somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কয়েকটি জাংশন রেলস্টেশনের স্মৃতিকথা

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কোন রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে আর বিমানবন্দরের ট্রানজিট লাউঞ্জে অপেক্ষমান যাত্রীদের সময় কাটতে চায় না। অস্থির হয়ে তারা পায়চারি করেন, হাঁসফাঁস করেন। বারবার ঘড়ির দিকে তাকান, সাথে কোন রীডিং ম্যাটেরিয়াল থাকলে তা মেলে ধরে চোখ বুলান ঠিকই, কিন্তু পড়েন না। আসলে পড়তে পারেন না, কারণ মনোসংযোগ করতে পারেন না। আমার আবার এসব জায়গায় সময়টা বেশ কেটে যায়। একেবারে ছোটবেলা থেকেই আমি এরকম ব্যস্ত জনসমাগমকেন্দ্রে একলা ঘুরে ঘুরে সময় কাটাতে ভালবাসতাম। আজ আমি শুধু স্মৃতিময় কয়েকটা রেলওয়ে জাংশন স্টেশনে সময় কাটানোর কথা বলবো, আরেকদিন বলবো ব্যস্ত এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে ট্রাঞ্জিট যাত্রী হিসেবে অলস সময় কাটানোর কথা।

আমার নানাবাড়ী, হাড়িভাঙ্গা থেকে মাত্র আধা ঘন্টার হাঁটা পথের দূরত্বে ছিল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রেলওয়ে জাংশন ‘লালমনিরহাট রেলওয়ে জাংশন’। তখনকার দিনে খুবই ব্যস্ত একটি রেলওয়ে জাংশন ছিল সেটা। সারাদিন ধরে নানামুখি ট্রেন আসা যাওয়া করতো। প্রধান রুট ছিল চারটেঃ লালমনিরহাট-বুড়িমারী, লালমনিরহাট-শান্তাহার, লালমনিরহাট-পার্বতীপুর আর লালমনিরহাট-মোগলহাট। আমরা কাজিনরা মিলে প্রায়ই স্টেশনে যেতাম আর ওভারব্রীজে দাঁড়িয়ে পিঁপড়ের মত ট্রেনগুলোর পিল পিল করে আসা যাওয়া দেখতাম আর গল্প করতাম। কখনো কাজিনরা যেতে না চাইলে আমি একাই যেতাম। ট্রেনের রিফ্রেশমেন্ট রুমে চমৎকার ফিরনি পাওয়া যেত। পকেটে পয়সা থাকলে মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে ফিরনি খেতাম। লালমনিরহাট-মোগলহাট রুটের দূরত্ব ছিল মাত্র ১০/১২ কিমি, মাত্র একটি স্টেশন। তবুও এ রুটটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ তখনকার দিনে মোগলহাট স্টেশন দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বৈধভাবে ভারতে যাওয়া আসা করতে পারতো। মোগলহাটের পরে লাইনটি চলে গেছে ভারতের কুচবিহার জেলার দিনহাটা। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর উভয় দেশের নাগরিকদের জন্য বৈধ পারাপারের এ সুযোগটি রহিত হয়ে গেলেও, মোগলহাট পর্যন্ত যাত্রীরা ঠিকই আসা যাওয়া করতো এবং সীমান্তের সন্নিকটবর্তী যাদের বসতি ছিল, তারা উভয় পারের সীমান্ত প্রহরীদের ‘ম্যানেজ’ করে যাওয়া আসা করতো। মোগলহাট যেহেতু প্রান্তিক স্টেশন ছিল, সেখানে কালো স্টীম ইঞ্জিনগুলো ঘুরানোর জন্য একটি রেলবৃত্ত ছিল, যেখানে উঠে ইঞ্জিনগুলোর মুখ ঘুরানো হতো।

আমার স্মৃতিপটে ‘লালমনিরহাট রেলওয়ে জাংশন’ ছাড়াও আরও বেশ ক’টি রেল-জাংশন ভাস্বর হয়ে আছে। লালমনিরহাট থেকে কুড়িগ্রামগামী যাত্রীরা ‘তিস্তা রেলওয়ে জাংশন’ এ নেমে কুড়িগ্রামের কানেক্টিং ট্রেন ধরতেন। আমি কখনো ট্রেনযোগে কুড়িগ্রাম যাইনি, তাই এই জাংশনে আমার কখনো সময় কাটানো হয়নি। তবে এই জাংশনে আমাদের ট্রেনটি থামলে আমরা ভাইবোনেরা একটু নড়ে চড়ে বসতাম, কারণ এ স্টেশন থেকে ছাড়ার কিছুক্ষণ পরেই ট্রেনটা উঠে যেত তখনকার দিনের ঐ এলাকার সবচেয়ে বড় রেলওয়ে ব্রীজ, তিস্তা ব্রীজে। ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে তীরবর্তী জেলেদের মাছ ধরা দেখতাম, পালতোলা নৌকা দেখতাম আর তিস্তা নদীর উপর এখানে সেখানে ভেসে ওঠা চর দেখে সেখানে অস্থায়ীভাবে বসতি গড়া লোকজনের কথা ভাবতাম। এই ব্রীজটি বাংলাদেশের বড় দুটি যুদ্ধের উভয় যুদ্ধেই বিধ্বস্ত হয়। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় বিমানবাহিনী এর উপর বোমা বর্ষণ করে এবং ১৯৭১ এর যুদ্ধে পলায়নপর পাকিস্তানী সেনাদের ‘ইঞ্জিনীয়ার্স কোর’ এটাকে ‘রিজার্ভড ডেমোলিশন’ এ রেখে পলায়নের আগ মুহূর্তে ধ্বংস করে। স্বাধীনতার পর ভারতীয় বাহিনীর ‘ইঞ্জিনীয়ার্স কোর’ এটাকে পুনরায় মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে। আমরা যখন ঢাকা থেকে নানাবাড়ী যেতাম, নানী আমাদের বলতেন যে আমাদের ট্রেনটা তিস্তা ব্রীজে উঠলেই ট্রেনের সে ঘরঘর আওয়াজ নানাবাড়ী পর্যন্ত পৌঁছাতো এবং তা শুনে তিনি বুঝে যেতেন যে আমরা আর ঘন্টা দেড়েকের মধ্যে পৌঁছে যাব, এবং তিনি সে অনুযায়ী খাবার দাবার তৈরি করে রাখতেন। যেদিন নানাবাড়ী ছেড়ে আবার ঢাকায় ফিরে আসতাম, তার আগের রাতে নানী আমাকে খুব আদর করে খাওয়াতেন আর ঘন ঘন শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ মুছতেন। প্রথমে ভাবতাম, উনুনের গরমে হয়তো উনি ঘেমে গেছেন, তাই মুখ মুছতেন। পরে আবার ভালো করে তাকালে বুঝতে পারতাম, উনি মুখ মোছার আড়ালে আসলে চোখের কোণা মুছতেন। আর খাবার মাঝেই বারে বারে মাথার উপর হাত বুলিয়ে দিয়ে বলতেন, "ভাই খাও, আবার কবে দেখা হবে"!

এটুকু বলেই তার গলা ভেঙ্গে আসতো, আর আমার গলা বন্ধ হয়ে যেত। শখ করে নানা হাট থেকে আমার প্রিয় ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে আসতেন, বিকেলে নিজে গাই ছেঁকতেন, কারণ দুধ আর খাঁটি দুধের মোটা সর আমার খুব প্রিয় ছিল। কিন্তু নানীর সেই আদর করে খাওয়ানোর সময় তার রুদ্ধ কন্ঠস্বর শুনে আমার গলা দিয়ে আর কোন খাবার নিচে নামতে চাইতো না। আমি বারে বারে শুধু ঢোক গিলে একসময় খাওয়া ছেড়ে উঠে আসতাম। এখন যখন এ কথাগুলো আমি লিখছি, এখনো আমি মাথার উপর আমার মরহুমা নানীর হাত বুলানোর স্পর্শ অনুভব করছি। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় এমন হৃদয়ের অনুভূতি ধীরে ধীরে একদিন বিলুপ্ত হয়ে যাবে কিনা, কে জানে!।

‘তিস্তা জাংশন’ এর পরের স্টেশনটি ‘কাউনিয়া জাংশন’। ঢাকা থেকে রংপুর যেতে হলেও এ স্টেশন পার হতে হয়, আবার লালমনিরহাট এবং কুড়িগ্রাম যেতেও, এবং প্রত্যেকটি উল্টো পথেও। তাই এ স্টেশনটি আয়তনে ছোট হলেও দিনের ট্রেন পারাপারের নির্দিষ্ট সময়গুলোতে যাত্রীর ভিড়ে গমগম করতো। তখনকার দিনে রংপুর ছিল আমাদের জেলা শহর। তাই অনেক নৈমিত্তিক কাজে আমাদেরকে রংপুর আসা যাওয়া করতে হতো, আবার রাজধানী হিসেবে এবং পড়াশোনার কারণে ঢাকায়ও তো ঘন ঘন আসতে হতোই। কাজেই, এই উভয় গন্তব্যে যাওয়া আসার সময় আমাকে প্রতিবারই ‘কাউনিয়া জাংশন’ অতিক্রম করতে হতো। তাই, বাংলাদেশ রেলওয়ের যতগুলো জাংশন রয়েছে, তার মধ্যে এই ‘কাউনিয়া জাংশন’ আমি সর্বাধিকবার অতিক্রম করেছি, এতবার যে এর প্রতিটি ইট পাথর, পথ পাশের গাছপালা, টী-স্টলের লোকজন, সবই আমার অতি পরিচিত হয়ে গিয়েছিল। ছাত্রাবস্থায় ঢাকা আসার জন্য বাড়ী থেকে শেষরাতে ট্রেনে উঠতাম, কাউনিয়ায় আসতে আসতে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করতো, অরুণোদয় হতো। তখন স্টেশনের ফাঁকা প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিংবা পায়চারি করতে করতে দেখতাম, কিভাবে একটা ঘুমন্ত স্টেশন ধীরে ধীরে জেগে ওঠে।

কাউনিয়ার পরেই ‘বোনারপাড়া রেলওয়ে জাংশন’টি আমার কাছে অনেক স্মৃতিময়। সে স্মৃতিগুলোর কথা এখানে না বলে বরং এ জাংশনটি’র কথা স্মরণ করে আমি যে একটা কবিতা লিখেছিলাম, সেটারই লিঙ্ক এখানে দিয়ে দিচ্ছি। সেই কবিতাটিতেই আমার স্মৃতিগুলো ভাষা পেয়েছেঃ "কবিতাঃ বোনারপাড়া জংশন"

ট্রেনে চলাচলের সময় আমার ট্রেনগুলো ‘ময়মনসিংহ জাংশন’ অতিক্রম করতো বেশিরভাগ সময় মধ্যরাতে, রাত দুটো তিনটার দিকে। সেই স্মৃতি কিছুটা বর্ণিত হয়েছে আমার লেখা “স্মৃতিচারণঃ ময়মনসিংহ” পোস্টে। যদিও সে পোস্টটি মূলতঃ ময়মনসিংহ শহরকে নিয়ে লেখা, রেল জাংশনের কিছু কথাও সেখানে উঠে এসেছে।

‘পার্বতীপুর রেলওয়ে জাংশন’টি বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জাংশন স্টেশন। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশ থেকে বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর জেলায় রেলযোগে আসতে হলে এ স্টেশনটি অতিক্রম করতে হয়। এখানে রেলের একটি বড় প্রশিক্ষণ একাডেমি আছে, তাছাড়া এ জাংশানে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনগুলো একত্রিত হয় বিধায় এখানে যাত্রীদেরকে নেমে প্লাটফর্ম বদল করতে হয়। ছাত্রাবস্থায় আমি এ জাংশনে কখনো যাইনি। তবে কর্মজীবনে রংপুর, সৈয়দপুর থেকে রাজশাহী ও খুলনা এলাকায় যাবার সময় এ জাংশন কয়েকবার অতিক্রম করেছি। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকেও আন্তঃ-রেলডিভিশনে গমনাগমনের সময় এ পথ পাড়ি দিতে হতো বলে জাংশনটির ব্যবস্থাপনা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা উন্নত মানের ছিল। একবার আমাকে রংপুর থেকে রাজশাহীর সারদা (তখন দাপ্তরিক কাগজপত্রে ‘সরদহ’ লেখা হতো, হয়তো এখনো হয়) পুলিশ একাডেমিতে একটা ডিউটিতে যেতে হয়েছিল। ভোরে রংপুর থেকে ট্রেনে পার্বতীপুর জাংশনে এসে মিটারগেজ লাইনের ট্রেন পরিবর্তন করে ব্রডগেজ লাইনের ট্রেন ধরেছিলাম। সে ট্রেন আমাকে ‘আব্দুল্লাপুর জাংশন’ এ নামিয়ে দিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে চলে যায়। ‘আব্দুল্লাপুর জাংশন’ থেকে একটি ছোট ব্রাঞ্চ লাইন সারদা চলে যায়। খুব সম্ভবতঃ সারদা পুলিশ একাডেমিকে কানেক্ট করার জন্যই অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এ জাংশনটি খোলা হয়। তখন ব্রিটিশ ভারতের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুলিশ একাডেমি ছিল এই সারদা পুলিশ একাডেমি। আমি এক ঘন্টার মত একা সেই ‘আব্দুল্লাপুর জাংশন’ এ হাঁটাহাটি করে সময় কাটিয়েছিলাম। পড়ন্ত বিকেলে ঈশ্বরদী থেকে একটা ট্রেন এসে সেখানে থামলে আমি সেটতে উঠে পড়ি এবং ‘সরদহ’ স্টেশনে নেমে ঘোড়ার গাড়ীতে (স্থানীয় ভাষায় টাঙ্গা) চড়ে পুলিশ একাডেমিতে যাই। সেখানে গিয়ে আমার আরো কয়েকজন সতীর্থকে পাই। পুলিশ একাডেমির অতি সন্নিকটে অবস্থিত রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ। সেখানে থাকাকালীন একদিন আমরা কয়েকজন সতীর্থ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের তৎকালীন এ্যাডজুট্যান্ট মেজর ওয়ালীউল্লাহ’র কাছ থেকে দাওয়াত পেলাম বিকেলে পদ্মার পাড় ঘুরে দেখে তার বাসায় বেড়াতে যাবার জন্য। আমরা খুশিমনে সে দাওয়াত কবুল করেছিলাম এবং একটি ভাল সন্ধ্যা উপভোগ করেছিলাম।

পার্বতীপুর-খুলনা লাইনে চলাচলের সময় আমার আরেকটা জাংশনের প্রতি আগ্রহ ছিল। সে জাংশনে আমি কখনো ট্রেন থেকে নামিনি, কিন্তু প্রতিবারই ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকাতাম শুধুমাত্র এ জাংশনের বাঁকটি দেখার জন্য। সে স্টেশনটির নাম ছিল ‘পোড়াদহ জাংশন’। স্টেশনের প্লাটফর্মটি ছিল একটি বাঁকের উপর, সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বাঁকা ট্রেনটিকে দেখতে আমার খুব ভাল লাগতো। বাঁকা পথ জীবন পথের প্রতীক, এজন্য সড়ক পথ কিংবা রেলপথ, উভয়পথের বাঁক দেখতে আমার ভাল লাগে। এমন কি আকাশপথে যখন প্লেন বাঁক নেয়, তখনো আমি নীচে তাকাই। শূন্যে আমি বাঁক নিচ্ছি, এ কথা ভাবতে ভাল লাগে।

ছবিসূত্রঃ ছবিগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া হয়েছে।


ঢাকা
১৭ জানুয়ারী ২০২১
শব্দসংখ্যাঃ ১০৩৯


সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:১১
৩৯টি মন্তব্য ৪০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাত পাঁচ (নাকি সকাল!) ঘটিকায় ব্লগে আমি ও অনলাইনে আছেন!!!

লিখেছেন অজ্ঞ বালক, ০৭ ই মার্চ, ২০২১ ভোর ৬:০২

কি করা যায়? সাধারণত এরকম সময়ে নির্বাচিত ব্লগই পড়া হয়! কিন্তু আজ নির্বাচিত ব্লগ পড়তে ইচ্ছা করছে না, আসলে তার উপায়ও নেই। নির্বাচিততে শেষ আপডেট হয়েছিলো গ্যাস্ত্রিকোর ব্লগটা, ফেব্রুয়ারির বাছাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

'যদি' কথন

লিখেছেন স্থিতধী, ০৭ ই মার্চ, ২০২১ সকাল ৭:৩৩



শর্ত, অনিশ্চয়তা, আকাঙ্খা , সম্ভাবনা, বিকল্প ভাবনা; এমন অনেক কিছুর প্রকাশবাহী একটা ছোট শব্দ “ যদি”। এই “যদি” এর শর্তে আমরা অনুপ্রাণিত হই আবার থমকেও যাই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই তোমায়, তোমারি জন্ম শতবর্ষে ।

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ০৭ ই মার্চ, ২০২১ সকাল ১১:৪৮



ভেবে ভেবে অবাক হতে হয়
কীর্তি তোমার স্বাধীন বাংলাদেশ—সারা বিশ্বের বিষ্ময়!
এমন তরো স্বপ্নের বাস্তবায়ন
কেহ আগে কী পেরেছে অথবা পারবে? পারবে না নিশ্চয়
তোমার কারণেই স্বাধীন বাংলার লাল—সবুজ পতাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ বেলা অবেলা

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৭ ই মার্চ, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

[১]
অনেকক্ষণ ধরে ডোরবেল একটানা বেজে চলেছে। বাথরুম থেকে তো জুলেখা ঠিকই শুনতে পাচ্ছেন আর কেউ শুনতে পারছে না নাকি!
তুতুল কি করছে কে জানে? এই দুপুর বেলা পড়ে পড়ে ঘুমুচ্ছে হয়তো।
আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামী বয়ানে ৭ মার্চের ভাষণ

লিখেছেন সাইফুল ইসলাম৭১, ০৭ ই মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৫৮


ইসলাম শুধু একটা ধর্ম নয় বরং ঈমানদারদের জন্য একটি সর্বাঙ্গীন জীবন বিধান। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে ইসলামের কার্যকরী প্রভাব রয়েছে। আজ আমরা সেই অদেখা ভুবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×