বছর দশেক আগেও বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের ছেড়াবেরা দেশগুলোর কাতারে ছিল। ছিল দরিদ্র দেশের তালিকায়। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ সেই কাতার থেকে অনেকটাই সরে এসেছে। বলতে গেলে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় বিশ্বের লিডার, মানে ভালোর দিক থেকে। সকল বাংলাদেশীদের জন্য এটা অত্যন্ত আনন্দের খবর যে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৭৫0 ডলার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ঠিক এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। বিবিএস (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) ২০০৫-০৬ বছরকে ভিত্তি হিসেবে ধরে বাংলাদেশের জিডিপি গণণা করতে শুরু করে।
মাথাপিছু আয়ের হিসেবে বাংলাদেশ এখন উপরের দিকে। এমন প্রশংসনীয় অর্জনের জন্য আমাদের অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে সেই সব প্রবাসী বাংলাদেশীদের যারা কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত টাকা দেশে পাঠায়, দেশের অর্থনীতিরি চাকাকে সচল রাখে। আমাদেরকে আরো ধন্যবাদ দিতে হবে রেডিমেট গার্মেন্টস সেক্টরের কর্মীদের এবং উদ্যোক্তাদের। তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকার রাখছে। আর এ জন্য অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ দিতে হবে যাদের কিছু পলিসির কারণে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
হতে পারে এটাই উত্তম সময় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করার। আমাদেরকে অবশ্যই আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। কারণ সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে স্বাধীনতার ফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌছবে না।
মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির খবরটি সত্যিকার অর্থেই একটি ভালো খবর। যেকোনো ধরণের রাজনৈতিক অস্থিরতা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য ক্ষতিকর, কেউ চায় না রাজনৈতিক অস্থিরতা ফিরে আসুক। আশা করা যায় দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দেশের নের্তৃবৃন্দ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে অবদান রাখবে। কারণ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ অত্যন্ত দরকারী। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হতে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করবে না। ফলে দেশের উন্নয়নও হবে না।
শান্ত পরিবেশে নির্বাচনটা হয়ে গেলেই ভাল!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



