আমি বলি মেসির খেলোয়াড়ী সেরা অনবদ্য, অদ্বিতীয়, ওর রিপ্লেস অন্য আরেকটা যদি কেউ কোন দিন আসে ও তবে তার তিন বছর বয়স থেকে ফুটবল নিয়ে পড়ে থাকতে হবে নূন্যতম ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত, কারন লিও মেসি শুরু করেছিলো চার বছর বয়স থেকে।
তার ফিরতি হিসেবে অনেক বড় বড় মাদ্রিদ সমর্থক সেলিব্রেটি রেগে মেগে বলেন এ ধরায় অন এন ওনলী ক্রিস্টিয়ানোই সেরা ফুটবল স্কীলে
হাজার হাজার লাইক কমেন্টসের বন্যা; আমাদের ছোট খাট লিও মেসি মাঠে বিষ্ফোরণ ঘটালে ও এই দেশের অনলাইনে মেসি দুই একটা হৃদয় হরণ ব্যাতীত তেমন আলোড়ন তুলতে পারেনা।
আচ্ছা যে কোন দিন বল নিয়ে মাঠে দৌড়েই দেখেনি সে কিভাবে জানবে ফুটবল কি? আর লিওর খেলোয়ারীরর তুলনা করাটাই ভীষণ পাপের মতই গুণাহ..
আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পাপন সাহেব,
কিংবা নতুন কোচ হাতুড়ে দাদা কিভাবে বুঝবেন,
আজকে মাশরাফী রান না করেও প্রতিটা ব্যাটের হাতল ধরেছিলো অদৃশ্য থেকেই, প্রতিটা ছোড়া বলে মুস্তফীজ আর সাকিব মনে মনে জপেছে মাশরাফী ভাইয়ের জন্যে?
খণ্ড গল্পে শেষ করি,
ছোটবেলায় সাইজে ছোট ছিলাম বলে খেলার মাঠে অচেনা প্রতিপক্ষ তেমন দাম দিতোনা। বল কিংবা ব্যাট অারম্ভ করলে ওদের টনক নড়তো এ তো বিষ মরিচ রে ভায়া
কোন অচেনা এলাকা থেকে আমগো মাঠে এক দল খেলতে আইছে, অথবা আমরাই অচিন নতুন কোন টীমের সাথে খেলতে গেছি। ওগার দর্শক, গ্রাম, মহল্লা, মাইক, বাজনা আরো নানান আয়োজনা, এর মধ্যে আমরা সংখ্যায় ১১ জনা মাঠের ভিতরে আর বাইরে দুই এক জন অতি ঊৎসাহী সমবয়সী প্রকৃতি পাঠিয়েই দেয়, কারো ডাকা লাগেনা।
এ দৃশ্য দেখে আপনার মনে হবে আমরা যারা এসেছি এরা অটোমেটিকালি এই হই হই রই রই হট্টগোলের চাপে কিঞ্চিৎ ঘাবড়ে শুরু করতে গিয়ে সব কিছু ভজঘট বাধিয়ে ফেলবো। এটা নিছক ভুল ধারনা..
ফুটবলের বাশি আর ক্রিকেটের আম্পায়ারের সিগন্যাল পড়ার পরে প্রতিপক্ষের স্টেডিয়ামেই খেলা শুরু হোক, থাকুুক ওদের মাঠ ভরা দর্শক, তা স্বত্বে ও মাঠের যে উত্তাপ থাকে সেইটা যে দল ধরে নিতে পারে ওরাই মাঠ আর ম্যাচের শাসনে থাকে। এটা ও আপনার বোধে আসবে না ভায়া।
মাঠের একটা উত্তাপ থাকে, প্লে অন হবার পর বাইরের দুনিয়ার হুলস্থুলীয়য় কোন প্রেশার প্লেয়ার দের জিরো মেন্টালিটি দখল করতে পারেনা। ওদের স্নায়ু দখল হতে পারে প্রতিপক্ষের করা গোল কিংবা হাকানো ছয়-চারে..
খেয়াল করেন, বাংলার উইকেট দরকার, বোলিং স্পেইল চলে রুবেলের; যাচ্ছেই নাহ ব্যাটসম্যানেরা, হুট করেরে কৌশিক বল হাতে রুবেলকে থামিয়ে!
এসেই খায়া দিসে, মাঠের উত্তাপ ধরে টোটাল সমীকরণ আইনা দিসে বাংলাদেশের উপ্রে তবুও বাকিরা কখনো মান রাখতে পারছে, কখনো কখনো বাংলাদেশ ভীষণ লজ্জা পাইছে।
আমি দেখছি বাংলাদেশ হাইরা গিসে,
কিন্তু মাশরাফী র টাস টাস উত্তরে পোলাগোরে পরের ম্যাচে ভাইঙ্গে দেবার উৎসাহ দিয়াই ড্রেসিং রুমেমে ফিরাইছে।
পাপন কিভাবে জানবে, মাঠের একটা উত্তাপ থাকে?
আর মাশরাফীর মত আরেক জন ও নাই যে কোন অবস্থায় সেই উত্তাপ ধইরা বাংলার পক্ষে আইনা ফালায় দিতে পারে?
আমগোর টোটাল বাংলার প্রকট সমস্যা অইলো, অযোগ্যেরাই যোগ্য স্থান গুলোতে আসন গাইড়া থাকে।
থাক সে কথা, বইলা তা বদলাবে না একফোটা,
আসল কথা অইলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নাকি টেলিফোনে অনুরোধ করেছেন মাশরাফীকে অবসরে না যাইতে??
সত্যতা কতটুকু জানিনা, ভাই পাগ্লা, এমন হইলে কার্টুন পাপন তুই সামলা, গোটা বাংলা তোর বিপক্ষে!
আরে মাশরাফি সেদিন ও কইইছে, আরো চার পাচ বছ্ খেলার মত ফিট ও আছে?
হুট করেই অভিমানে এমন কেনো বলবে?
স্বচ্ছতার সাথে অসামঞ্জ্যসে অভিমান টাই ছলকে বের হয়ে আসে, আটকানো যায়না।
ও চাইলেই আনফিট হওয়ার আগ অব্দি খেলবে।
#খেলা_হবেই
#মাশরাফীর_জন্যে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




