কিন্তু আজকে ভোটকেন্দ্র থেকে আসার পর তাদের সেই আনন্দ হাহাকারে পরিণত হয়।প্রায় সবারি ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।
এই যুবারাইতো জাতির ভবিষ্যৎ।এটা নিশ্চয় খুব ভালো কোনো শিক্ষা নই তাদের জন্যে!
এই দেশের জন্যেও শুভ কিছু নয়।
বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচনের আগে কয়েকমাস ধরে যে তান্ডব চালিয়েছিলো সাধারণ জনগনের মনে সেটা নিয়ে ক্ষোভ ছিলো অনেক।
আওয়ামীলীগ সেই ক্ষোভটিকে কাজে লাগিয়ে সহজেই এই নির্বাচন উতরে যেতে পারতো।
অন্তত জনপ্রিয়তা যাচাই করতে পারতো।
কিন্তু আজকের নির্বাচন বিএনপির প্রতি মানুষের সহমর্মিতা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্তত মানুষ এটুকু বুঝতে পেরেছে আওয়ামীলীগ এইদেশের রাজনীতিকে কতোটা একপেশে বানিয়ে ফেলেছে।
আজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেখে মনে হয়েছে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার চেয়ে বরং আইন ভাঙ্গতেই বেশী পটু।
বর্তমান নির্বাচন কমিশন যে সম্পূর্ণ সরকারের আজ্ঞাবহ সেটাও আরেকবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে হলো।
মাঝখান থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নির্বাচনী কাজে খরচ হওয়া সব অর্থ জলে গেল!
তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে, আওয়ামী লীগের কূটকৌশলের কাছে বিএনপি এখনো দুগ্ধপৌষ্য শিশু।শেখ হাসিনা যে একজন মহা ধুরন্ধর মহিলা সেটা এই নির্বাচনের মাধ্যমে আরেকবার প্রমাণিত হলো।
আওয়ামীলীগের সৌভাগ্য তারা বিএনপির মতো একটা দলকে বিরোধী হিসেবে পেয়েছে।
আর বাংলাদেশের জনগণের দুর্ভাগ্য তারা বিএনপির মতো একটা দলকে আওয়ামীলীগের বিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে।
তার চেয়েও বড় দুর্ভাগ্য ক্ষমতালোভী দুইটি দল এই দেশের আপামর জনসাধারণের বুকের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে।যাদের প্রতিহিংসার আগুনে বারবার দগ্ধ হচ্ছে এদেশের জনগণ।
এই দেশের জনগণের ভোট দিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার নূন্যতম গনতান্ত্রিক অধিকারটুকু পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে।একটি দেশের সাধারণ জনগণের জন্যে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কি হতে পারে!
অথচ দুইটি দলই নিজেদের গণতন্ত্রের পক্ষের দল হিসেবে দাবি করে।
কিন্তু কোন দলই সেই গণমানুষের অধিকারের প্রতি নূন্যতম সম্মান দেখাই না।
বড় অভাগা ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগে অর্জিত এই দেশ।বড় অভাগা এই দেশের সাধারণ জনগণ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


