![]()
সুদক্ষ শিকারী তীরটি ছুড়ে মারলো আর সাথে সাথেই ধনুকের মতো আজ বেঁকে গেল আমার সুস্থির মন খানি। আমি শুনেছি প্রেমের ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থতার এক ধরনের ছায়াচ্ছন্ন আনন্দ নাকি আছে। কেউ এ আনন্দটুকু নিতে পারলে কারও পক্ষে কখনও মন খারাপ করে রাখা সম্ভব নয়।
ভালোবাসা পেতেও তেমন কাঠখড় পোড়াতে হবে না, যেমনটা হতে পারে বলেই ভেবেছিলেম।
আমি জানি বন্ধু বা প্রেমিক মানেই প্রানচঞ্চলতা, তাদের ছেড়ে থাকতে বড্ড কষ্ট হয়।সামনে এমন সময় এগিয়ে আসছে ধীরলয়ে, যখন হারানো দিনের বিশ্বস্ত মানুষগুলোর সঙ্গে অনেক কিছু ভাগাভাগি করে নেয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়বে । তীব্র এক চাওয়া থেকে পরিচয় হবে নতুন সত্তার সঙ্গে ।শুনেছি ভালোবাসার নাকি শেকল থাকতে নেই। তবে ডানা থাকতে হয়। সে ডানায় ভর দিয়ে আলবাট্রসের মত সুনীল সাগরে ভেসে যাবো একদিন। কারো জন্য গভীর সমুদ্রে ডুবুরীর মত ডুব দেবো অপার্থিব এক মুক্তো খুজতে।
উষ্ণ দিনের এক সুন্দর সুগন্ধী নির্যাস গায়ে মেখেছি আমি, শান্তির একটু সময় কাটুক। ভালোবাসা তো আমাকে দিয়ে এ যাবৎ কম পাগলামি করিয়ে নিলো না। আরও বাকি আছে – তাই গতিকে যদি ভালোবেসে থাকি, তো স্থবিরতাকেও ভালোবাসতে পারবো।
ঘৃনা আমি কাউকে করিনা, কারন যাকে ঘৃণা করবো, সে-ই তো অপশক্তি হয়ে জীবন বিষিয়ে দেবে।
আজ ঘুম ঘুম এক দুপুর আমার, আরেকটু হেঁটে আসি,আরেকটু দূর । না এখানেই স্বস্তি, ওখানটায় থেমে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ধোপে যেন না টিকে তার এক বন্দোবস্ত করতেই হবে আমাকে। অবচেতন মনের ভাবনায় বড্ড তোলপাড় আজ।
মনের আঙ্গিনায় প্রবল ধারায় নয়, রিমঝিম বৃষ্টিই হচ্ছে , তবে সেই বৃষ্টিতে সে যদি আমাকে ভেজাতে চায়, ভিজিয়ে যাক। চোখের পানিটুকু ধুয়ে যাক সেই সাথে। পিঁপড়ের আগেইতো বৃষ্টির গন্ধ পেয়েছি। কই ভিজে যাওয়াতো এড়াতে পারলাম না, ভেজা শালিকের পালকের মতনই চুপসে উঠেছি।
জানি না কেন জানি আজ সবুজ রঙও আমাকে কাছে পেতে চাইছে। টানছে অদৃশ্য এক চুম্বকের মত। চোখ মেলতেই দেখলুম সবুজ ঘাসের ডগায় শিশিরের ফোটাগুলো রোদের ছোয়ায় মতির মত জ্বলে উঠছে। সেই সুগন্ধি সবুজের ভেতর সুড়ুৎ করে ঢুকে পড়তে হবে আর সাথে সাথে বুক ভরে ঘ্রাণ নেয়ার সময় খুব করে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন না হয় পরাধীন বাতাস । বাতাস পরাধীন হলে শ্বাস না নিয়ে, প্রয়োজন হলে মরে যেতেও রাজি আমি।
দূরতম সম্পর্কের কেউ শোনাবে অনেক দিনের পুরনো কোনো এক গল্প, যার মাধ্যমে বুঝে যাবো আমার অতীত। জানি না যা পাচ্ছি, তা ধরে রাখতে পারবো কী না। পাওয়া আর না পাওয়ার মাঝে একটু খানি কথা থেকেই যাচ্ছে ...।
তাইতো তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে চলেছি একাকী আনমনে, শাড়ীর পাড় আঁকড়ে ধরেছে চোঁরকাটার দল। পা জড়িয়ে যাচ্ছে আমার। দুটি পৃথক লক্ষ্যের দিকে চোখ রেখে মধ্যবর্তী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি। প্রতিমুহূর্তে প্রাপ্তির সঙ্গে যে বোঝাপড়া হচ্ছে তার তো কোন কিনারা মিল্লো না ।
মনে হয় জীবনের পাওয়া সমস্যাগুলো যথেষ্ট ছড়িয়ে দিতে পারি নি বলেই এক জায়গায় ব্যথার জড়ুল হয়ে আছে। সেখানে প্রিয়জনের আদরের হাত রাখলেও গলা চিরে চিৎকার বেরিয়ে আসে।
অনেকে বলেন, প্রকৃতির বিরুদ্ধে যেতে নেই। কেন যে যেতে নেই ? কি আছে তাতে ? মানুষই তো স্বয়ং প্রকৃতির অংশ। সুতরাং ‘প্রকৃতির বিরুদ্ধে’ বলে কিছু নেই। কিছু নেই ....
সুত্রঃ কুড়িয়ে পাওয়া
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




