
- মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে এই শুয়োর সদৃশ্য অমানুষটা ছুরি মেরেছে। বলা হয়েছে বহিস্কৃত শিক্ষার্থী। হতেও পারে নাও হত পারে। সেটি মুখ্য নয়, বিষয় হচ্ছে হউক বা না হোক এই শুয়োর ছানাটি অবশ্যই বেজন্মা ধর্ম ব্যবসায়ী হুজুরের চ্যালাদের একজন।
মোড়ের মাথায় দাড়িয়ে যে ছেলেটা সিগারেট অথবা গাঞ্জা টানছে আজ, তাকে কেউ কিছু না বললে পরদিন ওর সাথে পাড়া-বেপাড়ার অারো গাঞ্জুটেকে দেখা যাবে। তারপর দিন থেকে অশ্রাব্য গালি মেশানো অাড্ডা। তারপর দিন হয়তো স্কুল কলেজগামী মেয়েদের দেখলেই টীজ করবে, ধীরে ধীরে সাহস বাড়বে হঠাৎ একদিন রাতে মহল্লায় ফিরে শুনবেন অমুকের স্কুল পড়ুয়া মেয়েটাকে সন্ধ্যার পর তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে গলির মোড়ের বখাটেরা।
কিছু বকেয়া নগদ শোধ করতে হয়, নাহলে ওদের সাহস বেড়ে যায়। প্রথম গাঞ্জা টানা ছেলেটাকে মহল্লার কেউ একজন বাধা দিলে নূন্যতম নাম ধাম জিজ্ঞাসা করলেই হয়তো পরদিন এই মোড়ে গাঞ্জার অাসর তো দুরে থাক গাঞ্জুটে এখানে দাড়াতোই না এসে।
এইরুপ ওদের অাটকাতে নিউজ ফীডে #অামিই_অভিজিৎ লেখা জরুরী নয়। রক্তের জবাব রক্তে দিলে নষ্টেরা কুকড়ে যায়। হুমায়ুন অাজাদ কিংবা অাজকের জাফল ইকবালের মত স্বাধীনতায় বিশ্বাসী মানসিকতার বিরুদ্ধাচরণ বা কর্মকাণ্ড হরহামেশাই আমরা দেখি অনলাইন অথবা বাস্তবে। দেখে শুনে ওই পাড়ার লোকদের মত রেগে কিছু না বলেই বিড় বিড় করতে করতে ঘরে চলে যাই তবে ওদের সাহস তো বাড়বেই। সিলেটের হযরত শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অাজ মুহম্মদ জাফর ইকবালের রক্ত, এর পরে ওরা কার রক্ত ঝরাবে কে জানে!
স্বাধীনতার স্বপক্ষ যখন প্রতিষ্ঠিত তখন ও এদেশের ওয়াজ মাহফিলে স্বাধীনতার বিপক্ষের চর্চা হয় প্রকাশ্যে; ওরা যে ঘোষিত এবং অঘোষিত ভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এর তদারকি অাসলে করবেটা কে?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




