somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

একজন শিক্ষক ও তার সম্মান

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোটবেলায় আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করত,
“এইযে বাবু তুমি বড় হয়ে কি হবা?”
আমি সাথে সাথে উত্তর দিতাম “বিস্কুটের দোকানদার।”
অবাক হয়ে কেউ কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতাম,
“তাহলে বেশি বেশি বিস্কুট খেতে পারব।”

সে সময় পার করে এসেছি। এখন আর বিস্কুটের
দোকান্দার হতে চাই না।
আজকের দিনে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই সে বলবে,
সে হতে চায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, লয়ার ইত্যাদি।
কিন্তু কেউ ভুলেও একবারো বলে না যে সে হতে চায়
একজন শিক্ষক। এর অবশ্য যুক্তি সংগত কারণও আছে। আর
সেই কারণটি হল অর্থ এবং সম্মান। অন্যান্য দেশ
গুলিতে একজন শিক্ষকের যে সম্মান, আমাদের
দেশে তা নেই। আমার জানা মতে আমাদের দেশের একজন
হাইস্কুলের শিক্ষকের সর্বোচচ বেতন ১৫০০০-২০০০০৳।
একটা মধ্যবিত্ত মানুষ হিসেবে জীবন কাটাতে হলেও এ
টাকায় এ যুগে কিছুই করা সম্ভব নয়। অথচ তারাই নিজ
হাতে গড়ে তুলছে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারের মত সম্মানের
পাত্রগুলিকে। আর তাদের সম্মানের দিকে কেউ ভুলেও
তাকায় না। মাত্র কয়েক হাজার টাকার বেতন বাড়ানর
দাবি করলেও তাদের দিতে হয় জীবন।

তাহলে আপনিই বলেন, কেউ
কি জেনে বুঝে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে চাইবে??
অন্যের কথা বাদই দিলাম, আমি অন্তত এই পেশা চাই না।

অনেকে হয়তো আমাকে অনেক জ্ঞানগর্ব
বাণী শোনাবেন, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। কারণ
বাস্তব জীবণ অনেক কঠিন।

একজন শিক্ষককে যদি একজন কর্নেলের মত সম্মান
দেয়া হত, যদি তাকে এমন বেতন দেয়া হত যে, তিনিও
সমাজে একজন ডাক্তারের মত জীবনযাপন করতে পারবেন,
তাহলে অনেকেই তার “এইম ইন লাইফ” রচনায় ডাক্তার
পেশাটা বেছে না নিয়ে শিক্ষকতাকেই বেছে নিত।

যদি আমাদের দেশের সরকার শিক্ষকদের অন্তত একজন
ফার্স্টক্লাস অফিসারের সম্মান দেন, বেতন বৃদ্ধি করেন
এবং বি সি এস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক পদে নিয়োগ
দান শুরু করেন, তাহলেই আমার মনে হয় এই পেশার মুল্য
অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। আর আমাদের দেশের শিক্ষারও
মান উন্নয়ন হবে।

লিখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কোন কিছু ভুল
লিখে থাকলে ক্ষমা করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৩৫
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×