর পায়ের থেকে বিশের দাগও মুছে দেয় ৷ ডক্টরা শিহাবের নরমাল মৃত্যু ঘোষণা করে ৷ শিহাবের মৃত্যুর পর তার সব কিছুর মালিক হয় মোনামী ৷ কিন্তু সে এক কানা করিও নেয় নি ৷ সব কিছু দান করে দেয় ৷ মোনামী আজ তার উদ্দেশ্যে সফল ৷ সে তার প্রতিশোধ নিতে পেরেছে ৷ কিন্তু শিহাবের কি দোষ ছিল ? কেনইবা তার এমন করুণ মৃত্যু হলো ? আর মোনামীর প্রতিশোধের কারণটাই কি ?

তো মোনামীর প্রতিশোধের কারণ জানতে চলে যাওয়া যাক ১১ মাস আগে ৷ মোনামীর একটি ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল ৷ ছেলেটির নাম হলো রাহুল ৷ ছেলেটির এই পৃথিবীতে কেও ছিল না ৷ মোনামীই ছিল তার সব ৷ আর রাহুলও ছিল মোনামীর জীবন ৷ শিহাবের সাথে মোনামীর বিয়ের দিন যে অদ্ভদ লোকটি এসেছিল, সেই হলো রাহুল ৷ কিন্তু সে এভাবে কেনো এসেছিল ? শিহাবের সাথে মোনামীর বিয়ে ঠিক হওয়ায়, মোনামী ঠিক করে রাহুলের সাথে পালাবে ৷ একদিন শিহাব, রাহুল আর মোনামীকে পার্কে দেখে ফেলে ৷

এরপর সব খুঁজ খবর নিয়ে রাহুল আর মোনামীর ৩ বছরের সম্পর্কের কথা জেনে যায় ৷ এরপর, শিহাব, রাহুলকে কিডনাপ করে ৷ ১০ দিন ধরে রাহুলের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না ৷ এদিকে মোনামী কোথাও রাহুলের খোঁজ না পেয়ে চিন্তায় অস্থির ৷ ১১ তম দিনে রাহুলকে রাস্তায় ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায় ৷ লোকজন তাকে হসপিটালে নিয়ে যায় ৷ ৫ দিন পর রাহুলের সেন্স ফিরে ৷ এদিকে মোনামীর অবস্থা শেষ প্রায় ৷ ডক্টররা রাহুলের পকেট থেকে একটি নম্বর লেখা চিরকুট পায় ৷ নম্বরটি ছিল মোনামীর ৷ কল করে মোনামীকে সব জানায় ৷

মোনামী দ্রুত হসপিটালে ছুটে যায় ৷ গিয়ে সম্পূর্ণ হতবিম্ব হয়ে যায় রাহুলকে দেখে ৷ যে ছেলেটা নেশা কি তাই জানতো, সেই ছেলেটাই ড্রাগ নেয়ার জন্য চিতকার করছে ! ! ! আর মুখেই বা এতো কাটার দাগ কেনো? এভাবে, আরো ৫ দিন কেটে যায় ৷ এরপর, রাহুল কিছুটা স্বাভাবিক হয় ৷ আর মোনামীকে তার এই অবস্থার কথা জানায় ৷ রাহুলের কথার সারমর্ম ছিলো, বাসায় ফেরার পথে কিছু লোক তাকে কিডনাপ করে কোথাও নিয়ে যায় ৷ সেখানে, একটি ছেলে ছিল, যে নিজেকে শিহাব বলে পরিচয় দেয়, আর মোনামীর সাথে তার বিয়ের কথা বলে ৷ এরপর, শিহাব, তাকে অধিক পরিমানে ড্রাগস দিতে থাকে ৷ আর মুখে ধাঁরালো ছুড়ি দিয়ে কাটতে থাকে ৷ এভাবে ১০ দিন অত্যাচার করার পর তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে দেয় ৷ এসব কিছু শুনে, মোনামী কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে ৷ আর তখনই ঠিক করে, শিহাবকে তার প্রাপ্য শাস্তি দিবে ৷ আর মোনামী সফলও হয়েছে ৷ মোনামীর বিয়ের পর দিনই সে রাহুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফ্রান্সে পাঠিয়ে দেয় ৷ এরপর, ৩ বছর কেটে যায় ৷ এর মাঝে মোনামীকে তার মা-বাবা আবার বিয়ে দিতে চায় কিন্তু মোনামীর এক কথা সে বিয়ে করবেনা ৷

আজ, ৪ বছর পর রাহুল দেশে ফিরছে ৷ ফ্রান্সে উন্নত চিকিতসার ফলে রাহুল আজ সুস্থ ৷ তার মুখ সার্জারির মাধ্যমে আগের মত হয়ে গিয়েছে ৷ তবু ঐ দিন গুলোর কথা মনে করে তার মন আতকে উঠে ৷

মোনামী আগে থেকেই এয়ারপোর্টে রাহুলের জন্য অপেক্ষা করছে ৷ আজ যে তার পরম সুখের দিন ৷ ঐতো রাহুলকে আসতে দেখা যাচ্ছে ৷ মোনামী দৌড়ে গিয়ে রাহুলের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ৷ তার চোখ গিয়ে অশ্রু ঝড়তে শুরু করে ৷ রাহুলও আজ অনেক খুশি ৷

এরপর, রাহুল-মোনামীর বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় ৷ আর মোনামীও যেহেতু রাজি, তাই রাসিদুজ্জামান সাহেব তাদের বিয়ে দিয়ে দেন ৷ রাহুল আর মোনামী সব কিছু ভূলে জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু করে ৷

সেই পুরানো ভালবাসা
সেই পুরানো অনুভূতি,
সেই পুরানো গানের সুর
তবুও নতুন করে চলা,
নতুন জীবনে তোমাকে
নতুন করে পাওয়া ৷
এভাবেই পাশে থেকো সারাটি জীবন
করে রেখো আমাকে আপন ৷
(সমাপ্ত
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×