প্রভু তোমার গ্রন্থখানি বুকে ধরি,
ইচ্ছে করে চোখটি বুঁজে স্মরণ করি,
ঐশী বাণী তোমার যত লিখা আছে,
সবই আমার ঠোঁটের আগায় যেন আসে।
পিতার কাছে শিখেছিনু পড়তে শিখা,
মহাগ্রন্থের শক্তিশালী আরবী ভাষা।
পাঠের মাঝেই আটকে ছিল সেই শিক্ষা,
অর্থ বুঝার ছিলো নাতো কোন দীক্ষা।
তোমার দয়ায় চোখ খুলছে ধীরে ধীরে,
প্রথম পাঠের সবক নিয়ে যাই গভীরে।
ভাবনা সেথায় ভেসে বেড়ায় অন্তহীন,
পড়ছি যত বাড়ছে তত ঈমান-একিন।
আমার যত শক্তি আছে গুনাহ করার,
চেষ্টা যতই করুক ইবলিস তা বাড়াবার,
অজানা তার শেষ সীমানা কোথায় তোমার
কান্নারত ভগ্নহৃদয় বান্দাগুলোয় ক্ষমা করার।
তোমার গ্রন্থে লিখা আছে অভয়বাণী,
সেই ভরসায় দোলে আমার হৃদয়খানি,
নামটি তোমার সদা জপি ক্বলবেতে,
যাচি তোমার ঐশী বাণী দু'কান পেতে।
প্রভু তোমার দয়ার কথায়, ক্ষমার কথায়,
পাপের বোঝা আমার অনেক হাল্কা বোধ হয়।
নীরব মনে চোখ ভেসে যায়, বুক ভেসে যায়,
কিসের আশায়, কোন্ প্লাবনের ফল্গুধারায়?
আমার চোখ ঢেকে যায় ঘন কুয়াশায়,
ঝাপসা হওয়া চশমা মুছে কোন ভাবনায়,
চাই তোমাকে, জানো তুমি কিসের আশায়!
তোমার ক্ষমার সেই আশাতেই দিন কেটে যায়!
ঢাকা।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


