প্রিয় সুধীর গৌতম,
শুনেছো তো আমরা ও অাজ ভিনদেশে দৌড়ানী খেয়েছি তোমার মত! প্রকৃতি সব মনে রেখে সময়মত ফিরিয়ে দেয়, ভুল করেনা। তাই বলে সুধীর বাবু তুমি আবারো মিরপুর স্টেডিয়ামে অাসবে সে অামি চাইনে ভুলে ও! অামরা অতীত থেকে শিক্ষা কম, হিংসে করতে শিখি বেশি।
সুধীর বাবু অান্দাজ করি এই খবরে প্রথমে তোমার হাড় জুড়োনোর মত অনুভুতি হয়েছিলো, খানিক বাদে মনে পড়ার কথা ভিনদেশে গিয়ে সৌহার্দ্যের বদলে বাশ হাতে হাজার জনতার তাড়ায় অচিন জায়গায় ভয়ে অাত্বারাম প্রায় খাচা থেকে বেরিয়ে যায় যায় অবস্থাটা।
একটু থিতু হবার পরেই হয়তো রাগ, দুঃখ আর ক্রোধে ভীষণ কান্না পাচ্ছিলো তখন। অবাক লেগেছিলো ভারি, অতিথিরে না পূজে এরা দেখি মারিতে উদ্যত হয়!
তার একটু পরেই তোমার প্রতিশোধ পরায়ন উড়ন্ত মনে কেমন যেনো লাগবে, না রে ঠিক করেনি শ্রীলংকান গুলো ওদেরকে তাড়িয়ে!
ওরা ও তাহলে এই অচিন শহরে অামার মতই কষ্ট পাচ্ছে হোটেলের ঘরে।
ভালো থেকো দুরন্ত সাপোর্টার সুধীর থেকে শরীফেরা,
যারা শরীরে পতাকা ফেরী করে ভুলে শীত, গ্রীষ্ম আর বর্ষা,
সারাটা দিন চামড়ায় সয়ে যায়,
ভেতরে পুড়ুক, জমুক অার কাপুক ঠক ঠক,
অসময়ের এক পশলা বৃষ্টিতে ভিজে,
তবু অবশ হয়ে অাসা দুটি হাতে,
ভুল করেনা বিরামহীন পতাকা ওড়াতে...
- ভালো থেকো সুধীর গৌতম, আমার এই কাচা হাতের লেখাটি তোমার চোখে পড়লে ভুলে যেও সব, অামরা ভালোবাসতেই শিখেছি,
অাবেগী মুহুর্তের ভুল ঘৃণা নয়।
#ওরা_পতাকার_ফেরিওয়ালা

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৫:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



