বাংলাদেশের প্রায় সব সমস্যার উৎস একটাই—দুর্নীতি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, ব্যাংকিং কিংবা কর্মসংস্থান—যেদিকেই তাকাই, সেখানেই দুর্নীতির বিষবৃক্ষ ছায়া ফেলেছে। অথচ সাম্প্রতিক বাস্তবতা প্রমাণ করেছে, লুটপাট ও চাঁদাবাজি বন্ধ হলে দেশ কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। মাত্র এক বছরে চট্টগ্রাম বন্দর যে পরিমাণ লাভ করেছে, তা আগের ১৩৮ বছরেও সম্ভব হয়নি। এই সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে—দেশ গরিব নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে।
একটি আংশিক কার্যকর সরকার নিয়েই যদি এমন পরিবর্তন আসে, তবে কল্পনা করা যায় একটি সম্পূর্ণ পেশাদার, মেধাভিত্তিক সরকার কী করতে পারে। কিন্তু সমস্যা হলো—এই ব্যবস্থায় মেধাবীরা জায়গা পান না। ঋণখেলাপি, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অযোগ্য ব্যক্তিরাই বারবার ক্ষমতার কেন্দ্র দখল করে রাখে, কারণ সৎ ও দক্ষ মানুষদের সামনে আসতে দেওয়া হয় না।
রেল, বন্দর, বিমানবন্দর, হাসপাতাল কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি চাঁদাবাজদের কবল থেকে মুক্ত করা যেত, তবে সেই অর্থ দিয়েই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হতো। তাই সময় এসেছে আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে ভোট দেওয়ার।
সুতরাং ঋণখেলাপি, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অযোগ্য প্রার্থীদের বর্জন করুন। গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দিন। কারণ আপনার একটি ভোটই নির্ধারণ করে—দেশ পাবে ন্যায়পরায়ণ শাসক, নাকি আরও এক জালিম ব্যবস্থা।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



