somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিরস

২৮ শে মার্চ, ২০১৭ ভোর ৪:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি সু তার্কিক নই, তবে লাজ ভাঙ্গলে আমি সু বক্তা হয়ে যেতে পারি।

গতকাল সবার উক্তির উত্তর দিতে গিয়ে মনে হচ্ছিলো তর্কেও আমি সহজেই জিততে পারি, যদি একটু দেখে ভাবিয়া বলি :) ( ভাবনার অবসর'ই পায়না এই মতিনবাবু দের মেসে.. :'(

এটা ভালো, অনেক জায়গা থেকে সত্য জেনে ও তর্ক ভয়ে আমি সরে অাসি। আবারো আসবো, কলহে মোহ নেই, তবু ও কিছু অকপটে বলার মত বিষয় আসে যা থেকে সরাটা অনুচিৎ, মানবদেহ অভিশপ্ত হয় সে সব উপেক্ষায়। আমার কোন দল নেই, সঙ্গ কিংবা একগুচ্ছ ঝোক ওয়ালা বন্ধুবান্ধব। তবুও রোজ রোজ অনেকে এসে জমা হয় হুট করে লেখা বিভিন্ন পাতায়।

সবাই অপরিচিত, তবে চিন্তা মিলে যায়।

আমাদের একটা প্রকট সমস্যা হচ্ছে, নিজেদের ধারনা, বিশ্বাস উপলব্ধি ভুল হলে ও তার পক্ষেই গলা ছুড়ে যাওয়া। খুব শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত সবার মাঝেই এটা প্রকট। যার যার জায়গায় অনড় থাকবে, হোক সে যতই ভুল, এতে করে প্রায়ই সত্যিটা হেরে যায়।

যেমন প্রায়ই নাকি কোর্ট কাচারীতে যার ক্ষমতা টাকা বেশা তার পক্ষে রায় যায়, অথচ ব্যাপ্যার্টা কিন্তু মিথ্যা।

আমার খুব খারাপ লাগে যখন ব্যাপ্যারটা দিনের আলোর মত সত্যি জেনে ও তাকে প্রমাণে নামতে হয়।

৭১ এ শহীদের সংখ্যা ত্রিশ লক্ষ্য কিংবা তার দুই লক্ষ্য কমম কিংবা বেশী হতে পারে। পাক্সতান সরকারের মতই কিছু বাঙ্গালী প্রমাণ করতে বলে?

ধরেন আমি বললাম ট্রাফিক ঘুষ খায়!
সেইটার প্রমাণ কেউ চাইছে আমার কাছে, আসলে ট্রাফিকটা সেই প্নমাণ চাওয়া লোকটাকে টাকা পয়সা দেয়নি তার হয়ে ওকালতির জন্যে; আদতে লোকটা হয়তো আমার চেতনার ঠিক বিপরীত মতাদর্শের।
তাই সত্যি কি মিথ্যা সেইটি আলোচ্য নয় তার কাছে,
তার প্রয়োজন আমাকে ভুল প্রমাণ করা।
আমরা মুল বিষয় থেকে সরে আসি, ফলশ্রুতিতে ফাক তালে ঘুষখোর ট্রাফিক ঘুষ খেয়েই যায়।

রাস্তায় দেখবেন দুজন রিকশাওয়ালা কিংবা প্রাইভেট গাড়ীর দুই ড্রাইভার বাধিয়ে দিয়েছে হাতাহাতি মারামারি। স্কুল কলেজ ছুটি, পাচ মিনিট দশ মিনিট ওরা লেগেই যাচ্ছে নিজেরা। ওদের জন্যে গাড়ী আটকে এপাশে আসাদ গেইট থেকে ওপাশে ধানমন্ডি ১৫ পর্যন্ত চৈত্র মাসের রৌদ্রে মানুষ পুড়ছে! তাতে ওদের কি আসে যায়?

আমার কিন্তুু সহ্য হয়না, অমানুষিক কোন বিষয় আসলে শান্ত শিষ্ট আমি হুট করে জলন্ত হই মুহুর্তেইই।
ফেরার সময় অবশ্য লজ্জা ও লাগে সবাই ঘুর ঘুরিয়ে যে চাউনী দিচ্ছে তাতে। সেসব চাউনীর ভালো/মন্দ/বাউন্ডুলে/ মস্তান/পাগলা এরকম কয়েক প্রকার বক্তব্য থাকে। অখচ সবাই সরল পথে চিন্তা করবে নাহ যে আমাদের সকলের ভোগান্তি নিবৃত্তে হঠাৎ কানের নীচে বাজিয়ে সৎবিৎ ফেরানো..

ধরেন আমি একটা মস্ত বড় কিংবা এ্যামিবা সম ক্ষুদ্র ভুল বা অন্যায় করিয়া ফেলেছি। সেক্ষেত্রে একটা স্কুলের বাচ্চা কিংবা তালপাতার সেপাহী মতিন দা যদি বলে ওঠে, ওই জিকো ভুলটা কেনো হলো?

- আমি গায়ে শক্তি পাইনা, ওরা হতে পারে আমা হতে অনেক দূর্বল তবু ও পরিবার, পরিবেশ তথা শৈশবের বিকাশ কালে আমাকে বলা হয়েছে,
যদি হয় ভুল,
সেথা তুমিই অপরাধী,
তর্কটা আহামরী,
ক্ষমাতীত আরেক ভুল,
শুধরে নাও,
অন্যথা সাজা নির্ভুল..

কিছুক্ষণ আগে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া এক সুদর্শন আধুনিকা ( সপ্তম/অষ্টম শ্রেণীর) মেয়েকে তার মা কোন ছেলের বাসা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে গাড়ীতে বসাতে বসাতে একটা চড় দিলো ( ছোয়ানো টাইপের)

বালিকাটি চার গুণ জোরে তা ফেরৎ দিলো!
মায়ের চোখ আমাদের দেখে ফেলায়, ফিরতি আরেকটা ( একটু জোরে) , মেয়ে এবার আরো জোরে, মা চিল্লানী দিয়ে আরেকটা দিতেই মেয়ে সরে হাত চালালে মায়ের চোখে মুখে আচড় লাগলো! মেয়ে গাড়ীর বাইরে বেরিয়ে গট গট করে রাস্তা পেরিয়ে গেলো!

( আমার খুব অসহায় বোধ হচ্ছিলো, মা টার দিকে তাকিয়ে দেখি ফ্যাল ফ্যাল করে রাস্তার ওপারে মেয়েটাকে দেখার চেষ্টা করছে, চোখে পৃথিবীর সমস্ত অসহায়ত্ব জড় হয়েছে )

এই শহরে আমি চাইলেই সব করতে পারিনা!
পারলে মেয়েটাকে ধরে নিয়ে ওর মার কাছে বসিয়ে দিতাম :'(

বাংলার সামনে বড় দুঃসময়, ভয় হয়।
এদের ঘরে বসে অনলাইনে গেমসে হাতে খড়ি হচ্ছে,
শহর কিংবা গ্রাম অনলইনের নেগোটীভের জয়জয়াকার। বিশ বছর যে দৃশ্য আমার কল্পনায়, এরা সপ্তম শ্রেণীতে এসে প্রাক্টিকাল করার সময় গ্নেপ্তার হয়।
হাসবেন্নাহ মোটে ও, কি ভয়াল আথুনিকতা?

এদের কে জিগেস করলে টেনে টেনে বলবে, আমি বাংলা ভালো পারিনা!
এরা যে ইংরেজীতে ও খুব পাকা তা কিন্তু নাহ :'(

এদের পিতা-মাতার অজ্ঞতাই এদের ধ্বংস করছে।
কিছু অসাধু অমনোযোগী সুবিধাভোগী মানুষ টাকা হাতাইবার জন্যে একটা প্রথা আবিষ্কার করলো।
সেইটা হচ্ছে ইংলিশ মিডিয়াম।
বাবা মা জানেইমই না এ মাধ্যমে ভারতীয় কিছু বই হুবহু নকল করে এরা অাধুনিক সাজিয়াছ। তবুও সাথে যদি ভারতীয় শিক্ষা ব্যাবস্থাটুকু ও ফলো করতো।
সেইটা বোঝার জন্যে কিছু নিজের ভিতরে ও কিছু থাকা চাই? এই ইংরেজীতে তিন বারে এনট্রান্স পাস করা পিতা মাতা এতোটাই ভীত যে, ইংলিশ মিডিয়াম নাম শুনিবা মাত্রই ইংরেজ ভাষায় সন্তাত পাকাইতে চায়।

এ্যাডজেকটিভ বলতে এরা বইয়ের
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দিল্লির রাজপথে তরুণদের ‘জেনজি ২.০’ অভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের জুলাই-পরবর্তী রূপান্তরের নির্মম বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে যা ঘটে গেল, তা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সত্যিই অভূতপূর্ব। ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ‘তেলাপোকা’ বা ককরোচ জনতা পার্টির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিমানবন্দরে নির্ঘুম রাত (সাময়িক পোষ্ট)

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

আমার এখানে বাজছে রাত প্রায় দুটা! এখনো জেগে আছি। জেগে থাকার শানে নুযুল হলো, আমি অনেকটা ফাইসা গেছি! হায়দার সাহেবের গানের মতো, "আমি ফাইসা গেছি, আমি ফাইসা গেছি মাইনকা চিপায়!"... ...বাকিটুকু পড়ুন

ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯



ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি একটি বেঈমান আর গাদ্দারদের দল।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫০

‘বিএনপি ৭৫এর যোদ্ধাদের রক্ষা করেনি, ২৪ এর যোদ্ধাদেরও রক্ষা করবে না।’ ...বাকিটুকু পড়ুন

×