মানুষ কথা বলে কত ভাবে, কত রঙ্গে, কত অঙ্গে। তেমনি এক নতুন স্বাদ পেলাম গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। গিয়েছিলাম শিল্পকলএকাডেমিতে, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের নাম শুনলেই কেমন যেন মনেহয় আমার,একধরনের বিতৃষ্ণা। তবুও গিয়েছিলাম বাঁশি শুনতে, সুরের টানে। গিয়ে সুর শুনলাম হরেক রকম। বাঁশি তো শুনলাম, আর সানাই, বেহালা ছিলো। সবকয়টি আমাকে তাদের গল্প শোনালো। প্রথমে কয়টা কথা বলে নিলো ধীরে ধীরে। তারপর আস্তে আস্তে চললো কথা বলা। কত সুরে কথা বললো, কাদলো কখনো ফুপিয়ে, কখনো তীব্রতার ঝড়ে। আর তার সাথে তাল মিলিয়ে ডেকে যাচ্ছিলো মেঘ তবলায়।
আমি কথা শুনতে পাচ্ছিলাম, আমি কষ্ট বুঝতে পারছিলাম বাঁশীর, বেহালার অথবা বাদকের। ওরা কথা বলে, আরও এক অঙ্গে। ঐ বেহালা, বাঁশীতো আরও এক অঙ্গ গল্প বলার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০