সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে আমরা গভীর ভাবে মর্মাহত। আমার রাজনৈতিক আর্দশ হচ্ছে আওয়ামীলীগ। আজ যেখানে আওমীলীগ সরকার কোন কালো দাগ ছাড়া দেশ পরিচালনা করছে ঠিক তখনি লতিফ্ফার মত কুলাংগার রাজনীতিবিদ আওয়ামীলীগকে কুলুশিত করতে চাইছে। নাস্তিক, আস্তিক এই গুলো হচ্ছে তার ব্যক্তিগত ব্যপার। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে কিন্তু স্বাধীনতা পালন করতে গিয়ে যদি তা হয় কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া, তাহলে সেই স্বাধীতার প্রতি আমি ঘোর বিরোধী। হোক না সে আমার আর্দশিক দলের।।।
লতিফ্ফা হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর একজন সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী। সে যদি কোন কথাবলে অথবা কোন আচারন করে তা হলে তার বুঝেশুনে করা দরকার। কারন তার একটি কথা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এক কথায় তাদের কাছে আমরা কিছু অনেক আশা করি। তার এই আচারনের কারনেও আওমীলীগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতারা তার প্রতি বিরূপ মন্তব্য ব্যাক্ত করেছেন।
এখনো এই বক্তব্যটা তার নিজের যদি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথা শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেই তাহলে এটা তার বক্তব্য থাকবে না এইটা আওয়ামীলীগের হয়ে যাবে। তাই উচিত হবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থায় দৃশ্টান্ত স্থপন করা। যাতে বাংলাদেশে আর কেউ এইভাবে কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি আঘাত করতে সাহস না পায়।।।।।
আবার এই সুযোগে শিবিরের কুত্তারা আবার জেগে ওঠতে চাচ্ছে তাদের কেউ নিষিদ্ধ করার আকুল আবেদন জানায় বাংলাদেশ সরকার তথা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি।।।।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



