আকাশে তপ্ত রোদ ,তাকালেই চোখ ঝলছে উঠে । মাটিতে পা ফেলতে বড় কষ্ট হয় ,মাটি আর বালি মিশে আগুনের কয়লা হয়েছে । বৃষ্টি বাদলের দিনে এমন অপয়া রোদ মাট-ঘাটের জন্য বড় অসুবিধে । শওকত এমন দিনেও সারা দিন অব্দি ঘুমাচ্ছে । কারন ঢাকা থেকে কাল রাতেই গ্রামের বাড়িতে এসেছে । ঘুমের মধ্যেও দুঃস্বপ্নেরা চোখের পর্দায় ভিষনভাবে কান্না করে এমন স্বপ্ন দেখেই ঘুম ভাঙল শওকতের । ঘুম থেকে উঠে ফেইসবুকে ঢুকতেই চোখে পড়ল জগন্নাথের আইন বিভাগের ছাত্র নাজিমউদ্দীন সুত্রাপুরে খুন । চাপাতি দিয়ে কুপানোর পর মাথায় গুলি করে মারা হয়েছে । চোখের সামনে রাত বিরাতে খুনের খবর ,ধর্ষণের খবর,টাকা চুরি,ছিনতাই এই নিয়ে যেন দেশটা একপ্রকার রসাতলে । নাজিমউদ্দীন মুক্ত চিন্তাধারার মানুষ ছিলেন বটে কিন্তু শওকতের মনে একটা চিন্তায় বার বার কাজ করছে ,এটাও হয়তো কোন দল-বিদলের কারসাজি । কারণ এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের লাশ চেয়েছিলো কিন্তু ওখানে সুবিধা করতে পারেনি হয়তো এই সুবিধাটাই জগন্নাথের নাজিমউদ্দীনে লাশ ।
দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের স্নিগতা মানুষের অবসন্ন দেহকে খানিকটা শান্তির প্রয়াস যোগায় ,তবে মাথায় যদি কোন চিন্তা প্রবলভাবে আঘাত হানে তবে সেই শান্তিটুকুও নিমিশেই নষ্ট হয় । শওকত মুক্ত চিন্তার মানুষ ,স্বাভাবিকভাবে তাঁর দুঃখটা একটু বেশিই পাওয়ার কথা । পৃথিবী থেকে মানুষ গুলোকে হত্যা করছে সব অমানুষের দল ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


