somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাতু মালয়েশিয়া - ১০

০২ রা নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আগের পর্ব -
Click This Link


ব্লগার সত্যচারীর সাথে রাতের পুত্রাজায়ায়

আগের দিন আয়োজকদের আয়োজনে গেনটিং হাইল্যাণ্ডের মায়াবী ভূবনে ঘুরে এলাম। রঙের মেলায় রঙের ছোপ বাড়িয়ে তোলে চকচকে ক্যাসিনো। এক টুকরা লাস ভেগাস বসে আছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ফুট উঁচুতে ! আমরা দুর্বল টাকাই ডলার নিয়ে ওপথ মাড়ালাম না। তেলতেলে আর গরম পেট্রো ডলারওয়ালাদের ওপর ছেড়ে দিলাম ক্যাসিনোর ভার। মালয়ী গাইড বললেন এটা এ অঞ্চলের সব চেয়ে বড়ো ক্যাসিনো।

পর দিন নিজ দায়িত্বে পুত্রাজায়া যাবার পালা। ছোট বাসে ১১ জনের বেশী বসা কঠিন। আবার ১৩ জনের জন্য বড়ো বাস নিলে ভাড়ায় পোষাবে না। আমি এর আগের বার ৩ দফা (সকাল, দুপুর আর বিকেলে) পুত্রাজায়া গেছি বলে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলাম। যাওয়া আসা আর অপেক্ষার জন্য মিলে জনপ্রতি ৫৫ রিঙিতে ( প্রায় ২০ ডলার ) রফা হলো। সবাই বের হলেন পুত্রাজায়ার পথে। আমি মাইডিন আর হানিফার পথে।

আগের দিন ব্লগার সত্যচারীর সাথে ফোনে কথা হলো। তিনি সন্ধ্যায় আমাকে নিয়ে যাবেন রাতের রঙিন আলোয় ঝলমলে পুত্রাজায়ায়।

রাতের পুত্রাজায়ায় ঢোকার পথে

ট্রাফিক কনজেশন পেরিয়ে সত্যচারী এলেন রাত প্রায় সাড়ে আটটায় ! নিজেই গাড়ী ড্রাইভ করছেন। পাশে বসেছেন ভাবী সাহেবা ( সত্যচারিণী ? হা হা হা ! )। আরো ছিলেন তার বন্ধু প্রবাসী দেশী লোক মাহবুব সাহেব। আমি আর মাহবুব সাহেব বসলাম পেছনে।

দূর থেকেই দেখা যাচ্ছিলো পুত্রাজায়ার রঙিন চেহারা ! নানা রঙের আলোতে স্বপ্নিল লাগছিলো সুন্দর শহরটিকে। পুত্রা মসজিদের কাছে গিয়ে নামলাম। দেখলাম আরো অনেকেই সপরিবারে এসেছেন ঘুরতে। রাত তখন পৌনে দশটা। ছোট ছোট বাচ্চারা ছুটাছুটি করছিলো খোলা মাঠে। সম্পূর্ন অন্য এক সৌন্দর্যে জ্বলজ্বল করছিলো পুত্রা মসজিদ।


টুংকৃ মিজান জয়নুল আবেদীন মসজিদ ( লোহার মসজিদ) ভবনটিকে দিনের বেলায় দারুন চকচকে লাগে স্টেইনলেস স্টিলের রূপালী ঝলকের সাথে সূর্যালোকের খেলায়। রাতের বেলায় সেই সৌন্দর্যে লাগে ভিন্ন ছাপ।


তবে সব চেয়ে চমকে দিয়েছে ব্রীজ সুন্দরী। একটু সময় পরপর রঙের লহরী তুলে রঙ বদলায় সে। অনেক সময় দাঁড়িয়ে বিমুগ্ধ চোখে দেখলাম রঙ বদলের খেলা।




(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২১
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গ্রেট প্রেমানন্দ মহারাজ

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



'প্রেমানন্দ' একজন ভারতীয় হিন্দু তপস্বী ও গুরু।
১৯৭১ সালে কানপুরের কাছে 'আখরি' গ্রামে তার জন্ম। দরিদ্র পরিবারে জন্ম। ১৩ বছর বয়সে প্রেমানন্দ সন্ন্যাসী হওয়ার জন্য গৃহ ত্যাগ করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুতাপ (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

একনাগাড়ে ৪-৫ বছর কাজ করার পর রহিমের মনে হলো, নাহ! এবার আরেকটা চাকরি দেখি। লোকাল একটা কোম্পানিতে কাজ করত সে। কিন্তু কোনকিছু করার জন্য শুধু ভাবনাই যথেষ্ট নয়। সে চাকরির... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


করোনার সময় নানান উত্থান পতন ছিল আমাদের, আব্বা মা ছোটবোন সহ আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় মরে যেতে যেতে বেঁচে গিয়েছিলাম শেষ মুহূর্তে, বেঁচে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×