somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বচ্ছতার জন্যে

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি বলি মেসির খেলোয়াড়ী সেরা অনবদ্য, অদ্বিতীয়, ওর রিপ্লেস অন্য আরেকটা যদি কেউ কোন দিন আসে ও তবে তার তিন বছর বয়স থেকে ফুটবল নিয়ে পড়ে থাকতে হবে নূন্যতম ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত, কারন লিও মেসি শুরু করেছিলো চার বছর বয়স থেকে।

তার ফিরতি হিসেবে অনেক বড় বড় মাদ্রিদ সমর্থক সেলিব্রেটি রেগে মেগে বলেন এ ধরায় অন এন ওনলী ক্রিস্টিয়ানোই সেরা ফুটবল স্কীলে :)
হাজার হাজার লাইক কমেন্টসের বন্যা; আমাদের ছোট খাট লিও মেসি মাঠে বিষ্ফোরণ ঘটালে ও এই দেশের অনলাইনে মেসি দুই একটা হৃদয় হরণ ব্যাতীত তেমন আলোড়ন তুলতে পারেনা।

আচ্ছা যে কোন দিন বল নিয়ে মাঠে দৌড়েই দেখেনি সে কিভাবে জানবে ফুটবল কি? আর লিওর খেলোয়ারীরর তুলনা করাটাই ভীষণ পাপের মতই গুণাহ..

আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পাপন সাহেব,
কিংবা নতুন কোচ হাতুড়ে দাদা কিভাবে বুঝবেন,
আজকে মাশরাফী রান না করেও প্রতিটা ব্যাটের হাতল ধরেছিলো অদৃশ্য থেকেই, প্রতিটা ছোড়া বলে মুস্তফীজ আর সাকিব মনে মনে জপেছে মাশরাফী ভাইয়ের জন্যে?

খণ্ড গল্পে শেষ করি,
ছোটবেলায় সাইজে ছোট ছিলাম বলে খেলার মাঠে অচেনা প্রতিপক্ষ তেমন দাম দিতোনা। বল কিংবা ব্যাট অারম্ভ করলে ওদের টনক নড়তো এ তো বিষ মরিচ রে ভায়া :) ( উপরাংশ অহেতুক, আসলাংশ পড়ুন এবং ধরার চেষ্টা করুন)

কোন অচেনা এলাকা থেকে আমগো মাঠে এক দল খেলতে আইছে, অথবা আমরাই অচিন নতুন কোন টীমের সাথে খেলতে গেছি। ওগার দর্শক, গ্রাম, মহল্লা, মাইক, বাজনা আরো নানান আয়োজনা, এর মধ্যে আমরা সংখ্যায় ১১ জনা মাঠের ভিতরে আর বাইরে দুই এক জন অতি ঊৎসাহী সমবয়সী প্রকৃতি পাঠিয়েই দেয়, কারো ডাকা লাগেনা।

এ দৃশ্য দেখে আপনার মনে হবে আমরা যারা এসেছি এরা অটোমেটিকালি এই হই হই রই রই হট্টগোলের চাপে কিঞ্চিৎ ঘাবড়ে শুরু করতে গিয়ে সব কিছু ভজঘট বাধিয়ে ফেলবো। এটা নিছক ভুল ধারনা..


ফুটবলের বাশি আর ক্রিকেটের আম্পায়ারের সিগন্যাল পড়ার পরে প্রতিপক্ষের স্টেডিয়ামেই খেলা শুরু হোক, থাকুুক ওদের মাঠ ভরা দর্শক, তা স্বত্বে ও মাঠের যে উত্তাপ থাকে সেইটা যে দল ধরে নিতে পারে ওরাই মাঠ আর ম্যাচের শাসনে থাকে। এটা ও আপনার বোধে আসবে না ভায়া।

মাঠের একটা উত্তাপ থাকে, প্লে অন হবার পর বাইরের দুনিয়ার হুলস্থুলীয়য় কোন প্রেশার প্লেয়ার দের জিরো মেন্টালিটি দখল করতে পারেনা। ওদের স্নায়ু দখল হতে পারে প্রতিপক্ষের করা গোল কিংবা হাকানো ছয়-চারে..

খেয়াল করেন, বাংলার উইকেট দরকার, বোলিং স্পেইল চলে রুবেলের; যাচ্ছেই নাহ ব্যাটসম্যানেরা, হুট করেরে কৌশিক বল হাতে রুবেলকে থামিয়ে!
এসেই খায়া দিসে, মাঠের উত্তাপ ধরে টোটাল সমীকরণ আইনা দিসে বাংলাদেশের উপ্রে তবুও বাকিরা কখনো মান রাখতে পারছে, কখনো কখনো বাংলাদেশ ভীষণ লজ্জা পাইছে।


আমি দেখছি বাংলাদেশ হাইরা গিসে,
কিন্তু মাশরাফী র টাস টাস উত্তরে পোলাগোরে পরের ম্যাচে ভাইঙ্গে দেবার উৎসাহ দিয়াই ড্রেসিং রুমেমে ফিরাইছে।

পাপন কিভাবে জানবে, মাঠের একটা উত্তাপ থাকে?
আর মাশরাফীর মত আরেক জন ও নাই যে কোন অবস্থায় সেই উত্তাপ ধইরা বাংলার পক্ষে আইনা ফালায় দিতে পারে?

আমগোর টোটাল বাংলার প্রকট সমস্যা অইলো, অযোগ্যেরাই যোগ্য স্থান গুলোতে আসন গাইড়া থাকে।
থাক সে কথা, বইলা তা বদলাবে না একফোটা,
আসল কথা অইলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নাকি টেলিফোনে অনুরোধ করেছেন মাশরাফীকে অবসরে না যাইতে??

সত্যতা কতটুকু জানিনা, ভাই পাগ্লা, এমন হইলে কার্টুন পাপন তুই সামলা, গোটা বাংলা তোর বিপক্ষে!
আরে মাশরাফি সেদিন ও কইইছে, আরো চার পাচ বছ্ খেলার মত ফিট ও আছে?
হুট করেই অভিমানে এমন কেনো বলবে?

স্বচ্ছতার সাথে অসামঞ্জ্যসে অভিমান টাই ছলকে বের হয়ে আসে, আটকানো যায়না।

ও চাইলেই আনফিট হওয়ার আগ অব্দি খেলবে।
#খেলা_হবেই
#মাশরাফীর_জন্যে
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×