বিদআতঃ শবে বরাত বলে ইসলামে কোন শব্দ নেই, এটা নতুন বানানো
. . . . . . . .
খুব বেশি কিছু বলছিনা, ২টি হাদীস আয়াত বলছি,বুদ্ধিমানরা বুঝে নিতে পারবেঃ
শবে বরাতের আমল মুলত দুটিঃ শিরক মুক্ত থাকা, হিংসা ত্যাগ করা | কারণ হাদীসে আসছে "নিসফে শাবান বা শাবান মাসের অর্ধ রাতে প্রত্যেক বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয় শুধু মুশরীক ও হিংষুক ছাড়া"
এক লোক সারা রাত ঘুমিয়ে থাকলো, যদি শিরক ও হিংসামুক্ত থাকে তবে সে ক্ষমা পেল | কিন্তু আমরা কি হিংসা মুক্ত হতে পেরেছি? কতিপয় দল আরেক দলকে সহ্য করতে পারেনা | যারা সারা বছর নামাজের খবর নাই, সারা বছর হিংসুক থাকে, এক রাতে তারা সুফি হয়ে যাবে এমন কোন সুযোগ নাই |
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন নিসফে শাবানের রজনীতে মানুষের আমল আল্লাহর কাছে উঠানো হয় | (ভাগ্য রজনী না, লাইলাতুল বরাত না, শবে বরাত ও না) |
এই মাসে তিনি খুব বেশি রোজা রাখতেন | তাকে প্রশ্ন করা হলোঃ হুজুল আপনি এ মাসে এত রোজা রাখেন কেন? তিনি বললেনঃ আমি চাই আমার আমল এ অবস্হায় উঠুক যে আমি রোজাদার |
অপরদিকে ক্ষমার রজনী বলতে শরিয়ত শুধু কদরের রজনীকেই নির্দেশ করে| আল্লাহ পাক সুরা কদর ও সুরা বাকারা তে বলেছেনঃ পবীত্র সম্মানীত কদরের রজনীতে কুরআন নাজিল হয়েছে ||
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বা সাহাবী,তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ীন রা কেউ এদিন পালন করেছেন এমন কোন প্রমান কোথাও নেই | শবে বরাত মুলত নতুন আবিস্কৃত |
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ তোমরা ধর্মের ভেতর নতুন আবিস্কার থেকে দুরে থাক | কেননা ধর্মে প্রত্যেক নব আবিষ্কার ই ভ্রষ্টতা | আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতা ই জাহান্নামে যাবে |
অতএব রাসুল (সঃ) যেটি করেছেন তা করার চেষ্টা করা উচিৎ, না পারলে বেপার না. কিন্তু নতুন কিছু তো তৈরী করা যাবেনা | আপনার আমার হিংসা এমন এক মারাত্মক গ্যাস (পাপ) যা আমলকে খেয়ে ফেলে, যেমন আগুনে কাঠ খেয়ে ফেলে |
(হাদীসঃ মিশকাত)
এখন আসি প্রথম যে কথা বলেছিলাম তা শেষ করতেঃ শয়তান তো আমাদের ধরে সরাসরী শিরক করাতে পারছেনা বা মদ খাওয়াতে পারছেনা যার দ্বীনের পথে থাকার চেষ্টারত | তাই শয়তান কি করেছে? দীনি বিষয় দিয়েই (আমীন, মুনাজাত, মিলাদ) ইত্যাদি ইস্যু এনে পরষ্পর হিংসা তৈরী করে দিয়েছে |
আর হাদীসে আসছে হিংসা কারী ছাড়া সবাই ক্ষমা পায় |
#শুক্রবার জুম্মাহর আলোচনা থেকে গৃহীত, বর্ণিত কথা গুলো সহীহ হাদীস |
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৪ রাত ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



